Skip to content
কর, ভ্যাট ও কাস্টমসআইনের হালনাগাদ

অর্থ আইন ২০২৬: ১ জুলাই ২০২৬ থেকে আয়কর রিটার্ন দাখিলের নিয়ম বদলে গেছে

অর্থ আইন ২০২৬ (২০২৬ সালের ৯৬ নং আইন) কর বছর ২০২৬-২৭ থেকে ব্যক্তির আয়কর রিটার্ন দাখিলের নিয়ম নতুন করে লিখেছে। ৩০ নভেম্বরের একক শেষ তারিখ আর নেই: এখন বছরের যেকোনো সময় রিটার্ন দেওয়া যায় — আগে দিলে রেয়াত, দেরি করলে অতিরিক্ত কর।

প্রকাশ: ১ জুলাই ২০২৬
শেয়ার করুন
বাংলাদেশে অর্থ আইন ২০২৬-এর আয়কর রিটার্ন দাখিলের পরিবর্তনের জন্য ঘড়ি, সময়-চিহ্নিত ক্যালেন্ডার ও কয়েনসহ কর রিটার্নের পাতা

সারা বছর দাখিল: পুরস্কার ও খরচ

সাধারণ ব্যক্তি করদাতার জন্য ৩০ নভেম্বরের নির্দিষ্ট "কর দিবস" আর প্রযোজ্য নয়। কর বছর ২০২৬-২৭-এ (১ জুলাই ২০২৫ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ সালের আয়) ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে রিটার্ন দিলে প্রদেয় করের ৫% রেয়াত, সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা। ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে তখনো না-দেওয়া রিটার্নে অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরে দিলে রেয়াতও নেই, অতিরিক্ত করও নেই।

অনলাইন দাখিল এখন বাধ্যতামূলক

সাধারণ ব্যক্তি করদাতাদের etaxnbr.gov.bd-তে অনলাইনে রিটার্ন দিতে হবে; মাত্র কয়েকটি শ্রেণি কাগজে দিতে পারবেন। লাগবে ১২ সংখ্যার টিআইএন, নিজের এনআইডিতে নিবন্ধিত মোবাইল সিম, আর বছরের আয় ও সম্পদের কাগজপত্র।

২০২৬-২৭-এর হার ও সীমা

করমুক্ত সীমা বেশিরভাগ ব্যক্তির জন্য ৪,০০,০০০ টাকা; নারী ও ৬৫ বা তদূর্ধ্বদের ৪,৫০,০০০; প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের ৫,২৫,০০০; যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের ৫,৫০,০০০ টাকা। ৫% ধাপ উঠে গেছে: সীমার ওপরের আয়ে ১০%, ১৫%, ২০%, ২৫% ও ৩০%। ন্যূনতম কর ৫,০০০ টাকা (প্রথমবারের করদাতার ১,০০০ টাকা), কেবল আয় সীমা ছাড়ালে।

কোম্পানির জন্য

তালিকাবহির্ভূত কোম্পানি ২৭.৫%, বছরের সব প্রাপ্তি ব্যাংকিং চ্যানেলে এলে ২৫%; তালিকাভুক্ত কোম্পানি পাবলিক শেয়ার অনুপাতে ২২.৫% বা ২৫%, একই শর্তে। ন্যূনতম করের নতুন নাম টার্নওভার কর: নিয়মিত করের চেয়ে বেশি হলে মোট প্রাপ্তির ১%। কোম্পানির রিটার্ন বছর শেষের পর নবম মাসের ১৫ তারিখে — ৩০ জুন বছর শেষ হলে ১৫ মার্চ ২০২৭ — ছয় মাসের মধ্যে দিলে ৫% রেয়াত।

এতে আপনার জন্য কী দাঁড়ায়

নিজে রিটার্ন দিলে হিসাব সহজ: ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দিন, রেয়াত নিন; ডিসেম্বরের পরে ঝুলিয়ে রাখবেন না। কোম্পানির সব প্রাপ্তি ব্যাংকে আনা গেলে ২.৫ পয়েন্টের হার-ছাড় সাধারণত সেই শৃঙ্খলার দাম পুষিয়ে দেয়।

তথ্যসূত্র

আইন লাইব্রেরি

এই গাইডের পেছনের আইন ও ফরম

বিডি অ্যাডভোকেসিতে সংরক্ষিত প্রামাণিক পাঠ। ধারা নম্বরগুলো এই গাইডে ব্যবহৃত।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম প্রশ্ন বা মতামত আপনিই লিখুন।

মন্তব্য লিখুন

সব মন্তব্য প্রকাশের আগে চেম্বার থেকে যাচাই করা হয়। মামলার গোপন তথ্য, ফোন নম্বর বা লিংক দেবেন না। এখানে দেওয়া উত্তর সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়; নির্দিষ্ট বিষয়ে পরামর্শের জন্য চেম্বারে যোগাযোগ করুন।

এই পরিবর্তন নিয়ে আমাদের সাথে কথা বলুন

লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে, কোনো বাধ্যবাধকতাও নেই।