কোম্পানি ও শেয়ারহোল্ডার বিরোধ
কোম্পানির অভ্যন্তরীণ বিরোধ প্রায়ই শুধু আইনের বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নিয়ন্ত্রণ, তথ্য ও টাকা—আর এই তিনটি বিষয়ই একসঙ্গে সামলানোর মতো কৌশল দরকার হয়। আমরা কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর অধীনে শেয়ারহোল্ডার, পরিচালক ও কোম্পানির পক্ষে কাজ করি।
এই সেবায় যা আছে
আমরা শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে এবং শেয়ারহোল্ডার ও ব্যবস্থাপনার মধ্যে বিরোধ পরিচালনা করি—সংখ্যালঘু শেয়ারহোল্ডারের ওপর নিপীড়ন, রেকর্ড দেখতে না দেওয়া, বিতর্কিত শেয়ার হস্তান্তর ও বরাদ্দ, পরিচালক অপসারণ, সমান মালিকানার মধ্যে অচলাবস্থা, এবং সাধারণ সভা পরিচালনা।
সংখ্যালঘু শেয়ারহোল্ডার
সংখ্যালঘু শেয়ারহোল্ডার একেবারে ক্ষমতাহীন নন। কোম্পানির কার্যক্রম কোনো সদস্যের প্রতি নিপীড়নমূলক বা কোম্পানির স্বার্থের পরিপন্থী পন্থায় পরিচালিত হলে, কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ হাইকোর্ট বিভাগের কোম্পানি বেঞ্চের মাধ্যমে প্রতিকারের ব্যবস্থা রাখে। রেকর্ড দেখার সুযোগ আদায় এবং অনিয়মিত শেয়ার বরাদ্দ চ্যালেঞ্জ করাই সাধারণত প্রথম ব্যবহারিক পদক্ষেপ।
কোম্পানি ও পরিচালনা পর্ষদের জন্য
আমরা বিপরীত পক্ষেও কাজ করি—দাবির বিরুদ্ধে কোম্পানি বা পর্ষদের প্রতিরক্ষা, সভা ও রেজোলিউশন যথাযথভাবে পরিচালনা নিশ্চিত করা, এবং ব্যবসায় বাধা সৃষ্টিকারী কোনো শেয়ারহোল্ডারকে মোকাবিলা করা।
যা সঙ্গে থাকলে সুবিধা হয়
- মেমোরান্ডাম ও আর্টিকেলস অব অ্যাসোসিয়েশন
- শেয়ার রেজিস্টার, সার্টিফিকেট ও হস্তান্তর দলিল
- সভার কার্যবিবরণী, রেজোলিউশন এবং রেজিস্ট্রারের কাছে দাখিলকৃত নথি
- শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে কোনো চুক্তি থাকলে তা
- আর্থিক বিবরণী এবং বিতর্কিত কার্যকলাপের রেকর্ড
কোথায় শুনানি হয়, কত সময় লাগে
কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর অধীনে কোম্পানি সংক্রান্ত মামলা হাইকোর্ট বিভাগের কোম্পানি বেঞ্চে হয়, আর সংশ্লিষ্ট দাবিগুলো দেওয়ানি আদালতে বা চুক্তিতে শর্ত থাকলে সালিশে চলতে পারে। এই মামলাগুলো সাধারণত এক বছর বা তার বেশি সময় নেয়, আর সভা, হস্তান্তর বা রেকর্ড দেখার বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশই প্রায়ই শুরুতেই ফলাফলের গতিপথ ঠিক করে দেয়।
কোম্পানির অবস্থান নিশ্চিতকরণ
আমরা শেয়ারধারণ, দাখিলকৃত নথি এবং কী সিদ্ধান্ত হয়েছিল তার রেকর্ড পুনর্গঠন করি।
তথ্য ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ
আমরা রেকর্ড দেখার সুযোগ আদায়ে এবং প্রয়োজনে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের জন্য চাপ দিই।
প্রতিকার আদায়
কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর অধীনে আমরা মামলা দায়ের করি বা প্রতিরক্ষা করি।
মীমাংসা বা পুনর্গঠন
এ ধরনের অনেক বিরোধের সমাধান হয় শেয়ার কিনে নেওয়া বা পুনর্গঠনের মাধ্যমে, আর আপনার স্বার্থে সহায়ক হলে আমরা সেই আলোচনা পরিচালনা করি।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
আমি সংখ্যালঘু শেয়ারহোল্ডার, আমাকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। আমি কী করতে পারি?
কোম্পানির কার্যক্রম নিপীড়নমূলক বা ক্ষতিকর পন্থায় পরিচালিত হলে কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ প্রতিকারের ব্যবস্থা রাখে। ব্যবহারিক প্রথম পদক্ষেপ সাধারণত হলো রেকর্ড দেখার সুযোগ আদায় করা এবং অনিয়মিত বরাদ্দ বা হস্তান্তর চ্যালেঞ্জ করা।
আমি কি কোম্পানির রেকর্ড দেখতে পারি?
নির্দিষ্ট কিছু রেকর্ড দেখার অধিকার শেয়ারহোল্ডারদের আছে, আর তা দেখতে না দেওয়াটাই অনেক কিছু বলে দেয়। আমরা সেই সুযোগ আদায়ে কাজ করি, যা প্রায়ই পুরো বিরোধের চেহারাই বদলে দেয়।
আমরা দুজন সমান মালিক, কিন্তু কোনো বিষয়ে একমত হতে পারছি না। এখন কী হবে?
এ ধরনের অচলাবস্থার সমাধান সাধারণত হয় আলোচনার মাধ্যমে শেয়ার কিনে নেওয়া, নয়তো আদালতে আবেদনের মাধ্যমে। আর্টিকেলস ও আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় কোনটি বাস্তবসম্মত, তা আমরা পরামর্শ দিই।
কোম্পানি বা শেয়ারহোল্ডার বিরোধের সমাধান করুন
নিয়ন্ত্রণ, তথ্য ও টাকা—তিনটিই একসঙ্গে সামলানো।
