Skip to content
ফৌজদারি মামলা ও থানা-পুলিশ

প্রতারণা ও হোয়াইট-কলার অপরাধ

প্রতারণার মামলা মূলত কাগজপত্রের মামলা। আপনি অভিযোগের বিরুদ্ধে লড়ছেন, নাকি টাকা নিয়ে যাওয়া কাউকে ধরার চেষ্টা করছেন— যাই হোক না কেন, ফলাফল সাধারণত নির্ভর করে কাগজপত্রের ধারাবাহিকতা এবং তা কতটা মনোযোগ দিয়ে পড়া হয়েছে তার উপর।

দণ্ডবিধি, ১৮৬০মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪
অডিটের সময় আর্থিক কাগজপত্র ও ক্যালকুলেটর

এই সেবায় যা আছে

আমরা প্রতারণা, ফৌজদারি বিশ্বাসভঙ্গ, জালিয়াতি ও ভুয়া দলিল ব্যবহার, আত্মসাৎ, করপোরেট ও বিনিয়োগ জালিয়াতি, এবং মানি লন্ডারিং বা দুর্নীতি দমন কমিশন সংক্রান্ত অভিযোগের মামলায় কাজ করি। আমরা প্রতিরক্ষা করি, আবার প্রতারিত ব্যক্তির পক্ষেও লড়ি।

অভিযোগের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা

প্রতারণার অনেক মামলাই আসলে চুক্তি বা ঋণ সংক্রান্ত ব্যবসায়িক বিরোধ, যাকে অপরাধের রূপ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি প্রকৃতপক্ষে চুক্তি বা ঋণের হলে সেটাই প্রতিরক্ষার ভিত্তি হতে পারে, এমনকি উপযুক্ত ক্ষেত্রে ফৌজদারি মামলা বাতিলেরও কারণ হতে পারে। আর প্রকৃত অভিযোগ থাকলে প্রতিরক্ষা তৈরি হয় কাগজপত্রের ভিত্তিতে।

যা হারিয়েছেন তা ফিরে পাওয়া

প্রতারণার শিকার হওয়া ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য আমরা ফৌজদারি মামলা ও দেওয়ানি আদায়— দুটোই একসঙ্গে চালাই, কারণ শুধু দণ্ডাদেশে টাকা ফেরত আসে না। প্রথম দিকেই টাকার হদিস বের করা ও জব্দ করার পদক্ষেপ নিলে টাকা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

দুর্নীতি দমন কমিশন ও মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত বিষয়

দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর অধীনে অভিযোগের নিজস্ব পদ্ধতি ও গুরুতর পরিণতি আছে। চার্জ হওয়ার পর নয়, নোটিশ পাওয়ার পর থেকেই আইনি প্রতিনিধিত্ব থাকলে তা আপনার অবস্থান রক্ষা করে।

পরামর্শ ছাড়া প্রতারণার নোটিশ বা তদন্তকারীর প্রশ্নের জবাব দেবেন না। কাগজপত্র হাতের কাছে না রেখে অনানুষ্ঠানিকভাবে দেওয়া ব্যাখ্যা পরবর্তীতে প্রসিকিউশনের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রমাণ হয়ে দাঁড়ায়।

যা সঙ্গে থাকলে সুবিধা হয়

  • চুক্তিপত্র, চালান, রসিদ ও ব্যাংক রেকর্ড
  • অর্থ লেনদেন ও যোগাযোগের সম্পূর্ণ ধারাবাহিকতা
  • ব্যবসা জড়িত থাকলে প্রতিষ্ঠানের নথিপত্র
  • পাওয়া যেকোনো নোটিশ, এজাহার (এফআইআর) বা দুর্নীতি দমন কমিশনের চিঠিপত্র

কোথায় শুনানি হয়, কত সময় লাগে

সাধারণ প্রতারণার মামলার বিচার হয় ফৌজদারি আদালতে; মানি লন্ডারিং ও দুর্নীতির মামলা যায় নির্দিষ্ট বিশেষ আদালতে। এসব মামলায় কাগজপত্রের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে এবং সাধারণত এক বছরের বেশি সময় লাগে। শুরুর দিকে টাকার হদিস বের করা ও জামিনের বিষয়ে নেওয়া পদক্ষেপ অস্বাভাবিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতারণা ও হোয়াইট-কলার অপরাধ মামলার প্রতীকী চিত্র
প্রতারণার মামলায় আমাদের কার্যপদ্ধতি
1

কাগজপত্রের সময়রেখা তৈরি

কোনো অবস্থান নেওয়ার আগে আমরা লেনদেন ও কাগজপত্রের পুরো ধারাবাহিকতা পুনর্গঠন করি।

2

বিষয়টির প্রকৃতি নির্ধারণ

বিষয়টি প্রকৃতপক্ষে ফৌজদারি, নাকি ব্যবসায়িক বিরোধ ফৌজদারি রূপ নিয়েছে, তা আমরা চিহ্নিত করি।

3

দুই দিক থেকেই কাজ

ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করি, আর ভুক্তভোগীর ক্ষেত্রে তার পাশাপাশি দেওয়ানি আদায়ের কাজও চালাই।

4

অবস্থান রক্ষা

জামিন, নোটিশ ও তদন্তে প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব নিই, যাতে শুরুতেই কিছু হারাতে না হয়।

শুধু রায়ের উপর নয়, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার উপরও টাকা ফেরত পাওয়া নির্ভর করে।পরামর্শের সময় নিন

সাধারণ জিজ্ঞাসা

আমি টাকা ধার দিয়েছিলাম, ফেরত পাইনি। এটা কি প্রতারণা?

সবসময় নয়। শুধু ঋণ শোধ না করা সাধারণত দেওয়ানি বিষয়। শুরু থেকেই অসৎ উদ্দেশ্য থাকলে বা বিশ্বাসভঙ্গ হলে তা ফৌজদারি রূপ নেয়। আপনার ঘটনার তথ্য আসলে কোনটি সমর্থন করে তা আমরা যাচাই করে দেখি।

দুর্নীতি দমন কমিশন আমাকে নোটিশ দিয়েছে। আমার এখন কী করা উচিত?

জবাব দেওয়ার আগে পরামর্শ নিন। নোটিশ ও তদন্তের পর্যায়ে আপনি কী বলছেন তা অনেক গুরুত্বপূর্ণ, তাই কাগজপত্র গুছিয়ে এবং আইনি প্রতিনিধিত্ব নিয়ে জবাব দেওয়াই ভালো।

ফৌজদারি মামলা করলে কি আমার টাকা ফেরত পাব?

শুধু এটার মাধ্যমে নয়। টাকা ফেরত পেতে সাধারণত পাশাপাশি দেওয়ানি পদক্ষেপ এবং সম্ভব হলে দ্রুত হদিস বের করার কাজ দরকার হয়। আমরা দুটোই একসঙ্গে চালাই।

প্রতারণার অভিযোগ বা ক্ষতির বিষয়ে এগিয়ে থাকুন

কাগজপত্রনির্ভর প্রতিরক্ষা, আর তার পাশাপাশি টাকা আদায়ের চেষ্টা।