জিরো রিটার্ন দাখিলের নিয়ম: আয় না থাকলেও কাদের দিতে হবে, অনলাইনে কীভাবে দেবেন, এক বছর বাদ পড়লে কী হয়
গত বছর জমা পড়া ই-রিটার্নের প্রায় দশটির ছয়টিতে করযোগ্য আয় ছিল না। এই মানুষগুলো সময় নষ্ট করেননি: ঋণ, ট্রেড লাইসেন্স, জমি রেজিস্ট্রিসহ প্রায় চল্লিশটি কাজে টিন সচল রাখে এই শূন্য রিটার্নই। কাদের দিতে হবে, কারা থামতে পারেন, আর কীভাবে — সব এখানে।
- শুধু টিন থাকলেই রিটার্ন বাধ্যতামূলক নয়; আগের তিন বছরের কোনো বছরে কর নির্ধারিত হলে, বা রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র (PSR) লাগলে — বাধ্যতামূলক।
- ধারা ২৬৪-এর চল্লিশটি কাজে PSR লাগে — ২০ লাখ টাকার বেশি ঋণ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন বা ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি পর্যন্ত।
- শূন্য রিটার্নে ন্যূনতম কর নেই; ন্যূনতম কর লাগে কেবল আয় করমুক্ত সীমা ছাড়ালে।
- টিন আর না লাগলে আইনসম্মত পথ ধারা ২৬২-এ টিন বাতিল — চুপচাপ বন্ধ করে দেওয়া নয়।
এই গাইডে: শুধু টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? · যে চল্লিশটি কাজে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র লাগে (ধারা ২৬৪) · অনলাইনে শূন্য রিটার্ন যেভাবে দেবেন · গত বছর বাদ পড়ে থাকলে · কখন থামতে পারেন: টিন বাতিল
সংক্ষেপে উত্তর
“জিরো রিটার্ন” মানে সাধারণ রিটার্ন, যাতে করযোগ্য আয় শূন্য। আয়কর আইন ২০২৩-এর ধারা ১৬৬-এর আওতায় পড়লে — সবচেয়ে সাধারণ কারণ: আগের তিন বছরের কোনো বছরে কর নির্ধারিত হওয়া — অথবা ধারা ২৬৪-এর চল্লিশটি কাজের কোনোটির জন্য রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র লাগলে, আপনাকে এটি দিতেই হবে। কোনোটিই না হলে আইনি বাধ্যবাধকতা নেই; তবে রিটার্নটি বিনামূল্যে, etaxnbr.gov.bd-তে বিশ মিনিটের কাজ, আর পরের বছর ব্যাংকে অস্বস্তিকর কথাবার্তা এড়ায়। একবার রিটার্ন দেওয়া শুরু করে মাঝে এক বছর বাদ দেওয়া — এই একটি কাজ আমরা করতে মানা করি।
শুধু টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে?
শুধু টিনের কারণে নয়। ধারা ২৬১ বলে কারা টিনের জন্য নিবন্ধন করবেন — করদাতা, ধারা ১৬৬-এ রিটার্ন দিতে বাধ্য ব্যক্তি, ধারা ২৬৪-এ PSR লাগে এমন ব্যক্তি, আর যিনি স্বেচ্ছায় কর দিতে চান। ধারা ১৬৬ বলে কারা রিটার্ন দাখিল করবেন। দুটো অনেকটা মেলে, কিন্তু এক নয়। বৃত্তির ফরমের জন্য টিন নেওয়া এক ছাত্র, যাঁর আয় নেই এবং ধারা ২৬৪-এর কোনো প্রয়োজনও নেই — তিনি নিবন্ধিত, কিন্তু রিটার্নে বাধ্য নন।
বাস্তবে তিনটি দরজা দিয়ে বেশির ভাগ টিনধারী বাধ্যবাধকতায় ঢোকেন: (১) বছরে করযোগ্য আয়; (২) আগের তিন বছরের কোনো বছরে কর নির্ধারণ বা করযোগ্য আয় — এ কারণেই একবার শুরু করলে হঠাৎ থামা যায় না; (৩) বছরে ধারা ২৬৪-এর কোনো কাজ। শেয়ারহোল্ডার-পরিচালক, অংশীদার, সরকারি কর্মচারী ও ব্যবস্থাপনা পদের বেতনভোগীদের আয় যা-ই হোক, রিটার্ন দিতে হয়।
২০২৬-এর অর্থ বিলের দুটি প্রস্তাব — প্রতিটি ব্যাংক হিসাবে টিন এবং নামজারিতে টিন — ২৯ জুন ২০২৬ সংসদে বাদ পড়েছে। এগুলো আইন নয়; সাধারণ সঞ্চয়ী হিসাব খুলতে কোনো ব্যাংক PSR চাইলে তা আইনের বাইরে।
যে চল্লিশটি কাজে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র লাগে (ধারা ২৬৪)
অর্থ আইন ২০২৬-এর সংশোধনীর পর, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধারা ২৬৪(৩)-এর তালিকায় চল্লিশটি কাজ। সাধারণ মানুষের গায়ে সবচেয়ে বেশি লাগে যেগুলো:
| PSR লাগবে যদি… | ক্রমিক |
|---|---|
| ২০ লাখ টাকার বেশি ব্যাংক ঋণ নেন | ১ |
| কোম্পানির পরিচালক বা উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডার হন | ২ |
| আইআরসি/ইআরসি নেন বা নবায়ন করেন; সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভায় ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করেন | ৩, ৪ |
| সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ক্যান্টনমেন্টে জমি, ভবন বা ফ্ল্যাটের বিক্রয়, ইজারা, হস্তান্তর, বায়নানামা বা পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি রেজিস্ট্রি করেন | ৬ |
| পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যপদ নবায়ন করেন — চিকিৎসক, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি, আইটিপি ও অন্যান্য | ৭ |
| সিটি কর্পোরেশনে আবাসিক গ্যাস বা বিদ্যুৎ সংযোগ নেন | ১৩, ১৪ |
| সিটি কর্পোরেশন, জেলা শহর বা পৌরসভার ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে সন্তান ভর্তি করান | ১৭ |
| আমদানি এলসি খোলেন; ১০ লাখ টাকার বেশি মেয়াদি আমানত খোলেন বা রাখেন; ১০ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র রাখেন | ২০, ২১, ২২ |
| ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন বা সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হন | ২৩ |
| ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক বা তদারকি পদে বেতন নেন; দশম বা তদূর্ধ্ব গ্রেডের সরকারি কর্মচারী হন | ২৪, ২৫ |
| মোটরযান (দুই ও তিন চাকার বাদে) রেজিস্ট্রেশন, মালিকানা বদল বা ফিটনেস নবায়ন করেন | ২৯ |
| টেন্ডার জমা দেন; বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেন; রাজউক, সিডিএ, কেডিএ, আরডিএ বা সিটি কর্পোরেশন থেকে ভবনের নকশা অনুমোদন নেন | ৩৩, ৩৪, ৩৫ |
| সিটি কর্পোরেশনে কোনো কোম্পানি বা “নির্দিষ্ট ব্যক্তি”-কে বাড়ি ভাড়া দেন; তাদের পণ্য বা সেবা সরবরাহ করেন | ৩৬, ৩৭ |
| হোটেল, রেস্টুরেন্ট, কমিউনিটি সেন্টার, হাসপাতাল, ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স রাখেন; সিটি কর্পোরেশনে কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া নেন | ৩৮, ৩৯ |
বারোটি কাজের একটি ছোট তালিকায় PSR নয়, শুধু সিস্টেম থেকে পাওয়া টিন সনদ লাগে: নতুন ট্রেড লাইসেন্স, ক্রেডিট কার্ড, ৫ লাখ টাকার বেশি ডাকঘর সঞ্চয় হিসাব, পেশাজীবী সংগঠনের প্রথম সদস্যপদ, তিন চাকার যান বা ১৫০ সিসি ও তার বেশি মোটরসাইকেল, নতুন ই-কমার্স লাইসেন্স, আর নিগমনের বছরের কোম্পানি — এগুলোর মধ্যে। এ কারণেই নতুন ব্যবসা শুধু টিন দিয়ে শুরু করা যায়, কিন্তু পরের বছর রিটার্ন ছাড়া লাইসেন্স নবায়ন হয় না।
যে কর্মকর্তা লাইসেন্স, ঋণ বা রেজিস্ট্রি দেন, PSR ছাড়া তাঁর এগোনোর অধিকার নেই; যাচাই না করলে তাঁর ওপর ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে (ধারা ২৬৪(৫)–(৮))। ব্যবসার জায়গায় PSR টাঙিয়ে রাখতেও হয়; না রাখলে ২০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা জরিমানা (ধারা ২৬৫)।
অনলাইনে শূন্য রিটার্ন যেভাবে দেবেন
- আমাদের রিটার্ন দাখিল গাইডে বলা নিয়মে টিন ও এনআইডিতে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর দিয়ে etaxnbr.gov.bd-তে নিবন্ধন করুন।
- কর বছর ২০২৬-২৭-এর রিটার্ন খুলে আয়ের খাতগুলো দেখুন। আয় না থাকলে শূন্য লিখুন; সামান্য আয় থাকলে — যেমন অল্প ব্যাংক সুদ — তা লিখুন, কারণ “জিরো রিটার্ন” আক্ষরিক শূন্য হতে হবে এমন নয়, করমুক্ত সীমার নিচে হলেই চলে।
- ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে আপনার সম্পদ, দায় ও জীবনযাত্রার খরচ লিখুন। শূন্য রিটার্নের বেশির ভাগ ভুল এখানেই হয়: আয় দেখাননি, অথচ ব্যাংক ব্যালেন্স বেড়েছে বা নতুন ফ্ল্যাট এসেছে — এই ব্যাখ্যাহীন ফারাকই এনবিআরের অডিট বাছাইয়ের ফাঁদ। টাকা দান, ঋণ বা আগের সঞ্চয় থেকে এলে তা-ই লিখুন।
- জমা দিন। কর দেওয়ার কিছু নেই, ন্যূনতম করও নেই: এনবিআরের ঘোষিত অবস্থান, ন্যূনতম কর কেবল তাঁদের, যাঁদের আয় করযোগ্য সীমা ছাড়ায়।
- প্রাপ্তিস্বীকার স্লিপ ডাউনলোড করুন। ওই স্লিপই এ বছরের আপনার PSR।
গৃহিণী, ছাত্র বা একই অবস্থার অন্যদের জন্য আলাদা ফরম বা ছাড় নেই; একই রিটার্ন, একই পরীক্ষা। স্বামী/স্ত্রী বা নাবালক সন্তানের যে আয় আলাদাভাবে করযোগ্য নয়, তা উপার্জনকারীর রিটার্নে যোগ হয়।
গত বছর বাদ পড়ে থাকলে
এই প্রশ্নটিই আমরা সবচেয়ে বেশি পাই। ২০২৪-এ টিন নিয়েছেন, ২০২৪-২৫-এ শূন্য রিটার্ন দিয়েছেন, ২০২৫-২৬ বাদ গেছে। এখন ঋণ লাগবে।
- বাদ পড়া বছরটি এখনো প্রাপ্য। আগের তিন বছরের কোনো বছরে কর নির্ধারণ বা করযোগ্য আয় বাধ্যবাধকতা জিইয়ে রাখে। বাদ পড়া বছর ও চলতি বছর — দুটোই দিন; পোর্টালে আগের বছরের রিটার্ন দেওয়া যায়।
- জরিমানা কর্মকর্তার বিবেচনাধীন, শূন্য রিটার্নে সাধারণত সামান্য। ধারা ২৬৬-এ উপকর কমিশনার সর্বশেষ নির্ধারিত আয়ের করের ১০% (ন্যূনতম ১,০০০ টাকা) ও প্রতিদিন ৫০ টাকা জরিমানা করতে পারেন। সর্বশেষ নির্ধারিত কর শূন্য হলে হিসাব শুরু হয় ন্যূনতম থেকে। এগুলো অর্থ আইন ২০২৬-এর প্রণীত অঙ্ক: আয় সীমা ছাড়ালে সারা দেশে সরাসরি ৫,০০০ টাকা ন্যূনতম কর, প্রথমবারের করদাতার ১,০০০ টাকা; পুরনো এলাকাভিত্তিক স্তর বাতিল। এনবিআরের অনলাইন FAQ-এ এখনো পুরনো স্তর দেখায়, যা এ বিষয়ে হালনাগাদ নয়।
- প্রথমবার দাখিলকারীর প্রতি নমনীয়তা। এনবিআরের দীর্ঘদিনের অবস্থান: যিনি কখনো রিটার্ন দেননি, তিনি আয়বর্ষের পরের ৩০ জুনের মধ্যে জরিমানা ছাড়া দিতে পারেন।
- ঝুলিয়ে রাখবেন না। ধারা ২৬২(৩)-এ এনবিআর নিজেই বৈধ আয়ের উৎস নেই এমন টিন বাতিল করতে পারে — শুনতে সুবিধাজনক, PSR লাগার দিন পর্যন্ত; আর বছরের পর বছর ঘুমিয়ে থাকা টিন জেগে উঠলে মাঝের বছরগুলো নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
কখন থামতে পারেন: টিন বাতিল
আইনসম্মত পথ ধারা ২৬২-এ বাতিল, চুপ থাকা নয়। আবেদন করতে পারেন যদি ধারা ২৬৪-এর কোনো কাজে আর PSR না লাগে এবং হয় আপনি আর “করদাতা” নন, কিংবা টানা তিন বছর করযোগ্য আয় ছিল না ও ভবিষ্যতেও থাকবে না, কিংবা ধারা ১৬৬-এ আর রিটার্ন দিতে বাধ্য নন। মৃত্যু, অবসায়ন, দেশে কোনো আয় না রেখে স্থায়ীভাবে বিদেশে চলে যাওয়া, দ্বৈত বা ভুল নিবন্ধন, এবং অন্য যেকোনো আইনসম্মত কারণ — আলাদা ভিত্তি।
অনুমোদনের শর্ত: কোনো কর বকেয়া নেই, কোনো কর নির্ধারণ বা কোনো ফোরামে বিরোধ ঝুলে নেই, আর দেওয়া কারণ সত্য (ধারা ২৬২(২))। আবেদন যায় আপনার সার্কেলের উপকর কমিশনারের কাছে; বাতিল টিন মুছে যায় না, নিষ্ক্রিয় হয়, নথি এনবিআরের কাছে থাকে। পদ্ধতি আমাদের টিন গাইডে।
কোন বছর, বলুন
আপনার টিনের ইতিহাস দেখে কোন বছরগুলো বাকি তা আমরা বের করি।
অঙ্ক পুনর্গঠন
ব্যাংক স্টেটমেন্ট থেকে প্রতি বছরের আয়, সম্পদ ও দায় সাজাই, যাতে বছরগুলো মিলে যায়।
ক্রমানুসারে দাখিল
আগে বাদ পড়া বছর, পরে চলতি বছর — যাতে সম্পদের ধারা অবিচ্ছিন্ন থাকে।
PSR হাতে দিই
প্রতি বছরের প্রাপ্তিস্বীকার পান — ব্যাংক, রেজিস্ট্রি বা লাইসেন্স অফিসের জন্য তৈরি।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
টিন আছে কিন্তু আয় নেই — রিটার্ন দিতে হবে?
আগের তিন বছরের কোনো বছরে কর নির্ধারিত হলে, বা ঋণ, ট্রেড লাইসেন্স, জমি রেজিস্ট্রি বা ধারা ২৬৪-এর অন্য কাজে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র লাগলে — হ্যাঁ। নইলে কঠোর বাধ্যবাধকতা নেই, তবে শূন্য রিটার্ন টিন সচল রাখে।
জিরো রিটার্নে ন্যূনতম কর আছে?
না। ন্যূনতম কর লাগে কেবল মোট আয় করমুক্ত সীমা ছাড়ালে। সীমার নিচের আয়ের রিটার্নে কোনো কর নেই।
২০২৪-২৫ দিয়েছি, ২০২৫-২৬ দিইনি। এখন কি দুটোই দেব?
হ্যাঁ। আগের তিন বছরের কোনো বছরে করযোগ্য হলে বাধ্যবাধকতা থাকে; বাদ পড়া বছর আগে, তারপর চলতি বছর দিন।
জিরো রিটার্ন না দিলে জরিমানা কত?
ধারা ২৬৬-এ সর্বশেষ নির্ধারিত আয়ের করের ১০%, ন্যূনতম ১,০০০ টাকা, এবং প্রতিদিন ৫০ টাকা। শূন্য রিটার্নে হিসাব ন্যূনতম থেকে শুরু হয়। অঙ্কগুলো ২০২৬-এর সংশোধনীর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।
গৃহিণী বা ছাত্র কি জিরো রিটার্ন দিতে পারেন?
পারেন, সবার মতো একই রিটার্নে। আলাদা ফরম নেই। একমাত্র আয় সামান্য ব্যাংক সুদ হলে তা দেখান; আয় করমুক্ত সীমার নিচে থাকলে সেটি শূন্য রিটার্নই।
ব্যাংক হিসাব খুলতে কি PSR লাগে?
না। প্রতিটি ব্যাংক হিসাবে টিন বাধ্যতামূলক করার ২০২৬-এর প্রস্তাব সংসদে বাদ পড়েছে। PSR লাগে ২০ লাখ টাকার বেশি ঋণ, ১০ লাখ টাকার বেশি মেয়াদি আমানত ও তালিকার অন্য কাজে।
স্থায়ীভাবে রিটার্ন দেওয়া বন্ধ করব কীভাবে?
ধারা ২৬২-এ টিন বাতিলের জন্য সার্কেলের উপকর কমিশনারের কাছে আবেদন করুন — দেখান যে PSR আর লাগে না এবং টানা তিন বছর করযোগ্য আয় নেই (বা তালিকার অন্য কারণ), কোনো বকেয়া বা ঝুলন্ত বিরোধ নেই।
নতুন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স নিতে কি রিটার্ন লাগে?
নতুন লাইসেন্সে শুধু টিন সনদ যথেষ্ট। পরের বছর সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভায় নবায়নে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র দেখাতে হবে।
কর, ভ্যাট ও কাস্টমস বিষয়ে আরও পড়ুন
আয়কর রিটার্ন, টিন, ভ্যাট ও বিন, মূসক ফরম, কাস্টমস শুল্ক এবং এনবিআরের নোটিশ পেলে করণীয়।
এক বছর বাদ গেছে, বা দিতে হবে কি না নিশ্চিত নন?
টিন আর সংশ্লিষ্ট বছরগুলো পাঠান। কী বাকি তা জানিয়ে আমরা দাখিল করে দেব। লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে।

মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম প্রশ্ন বা মতামত আপনিই লিখুন।