ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন ২০২৬: বিডা, বেজা ও পিপিপি কর্তৃপক্ষ এক সংস্থায়
সংসদ ১৫ জুলাই ২০২৬ ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন ২০২৬ পাস করে, আর একীভূত সংস্থাটি ২৩ আগস্ট ২০২৬ থেকে "ইনভেস্ট বাংলাদেশ" নামে কাজ শুরু করেছে। বিনিয়োগকারীর জন্য বিডার নিবন্ধন আর অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন এখন এক দরজায়।
কী বদলেছে
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব কর্তৃপক্ষ একীভূত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে একটি সংস্থা হয়েছে। আইনটি আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে গেজেটে কার্যকর হয়, আর ২৩ আগস্ট ২০২৬ থেকে সংস্থাটি ইনভেস্ট বাংলাদেশ নামে চলছে।
কী বদলায়নি
বেপজা (রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল) ও হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ একীভূত হয়নি; তাদের নিবন্ধন আগের মতোই। অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো এখন ইনভেস্ট বাংলাদেশের ভেতরে। বিনিয়োগকারীর ব্যবহারিক প্রশ্নগুলো আগের মতোই: নিবন্ধন লাগবে কি, খরচ কত, কী কাগজ যায়, আর নিবন্ধনে কী মেলে (ওয়ার্ক পারমিট, রেমিট্যান্স, প্রণোদনা)।
খোলা প্রশ্ন: পুরোনো অনুমোদন
আগস্ট ২০২৬-এর আগের বিডা অনুমোদন ও নিবন্ধন কোনো হেফাজত ধারায় চলবে কি না, তা এখনো প্রকাশিত হয়নি; বাস্তবে সেগুলো মানা হচ্ছে। তবে নতুন যা-ই করবেন — সংশোধন, নবায়ন, বিদেশি কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট — ইনভেস্ট বাংলাদেশের নামে আবেদন করুন।
এতে আপনার জন্য কী দাঁড়ায়
এখন থেকে দলিল, বোর্ডের কাগজ ও চুক্তিতে লিখুন "ইনভেস্ট বাংলাদেশ (সাবেক বিডা)"। অনুমোদন আগস্ট ২০২৬-এর আগের হলে মূল বিডা-উল্লেখসহ সংরক্ষণ করুন এবং নতুন যেকোনো ফাইলিংয়ে ধারাবাহিকতার প্রশ্নটি তুলুন।
তথ্যসূত্র
সংশ্লিষ্ট গাইড
এই গাইডের পেছনের আইন ও ফরম
বিডি অ্যাডভোকেসিতে সংরক্ষিত প্রামাণিক পাঠ। ধারা নম্বরগুলো এই গাইডে ব্যবহৃত।
এই পরিবর্তন নিয়ে আমাদের সাথে কথা বলুন
লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে, কোনো বাধ্যবাধকতাও নেই।

মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম প্রশ্ন বা মতামত আপনিই লিখুন।