Skip to content
মামলা, আদালত ও এডিআর

ফৌজদারি মামলা ও জামিনের আইনজীবী, ঢাকা

গ্রেপ্তার, ওয়ারেন্ট বা মিথ্যা মামলা খুব দ্রুত এগোয়, আর প্রথম শুনানিতেই প্রায়ই ঠিক হয় মানুষটি বাড়ি ফিরবেন কি না। আমরা জামিন ও আগাম জামিনে পরামর্শ দিই, এজাহার বা নালিশি দরখাস্ত পড়ি, এবং বিচার ও আপিল পর্যন্ত মামলা লড়ি।

ব্যারিস্টারের নেতৃত্বে২০০৯ থেকে অ্যাডভোকেট২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তরকাকরাইল, ঢাকা
দরজা, ঘড়ি ও নোটপ্যাড: ফৌজদারি মামলা ও জামিনের আইনজীবী

আপনার সমস্যা কি এর মধ্যে আছে?

যেটি আপনার ঘটনার সবচেয়ে কাছাকাছি সেটি বেছে নিন। প্রতিটিতে প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজ ও আদালতের বিবরণ আছে।

আমরা যেসব কাজ করি

যে আইনের ভিত্তিতে কাজ করি

এই পাতার কাজের মূল আইনগুলো এখানে। প্রতিটি মামলার ফল তার নিজস্ব তথ্য ও কাগজের ওপর নির্ভর করে।

কীভাবে কাজ করি

  1. সঙ্গে সঙ্গে কল করুনকল বা হোয়াটসঅ্যাপ ০১৭৭২১৩৭৭৭৭। গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে মেসেজ নয়, কল করুন: প্রথম ২৪ ঘণ্টা গুরুত্বপূর্ণ।
  2. আমরা কাগজ পড়িএজাহার, নালিশি দরখাস্ত, জব্দ তালিকা বা ওয়ারেন্ট থেকে ধারা ও আদালত জানা যায়।
  3. জামিনের পরিকল্পনা ও ফি লিখিতভাবেকোন আদালতে আগে যাবেন, কী কাগজ লাগবে এবং আমাদের ফি, লিখিতভাবে।
  4. আমরা আপনার পক্ষে হাজির হইজামিনের আবেদন, রিমান্ড ও অভিযোগ গঠনের শুনানি, বিচার ও আপিলে মামলা লড়ি।

যা সাথে আনবেন

  • এজাহার, জিডি বা নালিশি দরখাস্তের কপি
  • ওয়ারেন্ট, জব্দ তালিকা বা পুলিশের নোটিশ, যদি থাকে
  • আসামি ও নির্দেশদাতার জাতীয় পরিচয়পত্র
  • আপনার পক্ষের মেসেজ, রসিদ বা কাগজপত্র

এই বিষয়ে বিনামূল্যের গাইড

আমাদের আইনজীবীদের লেখা ও যাচাই করা সহজ ভাষার গাইড।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

গ্রেপ্তারের পর কত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করতে হয়?

গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে (যাত্রার সময় বাদে) নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারা ও সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে এটি বাধ্যতামূলক। পরিবারকে জেনে নিতে হবে কোন থানায় রাখা হয়েছে এবং কোন আদালতে নেওয়া হবে।

আগাম জামিন কী?

গ্রেপ্তারের আগেই জামিন, সাধারণত হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায় দেন। মামলা হয়েছে বা হওয়ার আশঙ্কা আছে এবং গ্রেপ্তারের বাস্তব ঝুঁকি থাকলে এটি চাওয়া হয়। আদালত মেয়াদ ও শর্ত ঠিক করেন, পরে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হয়।

কোন অপরাধ জামিনযোগ্য?

ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে দণ্ডবিধির প্রতিটি অপরাধ জামিনযোগ্য না জামিন-অযোগ্য তা বলা আছে। জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন অধিকার; জামিন-অযোগ্য অপরাধে তা আদালতের বিবেচনা। নারী-শিশু ও মাদক আইনের মতো বিশেষ আইনে জামিনের নিয়ম আরও কঠোর।

ফৌজদারি মামলা কি আপসে মীমাংসা করা যায়?

কেবল ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় আপসযোগ্য অপরাধ, কিছু ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে। গুরুতর অপরাধ বাদী চাইলেও আপস করা যায় না।

জিডি, এজাহার ও নালিশি মামলার পার্থক্য কী?

জিডি থানায় একটি তথ্য লিপিবদ্ধ করে। ১৫৪ ধারায় এজাহার আমলযোগ্য অপরাধের পুলিশি তদন্ত শুরু করে। নালিশি মামলা সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ২০০ ধারায় করা হয়; তিনি বাদীকে পরীক্ষা করে তদন্তে পাঠাতে বা সমন জারি করতে পারেন।

আইন লাইব্রেরি

এই গাইডের পেছনের আইন ও ফরম

বিডি অ্যাডভোকেসিতে সংরক্ষিত প্রামাণিক পাঠ। ধারা নম্বরগুলো এই গাইডে ব্যবহৃত।

ফৌজদারি মামলার আইনজীবীর সাথে কথা বলুন

গ্রেপ্তার হলে এখনই কল করুন। অন্য সব বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই। লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে।

শেয়ার করুন