Skip to content
রিট, কর ও বিশেষ আদালত

প্রশাসনিক ও চাকরি সংক্রান্ত মামলা

সরকারি চাকরি সংক্রান্ত বিরোধের নিজস্ব ফোরাম, নিজস্ব বিধিমালা এবং স্বল্প সময়সীমা রয়েছে। আমরা সরকারি চাকরিজীবীদের পক্ষে পদোন্নতি, জ্যেষ্ঠতা, বদলি, শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা, চাকরিচ্যুতি ও পেনশন সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করি।

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৮০প্রযোজ্য চাকরিবিধিসংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২
সংরক্ষিত সরকারি চাকরি ও প্রশাসনিক মামলার নথি

এই সেবায় যা আছে

আমরা প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল ও প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালে সরকারি চাকরিজীবীদের পক্ষে চাকরির শর্তাবলি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিনিধিত্ব করি—বিভাগীয় মামলা ও চাকরিচ্যুতি, পদোন্নতি না দেওয়া, জ্যেষ্ঠতা বিরোধ, বিরূপ মন্তব্য, বদলি, এবং অবসর ও পেনশন সুবিধা।

সঠিক ফোরাম

প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের চাকরির শর্তাবলি সংক্রান্ত বিরোধ যায় প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে, সাধারণ দেওয়ানি আদালতে নয়, এবং সাধারণত রিটের মাধ্যমেও নয়। ভুল ফোরামে মামলা করলে এখানকার স্বল্প তামাদির মেয়াদ নষ্ট হয়ে যায়।

বিভাগীয় কার্যক্রম

অধিকাংশ চাকরিচ্যুতির মামলা জেতা বা হারা নির্ধারিত হয় ট্রাইব্যুনালে নয়, বিভাগীয় তদন্তেই। তদন্ত পর্যায়ে যথাযথ প্রতিনিধিত্ব—অভিযোগের জবাব রেকর্ডে রাখা এবং সঠিক পদ্ধতি মেনে চলার দাবি জানানো—ফলাফলে বড় পার্থক্য তৈরি করে।

এখানে সময়সীমা কম এবং কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়, আর সাধারণত প্রথমে বিভাগীয় আপিল শেষ করাও বাধ্যতামূলক। বিরূপ আদেশ পেলে তার তারিখ টুকে রাখুন এবং মাসের মধ্যে নয়, দিনের মধ্যেই পরামর্শ নিন।

যা সঙ্গে থাকলে সুবিধা হয়

  • বিতর্কিত আদেশ, তারিখসহ
  • চার্জশিট, তদন্ত প্রতিবেদন এবং আপনার জবাব
  • প্রাসঙ্গিক চাকরিবিধি ও প্রজ্ঞাপন
  • বিভাগীয় আপিল বা আবেদনের রেকর্ড

কোথায় শুনানি হয়, কত সময় লাগে

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে প্রথমে মামলার শুনানি হয়, এরপর প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল, এবং পরে অনুমতিসাপেক্ষে আপিল বিভাগে। এই মামলাগুলো সাধারণত এক বছরের বেশি সময় নেয়। যেহেতু সাধারণত আগে বিভাগীয় প্রতিকার শেষ করতে হয়, তাই শুরুর পদক্ষেপগুলোই পরবর্তী সবকিছুর ভিত্তি তৈরি করে।

সরকারি চাকরি সংক্রান্ত বিরোধ বোঝাতে ব্যবহৃত ইলাস্ট্রেশন
চাকরি সংক্রান্ত মামলা যেভাবে এগোয়
1

সময়সীমা নির্ধারণ

আমরা তামাদির মেয়াদ এবং আগে সম্পন্ন করতে হবে এমন বিভাগীয় পদক্ষেপগুলো চিহ্নিত করি।

2

বিভাগকে যথাযথভাবে জবাব

আমরা তদন্তে ও বিভাগীয় আপিলে আপনার পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করি, সবকিছু রেকর্ডে রেখে।

3

সঠিক ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আমরা প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করি।

4

প্রয়োজনে আপিল

প্রয়োজন হলে আমরা মামলাটি আপিল ট্রাইব্যুনালে নিয়ে যাই।

স্বল্প তামাদির মেয়াদ, কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়।পরামর্শের সময় নিন

সাধারণ জিজ্ঞাসা

আমার কি রিট করা উচিত, নাকি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে যাওয়া উচিত?

সরকারি চাকরিজীবীর চাকরির শর্তাবলি সংক্রান্ত বিষয়ে সাধারণত প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালই সঠিক ফোরাম। এর বদলে রিট করলে তা সাধারণত মেইনটেইনেবিলিটির প্রশ্নে খারিজ হয়ে যায় এবং তামাদির মেয়াদ নষ্ট করে।

আমাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এটা কি বাতিল করানো যায়?

যায়, বিশেষত বিভাগীয় পদ্ধতি অনুসরণ না করা হলে বা তদন্তে ত্রুটি থাকলে। মামলার শক্তি সাধারণত নির্ভর করে তদন্তের রেকর্ডের ওপর।

আমার হাতে কতদিন সময় আছে?

সময় কম, এবং তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়; সাধারণত আগে বিভাগীয় প্রতিকার শেষ করতে হয়। আদেশের তারিখ টুকে রাখুন এবং সঙ্গে সঙ্গে পরামর্শ নিন।

শেয়ার করুন

সময়মতো চাকরি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করুন

সঠিক ট্রাইব্যুনাল, স্বল্প তামাদির মেয়াদের মধ্যেই।