ফৌজদারি মামলা ও জামিনের আইনজীবী, ঢাকা
গ্রেপ্তার, ওয়ারেন্ট বা মিথ্যা মামলা খুব দ্রুত এগোয়, আর প্রথম শুনানিতেই প্রায়ই ঠিক হয় মানুষটি বাড়ি ফিরবেন কি না। আমরা জামিন ও আগাম জামিনে পরামর্শ দিই, এজাহার বা নালিশি দরখাস্ত পড়ি, এবং বিচার ও আপিল পর্যন্ত মামলা লড়ি।
আপনার সমস্যা কি এর মধ্যে আছে?
যেটি আপনার ঘটনার সবচেয়ে কাছাকাছি সেটি বেছে নিন। প্রতিটিতে প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজ ও আদালতের বিবরণ আছে।
কেউ গ্রেপ্তার হয়েছেন বা ওয়ারেন্ট বেরিয়েছে
২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির, রিমান্ড, জামিন ও আগাম জামিন।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →আপনার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে
এজাহার পড়া, প্রমাণ জোগাড় ও বিচারে প্রতিরক্ষা।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →জিডি, এজাহার বা নালিশি মামলা করতে চান
কোন পথ ঠিক, কী লিখবেন এবং কোথায় দাখিল করবেন।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →টাকা নিয়ে প্রতারণা হয়েছে (৪২০ / ৪০৬)
প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলা, অভিযোগ থেকে বিচার পর্যন্ত।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →ফেক আইডি, হ্যাকিং বা অনলাইন হয়রানি
অভিযোগ, ডিজিটাল প্রমাণ ও সাইবার ট্রাইব্যুনালের মামলা।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →মাদক বা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা
কঠোর আইনে জামিন ও প্রতিরক্ষা, প্রমাণের যাচাই।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →আমরা যেসব কাজ করি
- সাইবার অভিযোগ দায়েরফেক আইডি, ব্ল্যাকমেইল, ছবি ফাঁস ও হ্যাক: প্রমাণ, অভিযোগ ও আইডি বন্ধ।
- গ্রেপ্তার, জামিন ও রিমান্ডম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা জজ ও হাইকোর্ট বিভাগে জামিন, আগাম জামিন ও রিমান্ড শুনানি।
- জিডি, এজাহার ও নালিশি মামলাথানায় জিডি বা এজাহার, অথবা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নালিশি দরখাস্ত তৈরি ও দাখিল।
- ফৌজদারি বিচার ও প্রতিরক্ষাঅভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য, জেরা ও যুক্তিতর্কে মামলা লড়া।
- ফৌজদারি আপিল ও রিভিশনদণ্ড, সাজা বা জামিন নামঞ্জুরের বিরুদ্ধে আপিল ও রিভিশন।
- সাইবার অপরাধ ও ডিজিটাল প্রমাণফেক আইডি, হ্যাকিং ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগ এবং সাইবার মামলায় প্রতিরক্ষা।
- প্রতারণা ও আর্থিক অপরাধ৪২০ ও ৪০৬ ধারার মামলা, বাদী বা আসামি যে পক্ষেরই হোক।
- নারী, শিশু ও বিশেষ আইনের মামলানারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও যৌতুক মামলা, যেকোনো পক্ষে।
- মাদক মামলামাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর মামলায় জামিন ও প্রতিরক্ষা, জব্দ তালিকার ত্রুটি যাচাই।
যে আইনের ভিত্তিতে কাজ করি
এই পাতার কাজের মূল আইনগুলো এখানে। প্রতিটি মামলার ফল তার নিজস্ব তথ্য ও কাগজের ওপর নির্ভর করে।
- ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮
- দণ্ডবিধি ১৮৬০
- সাক্ষ্য আইন ১৮৭২
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮
- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০
- যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮
- সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ (সংশোধিত)
- সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ
কীভাবে কাজ করি
- সঙ্গে সঙ্গে কল করুনকল বা হোয়াটসঅ্যাপ ০১৭৭২১৩৭৭৭৭। গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে মেসেজ নয়, কল করুন: প্রথম ২৪ ঘণ্টা গুরুত্বপূর্ণ।
- আমরা কাগজ পড়িএজাহার, নালিশি দরখাস্ত, জব্দ তালিকা বা ওয়ারেন্ট থেকে ধারা ও আদালত জানা যায়।
- জামিনের পরিকল্পনা ও ফি লিখিতভাবেকোন আদালতে আগে যাবেন, কী কাগজ লাগবে এবং আমাদের ফি, লিখিতভাবে।
- আমরা আপনার পক্ষে হাজির হইজামিনের আবেদন, রিমান্ড ও অভিযোগ গঠনের শুনানি, বিচার ও আপিলে মামলা লড়ি।
যা সাথে আনবেন
- এজাহার, জিডি বা নালিশি দরখাস্তের কপি
- ওয়ারেন্ট, জব্দ তালিকা বা পুলিশের নোটিশ, যদি থাকে
- আসামি ও নির্দেশদাতার জাতীয় পরিচয়পত্র
- আপনার পক্ষের মেসেজ, রসিদ বা কাগজপত্র
এই বিষয়ে বিনামূল্যের গাইড
আমাদের আইনজীবীদের লেখা ও যাচাই করা সহজ ভাষার গাইড।

গ্রেপ্তারের পর প্রথম ২৪ ঘণ্টা: অধিকার, রিমান্ড ও জামিন পাওয়ার উপায়

আগাম জামিন কিভাবে নিতে হয়: কারা পান, প্রক্রিয়া ও পরের করণীয়

জামিনযোগ্য ও জামিন অযোগ্য ধারা: প্রচলিত ধারার তালিকা ও ব্যাখ্যা

ওয়ারেন্ট হলে করণীয়: গ্রেফতারি পরোয়ানা মানে কী, এখন কী করবেন

মিথ্যা মামলা হলে করণীয়: আগাম জামিন, মামলা খারিজ ও ক্ষতিপূরণ

জিডি নাকি এজাহার নাকি নালিশি মামলা: মামলা করার সঠিক পথ ও পুলিশ না নিলে করণীয়

প্রতারণা মামলা (৪২০ ও ৪০৬ ধারা): কীভাবে করবেন, কীভাবে লড়বেন

ফেক ফেসবুক আইডি, ব্ল্যাকমেইল বা ছবি ফাঁস? বাংলাদেশে সাইবার হয়রানির অভিযোগ যেভাবে করবেন
সাধারণ জিজ্ঞাসা
গ্রেপ্তারের পর কত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করতে হয়?
গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে (যাত্রার সময় বাদে) নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারা ও সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে এটি বাধ্যতামূলক। পরিবারকে জেনে নিতে হবে কোন থানায় রাখা হয়েছে এবং কোন আদালতে নেওয়া হবে।
আগাম জামিন কী?
গ্রেপ্তারের আগেই জামিন, সাধারণত হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায় দেন। মামলা হয়েছে বা হওয়ার আশঙ্কা আছে এবং গ্রেপ্তারের বাস্তব ঝুঁকি থাকলে এটি চাওয়া হয়। আদালত মেয়াদ ও শর্ত ঠিক করেন, পরে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হয়।
কোন অপরাধ জামিনযোগ্য?
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে দণ্ডবিধির প্রতিটি অপরাধ জামিনযোগ্য না জামিন-অযোগ্য তা বলা আছে। জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন অধিকার; জামিন-অযোগ্য অপরাধে তা আদালতের বিবেচনা। নারী-শিশু ও মাদক আইনের মতো বিশেষ আইনে জামিনের নিয়ম আরও কঠোর।
ফৌজদারি মামলা কি আপসে মীমাংসা করা যায়?
কেবল ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় আপসযোগ্য অপরাধ, কিছু ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে। গুরুতর অপরাধ বাদী চাইলেও আপস করা যায় না।
জিডি, এজাহার ও নালিশি মামলার পার্থক্য কী?
জিডি থানায় একটি তথ্য লিপিবদ্ধ করে। ১৫৪ ধারায় এজাহার আমলযোগ্য অপরাধের পুলিশি তদন্ত শুরু করে। নালিশি মামলা সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ২০০ ধারায় করা হয়; তিনি বাদীকে পরীক্ষা করে তদন্তে পাঠাতে বা সমন জারি করতে পারেন।
এই গাইডের পেছনের আইন ও ফরম
বিডি অ্যাডভোকেসিতে সংরক্ষিত প্রামাণিক পাঠ। ধারা নম্বরগুলো এই গাইডে ব্যবহৃত।
ফৌজদারি মামলার আইনজীবীর সাথে কথা বলুন
গ্রেপ্তার হলে এখনই কল করুন। অন্য সব বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই। লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে।
