চেক ডিজঅনার মামলা: এনআই (সংশোধন) আইন ২০২৬-এ ১৩৮ ধারার মামলার বিচারিক আদালত বদল
ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর অধ্যাদেশের জায়গায় আসা নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস (সংশোধন) আইন ২০২৬ (২০২৬ সনের ৬৫ নং আইন, তারিখ ১০ এপ্রিল ২০২৬) একটিই পরিবর্তন এনেছে: চেকের অঙ্ক অনুযায়ী ১৩৮ ধারার মামলা দুই স্তরের আদালতে ভাগ করেছে।
৫ লাখ টাকার বেশি অঙ্কের চেক: যুগ্ম দায়রা জজ
আইনটি নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট ১৮৮১-এর ১৪১ ধারার (গ) দফা প্রতিস্থাপন করেছে। চেকের অঙ্ক ৫ লাখ টাকার বেশি হলে ১৩৮ ধারার অপরাধের বিচার যুগ্ম দায়রা জজের (মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন যুগ্ম দায়রা জজের) নিচের কোনো আদালত করতে পারবে না। বাকি সব ১৩৮ ধারার মামলার বিচার করবেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট।
যা বদলায়নি
আইনটিতে এই একটিই মূল বিধান আছে। এটি ১৩৮ ধারার অপরাধকে আপসযোগ্য করেনি, আর ১৩৮ক ধারায় দণ্ডিত চেকদাতার আপিলের আগে চেকের অঙ্কের অন্তত ৫০% জমার শর্তও বদলায়নি। নোটিশ ও মামলা দায়েরের সময়সীমাও আগের মতোই। সংশোধনী এর বেশি কিছু করেছে বলে আগে যে খবর এসেছিল, বাংলাদেশের আইন পোর্টালে প্রণীত পাঠ্যে তার সমর্থন নেই।
এতে আপনার জন্য কী দাঁড়ায়
মামলা করার আগে চেকের অঙ্ক দেখুন: ৫ লাখ টাকার বেশি হলে নালিশ যাবে যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে, ৫ লাখ বা কম হলে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। ভুল আদালতে নালিশ করলে যে সময় নষ্ট হয়, ১৪১ ধারার কঠোর সময়সীমায় তা ফেরত পাওয়া যায় না। দণ্ডিত হয়ে আপিল করতে চাইলে পুরো ৫০% জমার প্রস্তুতি রাখুন।
তথ্যসূত্র
সংশ্লিষ্ট গাইড
এই পরিবর্তন নিয়ে আমাদের সাথে কথা বলুন
লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে, কোনো বাধ্যবাধকতাও নেই।

মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম প্রশ্ন বা মতামত আপনিই লিখুন।