শ্রম আইন ও ভোক্তা অধিকার মামলার আইনজীবী
মালিক পাওনা দিচ্ছে না, কারণ ছাড়াই চাকরি গেছে, বিক্রেতা ত্রুটিপূর্ণ পণ্য দিয়েছে, ব্যাংক ভুল ঠিক করছে না। আইনে প্রতিকার আছে, কিন্তু সময়সীমা খুব কম। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিই এবং দাবি আদায় করি।
আপনার সমস্যা কি এর মধ্যে আছে?
যেটি আপনার ঘটনার সবচেয়ে কাছাকাছি সেটি বেছে নিন। প্রতিটিতে প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজ ও আদালতের বিবরণ আছে।
বেতন, ছুটির টাকা বা গ্র্যাচুইটি পাননি
দাবিপত্র, অভিযোগ, তারপর শ্রম আদালত।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →চাকরিচ্যুত বা অবসান করা হয়েছে
আইনসম্মত হয়েছে কি না, আর আপনার পাওনা কত।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →কর্মক্ষেত্রে হয়রানির শিকার
অভিযোগ কমিটি, আর কমিটি ব্যর্থ হলে করণীয়।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →পণ্য বা সেবায় প্রতারিত হয়েছেন
ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরে অভিযোগ বা ক্ষতিপূরণের দাবি।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →ব্যাংক ভুল চার্জ কেটেছে বা সাড়া দিচ্ছে না
ব্যাংকের অভিযোগ প্রক্রিয়া, তারপর বাংলাদেশ ব্যাংক।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →মামলা ইতিমধ্যে শ্রম আদালতে
শ্রম আদালত ও শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে প্রতিনিধিত্ব।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →আমরা যা যা নিয়ে কাজ করি
- বকেয়া বেতন ও অন্যায় চাকরিচ্যুতিশ্রম আইন অনুযায়ী মজুরি, ওভারটাইম, ছুটির টাকা, গ্র্যাচুইটি ও চাকরি অবসানের সুবিধা।
- কর্মক্ষেত্রে হয়রানি ও চাকরির অধিকারহয়রানি, বৈষম্য ও অন্যায় আচরণের অভিযোগ।
- ভোক্তা অভিযোগ ও ক্ষতিপূরণভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এ অভিযোগ এবং ক্ষতির দেওয়ানি দাবি।
- ব্যাংকিং ও আর্থিক ভোক্তা বিরোধভুল চার্জ, কার্ড ও হিসাব নিয়ে বিরোধ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগ।
যে আইনের ভিত্তিতে কাজ করি
এই পাতার কাজের মূল আইনগুলো এখানে। প্রতিটি মামলার ফল তার নিজস্ব তথ্য ও কাগজের ওপর নির্ভর করে।
- বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন) দ্বারা সংশোধিত
- ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯
- কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে হাইকোর্ট বিভাগের ২০০৯ সালের নির্দেশনা
- ব্যাংকিং বিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রাহক অভিযোগ প্রক্রিয়া
কীভাবে কাজ করি
- ঘটনাটি জানানফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ ০১৭৭২১৩৭৭৭৭। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই।
- আগে সময়সীমা দেখিশ্রম ও ভোক্তা দাবির সময়সীমা কম, তাই সবার আগে তারিখগুলো ঠিক করি।
- লিখিত দাবি ও ফিকী দাবি করা যায়, কোন পথে এবং আমাদের ফি-র ভিত্তি লিখিতভাবে দিই।
- আমরা দাবি আদায় করিনোটিশ, অভিযোগ বা আবেদন, তারপর শ্রম আদালত বা সঠিক ফোরাম।
যা সাথে আনবেন
- নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র ও বেতনের স্লিপ
- চাকরিচ্যুতি বা অবসানের চিঠি (থাকলে)
- বেতন জমার ব্যাংক স্টেটমেন্ট
- ভোক্তা মামলায়: রসিদ, ওয়ারেন্টি ও বিক্রেতার সাথে মেসেজ
এই বিষয়ে বিনামূল্যের গাইড
আমাদের আইনজীবীদের লেখা ও যাচাই করা সহজ ভাষার গাইড।

শ্রম আইন ২০০৬: চাকরি গেলে কত পাবেন, গ্র্যাচুইটি ও বকেয়া বেতন আদায়

ভোক্তা অধিকারে অভিযোগ করার নিয়ম: অনলাইন, হটলাইন ১৬১২১ ও আপনি কী পাবেন

উকিল নোটিশ (লিগ্যাল নোটিশ): লেখার নিয়ম, খরচ ও জবাব দেওয়ার উপায়

সাধারণ জিজ্ঞাসা
চাকরি শেষ হলে আমার পাওনা কী?
চাকরি কীভাবে শেষ হলো এবং কতদিন কাজ করেছেন তার ওপর নির্ভর করে। বকেয়া মজুরি ও অর্জিত ছুটির টাকা সবসময় পাওনা, আর অবসান বা অবসরে শ্রম আইন ও চুক্তি অনুযায়ী নোটিশের বেতন, ক্ষতিপূরণ বা গ্র্যাচুইটি যোগ হতে পারে। আমাদের গাইডে প্রতিটি ক্ষেত্র ব্যাখ্যা করা আছে।
শ্রম আইনে দাবি করার সময়সীমা কত?
সময়সীমা খুব কম। শ্রম আইনের অভিযোগ প্রক্রিয়ায় লিখিত অভিযোগ ৩০ দিনের মধ্যে মালিকের কাছে পৌঁছাতে হয়, আর শ্রম আদালতের ধাপেরও আলাদা স্বল্প সময়সীমা আছে। চাকরি শেষ হলেই আইনজীবীর সাথে কথা বলুন।
ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরে কীভাবে অভিযোগ করব?
সমস্যা হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে রসিদ ও প্রমাণসহ জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে লিখিত বা অনলাইনে অভিযোগ করুন। জরিমানা হলে অভিযোগকারী তার ২৫ শতাংশ পেতে পারেন।
ভোক্তা কি ক্ষতিপূরণ পান?
অধিদপ্তর বিক্রেতাকে জরিমানা করতে পারে, তবে পুরো ক্ষতির টাকা পেতে সাধারণত দেওয়ানি দাবি লাগে। টাকার পরিমাণ ও প্রমাণ দেখে কোন পথ ভালো তা জানাই।
ব্যাংক ভুল চার্জ ফেরত দিচ্ছে না, এখন কী করব?
প্রথমে ব্যাংকে লিখিত অভিযোগ দিয়ে রেফারেন্স নম্বর রাখুন। সমাধান না হলে বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগ করুন; ব্যাংকের বিরুদ্ধে গ্রাহক অভিযোগ বাংলাদেশ ব্যাংক নিষ্পত্তি করে।
এই গাইডের পেছনের আইন ও ফরম
বিডি অ্যাডভোকেসিতে সংরক্ষিত প্রামাণিক পাঠ। ধারা নম্বরগুলো এই গাইডে ব্যবহৃত।
মালিক বা বিক্রেতার কাছে টাকা পাওনা?
সময়সীমা কম। ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন ০১৭৭২১৩৭৭৭৭; ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই। লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে।
