Skip to content
আইনজীবী · ঢাকা, বাংলাদেশ

আইনি সহায়তা: পারিবারিক, জমিজমা ও মামলা-মোকদ্দমায়

বিডি অ্যাডভোকেসি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত ব্যারিস্টার, আইনজীবী ও পরামর্শকদের একটি চেম্বার। পারিবারিক সমস্যা, জমিজমা ও সম্পত্তির কাজ এবং দেশের বিভিন্ন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনায় আমরা পরামর্শ দিই এবং আপনার পক্ষে লড়ি।

আপনার বিষয়টা আসলে মামলা করার মতো কি না, নিশ্চিত নন? সেটা জানার জন্যই ফোন করুন।

রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার, সকাল ১০টা–সন্ধ্যা ৬টা১১বি, ৭৫-৭৬ কাকরাইল, ঢাকা+880 1772 137777
কাকরাইলে বিডি অ্যাডভোকেসি চেম্বারের ভেতরের দৃশ্য
আমরা যেসব বিষয়ে সাহায্য করি

তিন ধরনের আইনি সেবা

আপনার সমস্যা যদি একাধিক বিষয়ে ছড়িয়ে থাকে, যেমন উত্তরাধিকারের বিরোধ শেষ পর্যন্ত আদালতে গড়ালো, তাহলে যেকোনো জায়গা থেকে শুরু করুন। আমরা আপনাকে সঠিক আইনজীবীর কাছে পৌঁছে দেব।

পারিবারিক ও ব্যক্তিগত

তালাক ও ডিভোর্স, দেনমোহর ও ভরণপোষণ, সন্তানের হেফাজত ও অভিভাবকত্ব, বিয়ে রেজিস্ট্রেশন এবং পারিবারিক সহিংসতা থেকে সুরক্ষা।

উত্তরাধিকার ও সাকসেশন সার্টিফিকেট, প্রোবেট, উইল ও সম্পত্তি বণ্টন। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, হলফনামা (এফিডেভিট) এবং নাম ও ব্যক্তিগত তথ্য সংশোধন।

পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সেবা দেখুন

জমিজমা ও সম্পত্তি

জমি কেনার আগে যাচাই: মালিকানা ও দলিলের ধারাবাহিকতা, খতিয়ান ও পর্চা, মৌজা ম্যাপ, দায়-দেনা বা মামলা আছে কি না, এবং ফ্ল্যাট ও ডেভেলপার যাচাই।

দলিল রেজিস্ট্রি, হেবা ও বণ্টননামা, নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর, ভাড়া ও লিজ। মালিকানা, দখল, সীমানা, রেকর্ড সংশোধন ও অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিরোধ।

জমিজমা ও সম্পত্তি সেবা দেখুন

মামলা-মোকদ্দমা, আদালত ও সালিশ

গ্রেপ্তার, জামিন ও রিমান্ড, থানায় মামলা ও নালিশি মামলা, ফৌজদারি বিচার, আপিল ও রিভিশন, সাইবার অপরাধ ও বিশেষ আইনের মামলা।

টাকা ও পাওনা আদায়, চেক ডিজঅনার, চুক্তি ও ব্যবসায়িক বিরোধ, কোম্পানি ও শেয়ারহোল্ডার বিরোধ, রিট পিটিশন, এবং কর, শ্রম ও বিশেষ ট্রাইব্যুনালে আপিল। যেখানে আপস-মীমাংসাই ভালো পথ, সেখানে সালিশ ও মধ্যস্থতা।

মামলা ও আদালত সেবা দেখুন
চেম্বার সম্পর্কে

আপনি কার সাথে কাজ করছেন

বিডি অ্যাডভোকেসি ঢাকার কাকরাইলে অবস্থিত আইনজীবীদের একটি চেম্বার। ২০০৯ সালে ব্যারিস্টার মোহাম্মদ রাসেল চেম্বারটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে চেম্বারে আছেন ১১ জন আইনজীবী (৩ জন ব্যারিস্টার, হাইকোর্ট বিভাগে তালিকাভুক্ত ৪ জন এবং জেলা আদালতে তালিকাভুক্ত ৪ জন আইনজীবী), ৩ জন পরামর্শক ও ১ জন সিনিয়র উপদেষ্টা। তাঁদের সহায়তায় আছেন ২ জন চেম্বার সহকারী, জজ কোর্টের ২ জন ও হাইকোর্টের ২ জন ক্লার্ক।

বিডি অ্যাডভোকেসির প্রত্যেক আইনজীবী বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত। আমাদের টিমে এমন আইনজীবী আছেন যাঁরা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ, ভ্যাট ও কাস্টমস ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল ও শ্রম আদালতে মামলা পরিচালনার অধিকারী। প্রত্যেকের প্রোফাইলে তালিকাভুক্তির বছর, কোন আদালতে প্র্যাকটিসের অধিকার এবং পেশাগত যোগ্যতা দেওয়া আছে।

আমরা ইচ্ছা করেই একসাথে সীমিত সংখ্যক মামলা নিই। এতে প্রথম পরামর্শে যে আইনজীবীর সাথে আপনার দেখা হয়, তিনিই শেষ পর্যন্ত আপনার মামলাটি দেখেন। এ কারণে কখনো কখনো আমরা এমন কাজও ফিরিয়ে দিই, যা চাইলে নিতে পারতাম।

চেম্বার সম্পর্কে আরও জানুন
চেম্বারে আইনজীবীদের সাথে পরামর্শ
  • সব আইনজীবী বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত
  • ২০১১ সাল থেকে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অধিকার
  • ১১ জন আইনজীবীর মধ্যে ৩ জন ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল
  • হাইকোর্ট বিভাগে ৪ জন ও জেলা আদালতে ৪ জন তালিকাভুক্ত আইনজীবী
  • কাজের ভাষা: বাংলা ও ইংরেজি
আমরা যেভাবে কাজ করি

যোগাযোগ করার পর কী হয়

  1. কী ঘটেছে আমাদের জানান

    ফোন, ইমেইল বা অনলাইন ফর্মে যোগাযোগ করুন। সহজ ভাষায় ঘটনাটা বলুন আর আপনার কাছে কী কী কাগজপত্র আছে জানান। আইনের ভাষা জানার দরকার নেই, আগে থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে আসারও দরকার নেই।

  2. পরামর্শের আগে যাচাই

    আমরা কাগজপত্র পড়ি, জমি বা কোম্পানির বিষয় হলে রেকর্ড মিলিয়ে দেখি। তারপর জানাই আপনার অবস্থান কেমন আর বাস্তবে কী কী পথ খোলা আছে। মামলা করে লাভ না থাকলে, বা খরচ আদায়ের চেয়ে বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে, সেটাও সরাসরি বলি।

  3. সিদ্ধান্ত আপনার

    এগোতে চাইলে কাজের পরিধি লিখিতভাবে জানাই, ফি কীভাবে হিসাব হবে তা ব্যাখ্যা করি এবং কোন আইনজীবী আপনার ফাইলের দায়িত্বে থাকবেন তা নিশ্চিত করি। আপনি শর্তে রাজি না হওয়া পর্যন্ত কোনো কাজ শুরু হয় না।

প্রথম পরামর্শ মানে শুধু কথা বলা, কোনো বাধ্যবাধকতা নয়।পরামর্শের সময় নিন
আমাদের আইনজীবীরা

নাম-পরিচয় ও যাচাইযোগ্য যোগ্যতাসহ

বিডি অ্যাডভোকেসির প্রত্যেক আইনজীবী বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত। প্রত্যেকের প্রোফাইলে আছে তালিকাভুক্তির বছর, কোন কোন আদালতে প্র্যাকটিসের অধিকার, শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা এবং কী ধরনের মামলা তিনি পরিচালনা করেন।

হেড অব চেম্বার
MR
ব্যারিস্টার মোহাম্মদ রাসেল
ব্যারিস্টার মোহাম্মদ রাসেল

ব্যারিস্টার মোহাম্মদ রাসেল

ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল · অ্যাডভোকেট · স্বীকৃত মধ্যস্থতাকারী, সালিশকারী ও নেগোশিয়েটর

বিডি অ্যাডভোকেসির প্রতিষ্ঠাতা ও হেড অব চেম্বার। লিংকনস ইন থেকে বারে ডাক পেয়েছেন এবং ২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত। তিনি কোম্পানি ও ব্যক্তিদের কোম্পানি গঠন, বিদেশি বিনিয়োগ, আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস বিষয়ে পরামর্শ দেন, এবং এমন একটি চেম্বার পরিচালনা করেন যেখানকার আইনজীবীরা দেওয়ানি, পারিবারিক, জমিজমা ও ফৌজদারি মামলাও পরিচালনা করেন।

তালিকাভুক্তি
২০০৯ · নং ১১১৭০
যোগ্যতা
এলএল.বি, এলএল.এম, বার-অ্যাট-ল (লিংকনস ইন)
প্র্যাকটিস
কর্পোরেট, কোম্পানি সেক্রেটারিয়াল, আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস আইন
ভাষা
বাংলা, ইংরেজি
সব আইনজীবীর পরিচয় দেখুন পুরো টিম — ১১ জন আইনজীবী, ৩ জন পরামর্শক ও ১ জন সিনিয়র উপদেষ্টা.
আমাদের সব সেবা

নাম ধরে পুরো তালিকা

ওপরের তিনটি ভাগ সমস্যার ধরন অনুযায়ী সাজানো। আর এই তালিকা সেবার নাম অনুযায়ী, যাঁরা আগে থেকেই জানেন তাঁদের সাকসেশন সার্টিফিকেট বা নামজারি দরকার, তাঁদের জন্য।

পারিবারিক ও ব্যক্তিগত

জমিজমা ও সম্পত্তি

মামলা-মোকদ্দমা, আদালত ও সালিশ

কোনটা আপনার সমস্যার সাথে মেলে বুঝতে পারছেন না? নিজের ভাষায় ঘটনাটা লিখুন, আমরা জানিয়ে দেব।

বিষয়টা জরুরি হলে

কিছু বিষয় অপেক্ষা করে না

গ্রেপ্তার, জামিনের আবেদন, নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা, অথবা এমন শুনানি যেখানে হাজির না হলে মামলাই হারাতে পারেন। দেরি না করে ফোন করুন +880 1772 137777

কাউকে আটক করা হলে ফোন করার আগে থানার নাম, গ্রেপ্তারের সময় এবং মামলা বা জিডি নম্বর লিখে রাখুন। এই তিনটি তথ্য হাতে থাকলে অন্তত এক ঘণ্টা সময় বাঁচে।

গ্রেপ্তারের পর প্রথম ২৪ ঘণ্টায় কী হয়
চেম্বারের সময়

রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার, সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা। অফিস সময়ের বাইরেও জরুরি প্রয়োজনে +880 1772 137777 নম্বরটি খোলা থাকে।

আপনি যদি প্রবাসে থাকেন

বেশিরভাগ কাজ দেশে না এসেই করা যায়

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জমিজমা ও উত্তরাধিকার, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিষয় এবং দেশের আদালতে চলমান মামলায় আমরা কাজ করি। সঠিকভাবে সম্পাদিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি থাকলে আপনার পক্ষে আমরা কাজ করতে পারি, আর যেকোনো টাইম জোন থেকে ভিডিও কলে নির্দেশনা নিই।

প্রবাসীদের কোম্পানি নিবন্ধন, বিনিয়োগ, কর ও ব্যবসায়িক কমপ্লায়েন্সের কাজ দেখে আমাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান LegalDesk.bd.

আপনি যা আশা করতে পারেন

ক্লায়েন্টরা যে চারটি বিষয় জানতে চান

গোপনীয়তা

আপনি আমাদের যা বলবেন, তা আপনার ও চেম্বারের মধ্যেই থাকবে। প্রথম ফোনকল থেকেই এটি প্রযোজ্য, আপনি আমাদের নিয়োগ দিন বা না দিন।

লিখিত কাজের পরিধি

কাজ শুরুর আগে আপনি হাতে পাবেন কাজের পরিধি, ফি কীভাবে হিসাব হবে, আর দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনজীবীর নাম।

নির্দিষ্ট একজন আইনজীবী

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একই আইনজীবী আপনার সাথে কাজ করবেন। ফাইল হাতবদল করতে হলে কে দায়িত্ব নিচ্ছেন এবং কেন, তা আপনাকে জানানো হবে।

সোজাসাপ্টা মূল্যায়ন

দাবি দুর্বল হলে, বা খরচ আদায়যোগ্য অর্থের চেয়ে বেশি হওয়ার আশঙ্কা থাকলে, আপনি টাকা খরচ করার আগেই যাচাইয়ের পর্যায়ে আমরা তা স্পষ্ট বলি।

চেম্বারে যোগাযোগ

অনলাইনে জানান

চেম্বার
১১বি, ৭৫-৭৬ কাকরাইল
ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ
সময়
রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার, সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা। শুক্রবার, শনিবার ও সরকারি ছুটির দিন বন্ধ।
ইমেইল
help@bdadvocacy.com

এক কর্মদিবসের মধ্যে আমরা উত্তর দিই। কথা বলার আগে দয়া করে মূল কাগজপত্র পাঠাবেন না। পরামর্শের দিন সঙ্গে আনুন, অথবা স্ক্যান কপি পাঠান।

বার্তা পাঠালেই আইনজীবী-ক্লায়েন্ট সম্পর্ক তৈরি হয় না। আমরা আপনার পক্ষে কাজ করতে পারব এবং কোনো স্বার্থের সংঘাত নেই, এটা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত গোপনীয় তথ্য দেবেন না।