Skip to content
দেওয়ানি ও ব্যবসায়িক মামলা

চুক্তি ও ব্যবসায়িক বিরোধ

ব্যবসায়িক বিরোধের ফলাফল সাধারণত নির্ধারিত হয় চুক্তিতে কী লেখা আছে এবং পক্ষগুলো বাস্তবে কী করেছে তার উপর। মামলায় জড়ানোর আগে আমরা দাবির শক্তি নিয়ে পরামর্শ দিই, আর চুক্তি ভেঙে গেলে মামলা পরিচালনা করি।

চুক্তি আইন, ১৮৭২দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
টেবিলে রাখা স্বাক্ষরিত ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র

এই সেবায় যা আছে

আমরা সরবরাহ ও পরিবেশক চুক্তি, সেবা চুক্তি, এজেন্সি ও যৌথ উদ্যোগ, নির্মাণ ও কার্য চুক্তি এবং সাধারণভাবে ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিরোধে কাজ করি: চুক্তি ভঙ্গ, বাতিল, অর্থ পরিশোধ না করা এবং কার্যসম্পাদন বা ক্ষতিপূরণের দাবি।

চুক্তিটি বাস্তবে যেমন, তেমনভাবে দেখা

লিখিত চুক্তিই মূল ভিত্তি, তবে আচরণও গুরুত্বপূর্ণ: অনানুষ্ঠানিকভাবে সম্মত পরিবর্তন, আপত্তি ছাড়া গ্রহণ করা চালান, এবং পক্ষগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি। আমরা কাগজপত্র এবং তাদের মধ্যকার লেনদেনের ধারা— দুটোর ভিত্তিতেই মামলা গড়ে তুলি।

প্রতিকার ও ফোরাম

চুক্তি ও ক্ষতির ধরন অনুযায়ী প্রতিকার হতে পারে অর্থ পরিশোধ, ক্ষতিপূরণ, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার, অথবা চুক্তি বাতিল ও আদায়। চুক্তিতে সালিশি ধারা থাকলে বিরোধটি আদালতের বদলে সালিশে যায়, আর সেখানেই আমরা বিষয়টি নিষ্পত্তি করি।

মামলা করার আগে চুক্তির বিরোধ নিষ্পত্তি ধারাটি পড়ে নিন। চুক্তিতে সালিশের কথা থাকা সত্ত্বেও আদালতে মামলা করলে মাসের পর মাস নষ্ট হতে পারে, এমনকি মামলাটি স্থগিত বা খারিজও হয়ে যেতে পারে। এটা আমরা সবার আগে যাচাই করি, অথচ এটাই সবচেয়ে বেশি উপেক্ষিত হয়।

যা সঙ্গে থাকলে সুবিধা হয়

  • চুক্তিপত্র এবং যেকোনো পরিবর্তন, ক্রয়াদেশ বা পার্শ্ব-চুক্তি
  • চালান, সরবরাহের রেকর্ড ও পরিশোধের ইতিহাস
  • যোগাযোগের কাগজপত্র, বিশেষত চুক্তি ভঙ্গের সময়কার
  • কী প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল এবং বাস্তবে কী হয়েছিল তার স্পষ্ট বিবরণ

কোথায় শুনানি হয়, কত সময় লাগে

ব্যবসায়িক দাবি এখতিয়ারসম্পন্ন দেওয়ানি আদালতে যায়, অথবা চুক্তিতে বলা থাকলে সালিশে যায়। বিতর্কিত ব্যবসায়িক মামলা সাধারণত এক বছর বা তার বেশি সময় নেয়; সালিশ প্রায়ই দ্রুত হয়, তবে সবসময় নয়। পরিস্থিতি সুরক্ষিত রাখতে অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিকার দুই ফোরামেই শুরুর দিকে চাওয়া যায়।

চুক্তি ও ব্যবসায়িক বিরোধের প্রতীকী চিত্র
ব্যবসায়িক বিরোধে আমরা যেভাবে কাজ করি
1

চুক্তি ও আচরণ পর্যালোচনা

লিখিত শর্তাবলি এবং পক্ষগুলো বাস্তবে কী করেছে তা আমরা মূল্যায়ন করি।

2

ফোরাম যাচাই

বিরোধটি আদালতে যাবে নাকি সালিশে, তা আমরা নিশ্চিত করি।

3

যুক্তিসংগত হলে আপসের চেষ্টা

ব্যবসায়িক বিরোধ প্রায়ই মামলা চালানোর চেয়ে আপসে ভালোভাবে মেটে, আর সত্যি হলে আমরা তা স্পষ্টভাবে বলি।

4

মামলা বা সালিশ পরিচালনা

লড়তেই হলে আমরা তা পরিচালনা করি এবং প্রয়োজনে অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা চাই।

কিছু দাখিলের আগে বিরোধ নিষ্পত্তি ধারাটি যাচাই করে নিন।পরামর্শের সময় নিন

সাধারণ জিজ্ঞাসা

আমাদের চুক্তিতে সালিশি ধারা আছে। তবু কি আদালতে যেতে পারি?

মূল বিষয়ে সাধারণত পারবেন না। এই ধারাটি সাধারণত মানতে হয়, আর তার বদলে মামলা করলে তা স্থগিত বা খারিজ হয়ে যেতে পারে। তবে অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিকারের ক্ষেত্রে আদালত এখনও সহায়তা করতে পারে।

চুক্তিটি শুধু মৌখিক ছিল। আমার কি দাবি করার সুযোগ আছে?

হতে পারে। চুক্তি সবসময় লিখিত হতে হয় না, তবে এর শর্তাবলি প্রমাণ করা অনেক কঠিন হয়ে যায়। চালান, বার্তা এবং পক্ষগুলোর আচরণই তখন প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগে।

আমার কি চুক্তি বাতিল করে দেওয়া উচিত?

সতর্ক থাকুন, কারণ ভুলভাবে চুক্তি বাতিল করলে আপনি বাদী থেকে বিবাদীতে পরিণত হতে পারেন। বাতিল ধারা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পরামর্শ নিন।

ব্যবসায়িক বিরোধ নিষ্পত্তি করুন

সততার সঙ্গে মূল্যায়ন করে, সঠিক ফোরামে পরিচালিত।