বিডি অ্যাডভোকেসি সম্পর্কে
বড় বড় বিশেষণ নয়, তথ্য দিয়েই জানুন আপনি কার সাথে কাজ করছেন।
চেম্বার
বিডি অ্যাডভোকেসি ঢাকার কাকরাইলে অবস্থিত আইনজীবীদের একটি চেম্বার। ২০০৯ সালে ব্যারিস্টার মোহাম্মদ রাসেল চেম্বারটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে চেম্বারে আছেন ১১ জন আইনজীবী (৩ জন ব্যারিস্টার, হাইকোর্ট বিভাগে তালিকাভুক্ত ৪ জন এবং জেলা আদালতে তালিকাভুক্ত ৪ জন আইনজীবী), ৩ জন পরামর্শক ও ১ জন সিনিয়র উপদেষ্টা। তাঁদের সহায়তায় আছেন ২ জন চেম্বার সহকারী, জজ কোর্টের ২ জন ও হাইকোর্টের ২ জন ক্লার্ক। এখানকার প্রত্যেক আইনজীবী বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত।
আমরা একসাথে সীমিত সংখ্যক মামলা নিই। এর মানে, প্রথম পরামর্শে যে আইনজীবীর সাথে দেখা হয়, তিনিই আপনার ফাইল দেখেন। এ কারণেই মাঝে মাঝে এমন কাজও আমরা ফিরিয়ে দিই, যা চাইলে নেওয়া যেত।
আমরা যেভাবে কাজ করি
পরামর্শ দেওয়ার আগে আমরা যাচাই করি। কাগজপত্র পড়ি, জমি বা কোম্পানির বিষয় হলে রেকর্ড মিলিয়ে দেখি, তারপর বাস্তবসম্মত পথগুলো জানাই, মামলা করে লাভ না থাকলে সেটাও। আপনি এগোতে চাইলে কাজের পরিধি আর ফি হিসাবের ভিত্তি কাজ শুরুর আগেই লিখিতভাবে দেওয়া হয়।
ফি কীভাবে ঠিক হয়
প্রাথমিক লিখিত মূল্যায়ন বিনামূল্যে: ইমেইল, হোয়াটসঅ্যাপ বা ফর্মে লিখে পাঠান, আমরা এক কর্মদিবসের মধ্যে উত্তর দিই। উপযুক্ত ব্যারিস্টার, অ্যাডভোকেট বা কনসালট্যান্টের সঙ্গে ৩০ মিনিটের ভিডিও বা টেলিফোন পরামর্শের ফি ১০,০০০ টাকা, বুকিংয়ের সময় দিতে হয়; ৩০ দিনের মধ্যে আমাদের নিয়োগ দিলে এই টাকা আপনার ফি থেকে বাদ যায়।
অন্যান্য কাজের ফি নির্ভর করে বিষয়ের ধরন, জটিলতা ও কোন আদালতে যাবে তার ওপর। আমরা নির্দিষ্ট ফি তালিকা প্রকাশ করি না, কারণ সঠিক অঙ্ক নির্ভর করে আপনার বিষয়টির ওপর। কাজ শুরুর আগে লিখিত কোটেশন ও নিয়োগপত্রে কাজের পরিধি ও ফি জানানো হয়, আর ৫০% অগ্রিম পেলে কাজ শুরু হয়। দেখুন কীভাবে আমাদের নিয়োগ দেবেন।
তথ্য প্রকাশের মান
এই ওয়েবসাইটের তথ্য চেম্বারে লেখা এবং একজন আইনজীবীর যাচাই করা। আইনের ধারাগুলো সর্বশেষ আইনের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়, এবং প্রতিটি গাইডে হালনাগাদের তারিখ দেওয়া থাকে।
গোপনীয়তা
আপনি আমাদের যা বলবেন, প্রথম ফোনকল থেকেই তা আপনার ও চেম্বারের মধ্যে থাকবে, আপনি আমাদের নিয়োগ দিন বা না দিন। আমরা আপনার পক্ষে কাজ করতে পারব এবং কোনো স্বার্থের সংঘাত নেই, এটা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অনলাইন ফর্মে গোপনীয় তথ্য পাঠাবেন না।
চেম্বার সম্পর্কে আরও জানুন
আমাদের আইনজীবীরা
ব্যারিস্টার, অ্যাডভোকেট ও পরামর্শকদের পরিচয়, সনদ ও কাজের ক্ষেত্র।
খুলুন →আদালত ও ট্রাইব্যুনাল
যেসব আদালত ও ট্রাইব্যুনালে আমাদের আইনজীবীরা হাজির হন।
খুলুন →কাজের ক্ষেত্র
পারিবারিক, জমি ও সম্পত্তি এবং মামলা, আদালত ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি।
খুলুন →বিনামূল্যের গাইড
চেম্বারে লেখা ও আইনজীবীর যাচাই করা সহজ ভাষার গাইড।
খুলুন →ব্যবসায়িক ক্লায়েন্টদের জন্য
চেম্বার ও LegalDesk.bd-এর মধ্যে ব্যবসায়িক কাজের ভাগ।
খুলুন →ক্যারিয়ার
ইন্টার্নশিপ ও জুনিয়র অ্যাডভোকেট পদ।
খুলুন →সাধারণ জিজ্ঞাসা
আমার মামলা কে দেখবেন?
প্রথম পরামর্শে যে আইনজীবীর সঙ্গে দেখা হবে, তিনিই চেম্বারের সহায়তায় আপনার ফাইল দেখবেন। এটি নিশ্চিত রাখতেই আমরা সীমিত সংখ্যক কাজ নিই।
আপনাদের সব আইনজীবী কি সনদপ্রাপ্ত?
চেম্বারের প্রত্যেক অ্যাডভোকেট বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত। কয়েকজন হাইকোর্ট বিভাগেও প্র্যাকটিসের অনুমতিপ্রাপ্ত।
কোন ভাষায় কাজ করেন?
পরামর্শ, খসড়া ও লিখিত আপডেটে বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই।
চেম্বার কোথায়?
১১বি, ৭৫-৭৬ কাকরাইল, ঢাকা ১০০০। সময় রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার, সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা। দেখুন যোগাযোগ।
বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে চান?
প্রথম পরামর্শ মানে শুধু কথা বলা, কোনো বাধ্যবাধকতা নয়।
