ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিজমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৬: ১৮ শ্রেণির জোন, নতুন অপরাধ
ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিজমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৬ (২০২৬ সালের ১২ নং অধ্যাদেশ, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশের সব জমি ১৮টি শ্রেণিতে ভাগ করেছে; অনুমতি ছাড়া জমির ব্যবহার বদলানো বা কৃষিজমি-জলাধার ভরাট করা এখন অপরাধ।
অধ্যাদেশ কী করে
প্রতিটি জমি ১৮টি শ্রেণির কোনো একটিতে পড়ে। অনুমতি ছাড়া জমির শ্রেণি বদলানো, কিংবা কৃষিজমি বা জলাধার ভরাট করা অপরাধ। শাস্তি ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১ লাখ টাকা জরিমানা থেকে শুরু করে বিশেষ কৃষি অঞ্চলের জমি নষ্টে ৩ বছর বা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত। মোবাইল কোর্ট ঘটনাস্থলেই এসব অপরাধের বিচার করতে পারে।
কাদের খেয়াল রাখা দরকার
শহরের আশপাশের নিচু বা কৃষিজমির ডেভেলপার ও ক্রেতা; কৃষিজমিকে আবাসন, কারখানা বা বাণিজ্যিক প্লটে বদলানোর পরিকল্পনা যাদের; আর যাদের জমি সুরক্ষিত শ্রেণিতে পড়তে পারে। জমির জোনিং এখন খতিয়ান ও ডিসিআরের পাশে প্রতিটি যাচাই-তালিকার অংশ।
অবস্থা
এটি অধ্যাদেশ — সংসদের বিরতিতে জারি। সংসদে আইনে রূপান্তর, আর জোন-বদলের অনুমতির বিধিমালা — দুটোর দিকেই নজর রাখুন; যেটিই হোক, এই নোট হালনাগাদ করা হবে।
এতে আপনার জন্য কী দাঁড়ায়
ডেভেলপমেন্টের জন্য জমি কেনার আগে আরেকটি প্রশ্ন করুন: জমিটি কোন শ্রেণিতে, আর পরিকল্পিত ব্যবহারে জোন-বদলের অনুমতি লাগবে কি? ভুল শ্রেণির সস্তা প্লটে এখন দেওয়ানি নয়, ফৌজদারি ঝুঁকিও আছে।
তথ্যসূত্র
সংশ্লিষ্ট গাইড
এই গাইডের পেছনের আইন ও ফরম
বিডি অ্যাডভোকেসিতে সংরক্ষিত প্রামাণিক পাঠ। ধারা নম্বরগুলো এই গাইডে ব্যবহৃত।
এই পরিবর্তন নিয়ে আমাদের সাথে কথা বলুন
লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে, কোনো বাধ্যবাধকতাও নেই।

মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম প্রশ্ন বা মতামত আপনিই লিখুন।