Skip to content
মামলা, আদালত ও এডিআর

রিট, কর ও নিয়ন্ত্রক মামলাের আইনজীবী

কিছু বিরোধ যায় বিশেষ ফোরামে: রিটের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ, চাকরির বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল, ব্যাংক ঋণে অর্থঋণ আদালত, শ্রম আদালত বা কর আপিল কর্তৃপক্ষ। প্রতিটির নিজস্ব সময়সীমা ও পদ্ধতি আছে। কোন ফোরাম ঠিক তা আমরা জানাই এবং সেখানে মামলা পরিচালনা করি।

ব্যারিস্টারের নেতৃত্বে২০০৯ থেকে অ্যাডভোকেট২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তরকাকরাইল, ঢাকা
বাঁধা নথি, দাঁড়িপাল্লা ও কলম: রিট, কর ও নিয়ন্ত্রক মামলাের মামলা

আপনার সমস্যা কি এর মধ্যে আছে?

যেটি আপনার ঘটনার সবচেয়ে কাছাকাছি সেটি বেছে নিন। প্রতিটিতে প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজ ও আদালতের বিবরণ আছে।

সরকারি চাকরির বিরোধ

পদোন্নতি, শৃঙ্খলা ও বেতন নিয়ে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা।

কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →

আমরা যেসব কাজ করি

যে আইনের ভিত্তিতে কাজ করি

এই পাতার কাজের মূল আইনগুলো এখানে। প্রতিটি মামলার ফল তার নিজস্ব তথ্য ও কাগজের ওপর নির্ভর করে।

কীভাবে কাজ করি

  1. আদেশ বা নোটিশ পাঠানকল বা হোয়াটসঅ্যাপ ০১৭৭২১৩৭৭৭৭, সঙ্গে সিদ্ধান্ত, দাবি বা আরজির কপি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই।
  2. ফোরাম ও সময়সীমা ঠিক করিরিট, ট্রাইব্যুনাল, আপিল না বিশেষ আদালত, আর কোন তারিখের মধ্যে পদক্ষেপ নিতে হবে।
  3. পথ ও ফি লিখিতভাবেবাস্তব সম্ভাবনা, খরচ ও আমাদের ফি, লিখিতভাবে।
  4. আমরা দাখিল ও শুনানি করিআবেদন বা আপিল তৈরি করে আদালত বা ট্রাইব্যুনালে হাজির হই।

যা সাথে আনবেন

  • যে আদেশ, নোটিশ, নিরূপণ বা আরজি চ্যালেঞ্জ করবেন
  • সেটি পাওয়ার তারিখ
  • প্রযোজ্য হলে নিয়োগপত্র, ঋণের কাগজ বা আয়কর রিটার্ন
  • কর্তৃপক্ষ, ব্যাংক বা নিয়োগকর্তার সাথে আগের চিঠিপত্র

এই বিষয়ে বিনামূল্যের গাইড

আমাদের আইনজীবীদের লেখা ও যাচাই করা সহজ ভাষার গাইড।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

রিট মামলা কত দিনের মধ্যে করতে হয়?

নির্দিষ্ট তামাদি নেই, তবে হাইকোর্ট বিভাগ দ্রুত পদক্ষেপ আশা করে। অব্যাখ্যাত দেরি প্রতিকার না দেওয়ার কারণ হতে পারে, তাই সিদ্ধান্তের পর যত দ্রুত সম্ভব দাখিল করুন।

হাইকোর্টে রিট করতে কত টাকা লাগে?

রিটের কোর্ট ফি সামান্য। মূল খরচ আবেদন তৈরি, হলফনামা ও শুনানিতে। যে আদেশ চ্যালেঞ্জ করবেন তা পড়ার পর আমরা ফি লিখিতভাবে জানাই।

ঋণগ্রহীতা কি অর্থঋণ ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন?

হ্যাঁ, তবে অর্থঋণ আদালত আইন ২০০৩ অনুযায়ী আপিলের আগে ডিক্রিকৃত টাকার একটি অংশ জমা দিতে হয়। মামলা চলাকালে আইনটি মধ্যস্থতায় আপসকেও উৎসাহিত করে।

শ্রম আদালতে যাওয়ার আগে শ্রমিককে কী করতে হয়?

চাকরিচ্যুতি ও এ ধরনের অভিযোগে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ সাধারণত প্রথমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিয়োগকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ, তারপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শ্রম আদালতে মামলা চায়। দ্রুত পদক্ষেপ নিন এবং সব কাগজের কপি রাখুন।

সরকারি কর্মচারীর চাকরির বিরোধ কোথায় শুনানি হয়?

সরকারি কর্মচারীদের চাকরির শর্ত সংক্রান্ত বিষয় প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল আইন ১৯৮০-এ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে যায়, আপিল প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালে। এসব ক্ষেত্রে সাধারণত রিট সঠিক পথ নয়।

আপনার মামলা নিয়ে আইনজীবীর সাথে কথা বলুন

এসব ফোরামে সময়সীমা কম। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই। লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে।

শেয়ার করুন