কোম্পানি, কর, ভ্যাট ও কাস্টমস
এটি চেম্বারের প্রধান প্র্যাকটিস এবং চেম্বার প্রধানের নিজের কাজ। আমরা বাংলাদেশে কোম্পানি গঠন ও পরিচালনা করি, আরজেএসসি ও এনবিআরের নিয়ম মেনে চলতে সাহায্য করি, আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস বিষয়ে পরামর্শ দিই, আর কোনো দাবি বা আদেশ ভুল হলে আপিলে লড়ি। বিদেশি বিনিয়োগকারী ও তাঁদের বাংলাদেশি অংশীদারদের প্রথম বৈঠক থেকেই প্রবেশ, অনুমোদন ও মুনাফা প্রত্যাবাসনের পরামর্শ দেওয়া হয়।
আপনার প্রয়োজন কি এর মধ্যে আছে?
যেটি আপনার প্রয়োজনের সবচেয়ে কাছাকাছি সেটি বেছে নিন। প্রতিটিতে সেবা, প্রক্রিয়া ও কোন দপ্তর বা আদালত তা দেওয়া আছে।
বাংলাদেশে কোম্পানি বা অফিস খুলতে চান
প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি, এক ব্যক্তির কোম্পানি, পার্টনারশিপ, কিংবা ব্রাঞ্চ, লিয়াজোঁ বা প্রজেক্ট অফিস; সঙ্গে ব্যাংক, কর ও ট্রেড লাইসেন্সের নিবন্ধন।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →প্রতি বছর কোম্পানি নিয়মের মধ্যে রাখতে চান
বার্ষিক রিটার্ন ও এজিএম, পরিচালক ও শেয়ার পরিবর্তন, নিবন্ধিত অফিস ও নাম পরিবর্তন, বোর্ড মিনিটস ও আরজেএসসির চাওয়া রেজিস্টার।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →কর, ভ্যাট বা কাস্টমসের দাবি এসেছে
এনবিআর, ভ্যাট কমিশনারেট ও কাস্টম হাউসের নোটিশ, অডিট, কর নির্ধারণ ও দাবি, আর তার পরের আপিল; সময়সীমা খুব কম।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →লেনদেনের আগে কর পরিকল্পনা
চুক্তি, আমদানি বা পুনর্গঠনের আগেই কর্পোরেট কর, উৎসে কর, ভ্যাট ও কাস্টমস শ্রেণিবিন্যাস ঠিক করে নেওয়া, পরে নয়।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →বিদেশ থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ
প্রবেশের পথ, আইন যেখানে অনুমতি দেয় সেখানে শতভাগ বিদেশি মালিকানা, ইনভেস্ট বাংলাদেশ নিবন্ধন, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ও বিদেশি কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →টাকা আনা, মুনাফা নেওয়া
শেয়ার মানি, বিদেশি ঋণ, লভ্যাংশ ও বিক্রয়মূল্য বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন ও জিএফইটি অনুযায়ী অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের মাধ্যমে।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →তিনটি শাখা, একটি প্র্যাকটিস
কোম্পানি, কর ও বিনিয়োগের কাজ পরস্পর জড়িয়ে থাকে: শেয়ার হস্তান্তরে স্ট্যাম্প শুল্ক ও মূলধনি লাভের প্রশ্ন ওঠে, আমদানিতে কাস্টমস ও ভ্যাট আসে, বিদেশি শেয়ারহোল্ডার থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংকে রিপোর্ট করতে হয়। দরকারি পাতাটি দ্রুত খুঁজে পেতে প্র্যাকটিসটি তিন শাখায় সাজানো, কিন্তু একই আইনজীবীরা তিন শাখাতেই কাজ করেন এবং আপনার ফাইল থাকে একজন নির্দিষ্ট আইনজীবীর হাতে।
কোম্পানি ও কর্পোরেট
কর, ভ্যাট ও কাস্টমস
বিদেশি বিনিয়োগ
যে আইনের ভিত্তিতে কাজ করি
এই পাতার কাজের মূল আইন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এখানে। প্রতিটি বিষয়ের ফল তার নিজস্ব তথ্য ও কাগজের ওপর নির্ভর করে।
- কোম্পানি আইন ১৯৯৪
- পার্টনারশিপ আইন ১৯৩২
- আয়কর আইন ২০২৩
- মূসক ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২
- কাস্টমস আইন ২০২৩
- বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৪৭
- বৈদেশিক বেসরকারি বিনিয়োগ (উন্নয়ন ও সুরক্ষা) আইন ১৯৮০
- ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন ২০২৬
- সালিস আইন ২০০১
- আরজেএসসি
- এনবিআর
- বাংলাদেশ ব্যাংক
- ইনভেস্ট বাংলাদেশ
কীভাবে কাজ করি
- পরিস্থিতি জানানইমেইল, হোয়াটসঅ্যাপ বা ভিডিওতে সংক্ষেপে বলুন। কাগজ পরে দিলেও চলবে; কোনগুলো দরকার আমরা বলে দেব।
- স্বার্থের সংঘাত যাচাই ও পরিধিস্বার্থের সংঘাত আছে কি না দেখে কাজের পরিধি, দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনজীবী ও ফি লিখিতভাবে জানাই।
- পরামর্শ, ফাইলিং বা আপিলগঠন ও ফাইলিং চলে সময়সূচিতে; দাবি ও আপিল চলে আইনি সময়সীমা ধরে, যা প্রথম দিনেই ডায়েরিতে তোলা হয়।
- লিখিত আপডেটপ্রতিটি ফাইলিং, শুনানি ও অনুমোদনের পর লিখিত নোট, আপনার মনোনীত ব্যক্তিদের কাছে, আপনার সময় অনুযায়ী।
যা সাথে আনবেন
- নিবন্ধন সনদ, মেমোরেন্ডাম ও আর্টিকেলস, সর্বশেষ ফরম XII ও শিডিউল X
- টিআইএন, বিআইএন ও ট্রেড লাইসেন্স
- শেষ দুই বছরের নিরীক্ষিত হিসাব ও কর রিটার্ন
- যেকোনো নোটিশ, কর নির্ধারণ, দাবি বা আদেশ, কবে পেয়েছেন সেই তারিখসহ
- শেয়ারহোল্ডার, যৌথ উদ্যোগ বা ঋণ চুক্তি
- ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংক বা ইনভেস্ট বাংলাদেশের চিঠিপত্র
- বিদেশি বিনিয়োগকারীর জন্য: পাসপোর্ট ও পরিকল্পিত কাঠামোর সংক্ষিপ্ত নোট
এই বিষয়ে বিনামূল্যের গাইড
চেম্বারে লেখা ও ব্যারিস্টারের যাচাই করা সহজ ভাষার গাইড।






সাধারণ জিজ্ঞাসা
পরামর্শের পাশাপাশি নিয়মিত ফাইলিংও কি চেম্বার করে?
হ্যাঁ। নিয়মিত গঠন ও কমপ্লায়েন্স ফাইলিং আমাদের সহযোগী ডেস্ক LegalDesk.bd-এর নির্দিষ্ট সময়সূচি ও ফি তালিকায় চলে; পরামর্শ, কাঠামো, নোটিশ, দাবি ও আপিল চেম্বারের আইনজীবীরা সামলান। কাজ যেদিকেই পড়ুক, ফাইল একটি, দায়িত্বে একজন আইনজীবী।
কর, ভ্যাট বা কাস্টমসের আদেশ পেলে কত দ্রুত কাজ করতে হবে?
সঙ্গে সঙ্গে। আপিলের সময় আদেশের তারিখ থেকে গোনা হয়, কোনোটি কয়েক সপ্তাহের, আর কিছু আপিল গ্রহণের আগে টাকা জমা দিতে হয়। আদেশ পাওয়ার দিনই পাঠান।
বিদেশি বিনিয়োগকারী কি বাংলাদেশি কোম্পানির শতভাগ মালিক হতে পারেন?
বেশিরভাগ খাতে, হ্যাঁ। কিছু খাত সংরক্ষিত বা খাতভিত্তিক অনুমোদন লাগে। নাম ছাড়পত্রের আবেদনের আগেই আপনার খাতের অবস্থান আমরা নিশ্চিত করি।
ঢাকায় না এসে কি এই কাজ করা যায়?
প্রায় সবটাই। ভিডিওতে নির্দেশনা, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বা অ্যাপোস্টিলে স্বাক্ষর, আর প্রতিটি ধাপের পর লিখিত আপডেট। কিছু ব্যাংক হিসাব খুলতে সশরীরে আসতে হয়, সেটি আমরা সময় করে দিই।
আমার বিষয়টি কে দেখবেন?
কোম্পানি, কর ও কাস্টমসের কাজের নেতৃত্বে চেম্বার প্রধান ব্যারিস্টার মোহাম্মদ রাসেল, এটিই যাঁর নিজের প্র্যাকটিস; সঙ্গে চেম্বারের আইনজীবী ও আয়কর আইনজীবীরা।
কোম্পানি, কর বা বিনিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন?
সংক্ষিপ্ত সারাংশ ও মূল কাগজপত্র পাঠান। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমরা জানাই কাজটি করা যাবে কি না, কে করবেন, কোন শর্তে। লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে।
