Skip to content
রিট, কর ও বিশেষ আদালত

শ্রম আদালত ও চাকরি বিরোধ

চাকরি সংক্রান্ত বিরোধের জন্য আলাদা আদালত আছে, আলাদা পদ্ধতি আছে, আর সময়সীমাও কম। আমরা বকেয়া পাওনা ও অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত হওয়া কর্মীদের পক্ষে লড়ি, আবার নিয়োগকর্তাদের পক্ষে মামলা মোকাবিলা করি এবং তাদের প্রক্রিয়া ঠিকভাবে সাজাতে সাহায্য করি।

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫শ্রম আদালত ও শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল
একটি পোশাক কারখানার উৎপাদন তল

এই সেবায় যা আছে

আমরা শ্রম আদালতে চাকরিচ্যুতি, বরখাস্ত ও ছাঁটাই, বকেয়া বেতন, ওভারটাইম ও সার্ভিস সুবিধা, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি এবং কর্মক্ষেত্রের অভিযোগ সংক্রান্ত মামলা পরিচালনা করি, আর নিয়োগকর্তাদের শুরু থেকেই সঠিকভাবে কাজ করার পরামর্শ দিই।

কর্মীদের জন্য

বেশিরভাগ মামলা শুরু হয় আইনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়োগকর্তার কাছে অভিযোগ জানানোর মাধ্যমে, তারপরই শ্রম আদালতে যাওয়া যায়। এই ধাপ বা এর সময়সীমা মিস করলে ভালো একটি মামলাও শুরুতেই শেষ হয়ে যেতে পারে। অভিযোগ জানানো থেকে মামলা পরিচালনা—দুটোই আমরা সামলাই।

নিয়োগকর্তাদের জন্য

চাকরিচ্যুতির ক্ষেত্রে সমস্যা যতটা না মূল কারণে হয়, তার চেয়ে বেশি হয় প্রক্রিয়ায়। চাকরিচ্যুতি, অসদাচরণের কারণে বরখাস্ত ও ছাঁটাইয়ের সঠিক প্রক্রিয়া এবং প্রাপ্য পাওনা নিয়ে আমরা পরামর্শ দিই, আর মামলা হলে তা মোকাবিলা করি।

অভিযোগের ধাপ ও এর সময়সীমাতেই বেশিরভাগ কর্মীর মামলা হারিয়ে যায়। চাকরিচ্যুত হয়ে থাকলে বা পাওনা বকেয়া থাকলে কয়েক দিনের মধ্যেই পরামর্শ নিন: অভ্যন্তরীণ এই ধাপ সাধারণত আগে সারতে হয়, আর এর সময়সীমা খুবই কম।

যা সঙ্গে থাকলে সুবিধা হয়

  • নিয়োগপত্র, চুক্তি ও সার্ভিস রুলস
  • চাকরিচ্যুতি বা বরখাস্তের চিঠি, তারিখসহ
  • বেতনের রেকর্ড, হাজিরা ও প্রভিডেন্ট ফান্ডের কোনো বিবরণী
  • অভিযোগপত্র ও নিয়োগকর্তার জবাব

কোথায় শুনানি হয়, কত সময় লাগে

মামলা যায় শ্রম আদালতে, আপিল হয় শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে। শ্রম আদালতের মামলা সাধারণত কয়েক মাস থেকে এক বছরের বেশি সময় নেয়। শুরুর দিকের সংক্ষিপ্ত সময়সীমাগুলোই এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।

চাকরি বিরোধ বোঝাতে ব্যবহৃত ছবি
শ্রম মামলা যেভাবে এগোয়
1

সময়সীমা যাচাই করা

অভিযোগের সময়সীমা ও মামলার তামাদির মেয়াদ আমরা প্রথমে নির্ধারণ করি।

2

অভ্যন্তরীণ ধাপ সম্পন্ন করা

সঠিকভাবে অভিযোগ উত্থাপন করি, যাতে প্রক্রিয়াগত কারণে মামলা বাতিল না হয়।

3

শ্রম আদালতে মামলা দায়ের

মামলা দায়ের করি বা মোকাবিলা করি, আর পাওনার হিসাব নির্ধারণ করি।

4

প্রয়োজনে আপিল

ফলাফলের প্রয়োজনে আমরা শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে মামলা নিয়ে যাই।

মামলার আগের সংক্ষিপ্ত সময়সীমাগুলোই এখানে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।পরামর্শের সময় নিন

সাধারণ জিজ্ঞাসা

আমাকে নোটিশ ছাড়াই চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। আমি কী করতে পারি?

আপনার অন্যায় চাকরিচ্যুতি ও বকেয়া পাওনার দাবি থাকতে পারে, তবে শ্রম আদালতে যাওয়ার আগে সাধারণত একটি সংক্ষিপ্ত সময়সীমার অভিযোগের ধাপ থাকে। সপ্তাহ নয়, দিনের মধ্যেই ব্যবস্থা নিন।

চাকরিচ্যুতির ক্ষেত্রে আমি কী কী পাওনার অধিকারী?

এটি নির্ভর করে চাকরিচ্যুতির কারণ ও আপনার চাকরির মেয়াদের ওপর, আর এর মধ্যে থাকতে পারে নোটিশ পে, ক্ষতিপূরণ, গ্র্যাচুইটি ও অন্যান্য পাওনা। আইন ও আপনার চুক্তি অনুযায়ী আমরা তা হিসাব করি।

তদন্ত ছাড়াই কি নিয়োগকর্তা অসদাচরণের কারণে চাকরিচ্যুত করতে পারেন?

আইনে অসদাচরণের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া বলা আছে, আর এই প্রক্রিয়া এড়িয়ে যাওয়াই নিয়োগকর্তার সিদ্ধান্ত বাতিল হওয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ। নিয়োগকর্তাদের আমরা এটি সঠিকভাবে করার পরামর্শ দিই।

শেয়ার করুন

চাকরি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে ব্যবস্থা নিন

সময়সীমা কম। দিনের মধ্যেই ব্যবস্থা নিন।