উত্তরাধিকার ও সম্পত্তি বণ্টনের আইনজীবী
বাবা বা মা মারা গেলে পরিবারকে তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়: ওয়ারিশ কারা, কে কত পাবেন, আর জমি ও টাকা কীভাবে হস্তান্তর হবে। আমরা অংশ হিসাব করি, সনদ বের করি এবং সম্পত্তি ভাগ করে দিই: সম্ভব হলে সমঝোতায়, না হলে আদালতে।
আপনার সমস্যা কি এর মধ্যে আছে?
যেটি আপনার ঘটনার সবচেয়ে কাছাকাছি সেটি বেছে নিন। প্রতিটিতে প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজ ও আদালতের বিবরণ আছে।
বাবা বা মা মারা গেছেন, কে কত পাবেন জানতে চান
মুসলিম বা হিন্দু আইনে প্রত্যেক ওয়ারিশের অংশ লিখিতভাবে হিসাব।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →ব্যাংক মৃত ব্যক্তির টাকা দিচ্ছে না
দেওয়ানি আদালত থেকে সাকসেশন সার্টিফিকেট।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →উইল আছে, বা উইল করতে চান
উইল, মুসলিম আইনে এর সীমা এবং প্রোবেট।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →ভাই-বোনদের মধ্যে জমি ভাগে মতভেদ
সমঝোতায় বণ্টননামা, না হলে বাটোয়ারা মামলা।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →হেবা দলিল নিয়ে আপত্তি উঠেছে
টেকসই হেবা করা, বা ত্রুটিপূর্ণ হেবা চ্যালেঞ্জ করা।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →প্রবাসে থাকেন, দেশে আসতে পারছেন না
পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে আমরা কাজ করি ও আপনাকে জানাই।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →আমরা যা যা নিয়ে কাজ করি
- সাকসেশন সার্টিফিকেট আবেদনঢাকার আদালতে আবেদন, ওয়ারিশদের নোটিশ এবং ব্যাংক যে সনদ নেবে সেটি।
- সাকসেশন সার্টিফিকেটওয়ারিশরা যাতে ব্যাংকের টাকা, শেয়ার ও অন্য পাওনা তুলতে পারেন সেজন্য দেওয়ানি আদালতে আবেদন।
- প্রোবেট ও লেটার্স অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশনউত্তরাধিকার আইন ১৯২৫ অনুযায়ী উইল প্রমাণ বা সম্পত্তি পরিচালনার অনুমতি।
- উত্তরাধিকারের অংশ ও সম্পত্তি বণ্টনপ্রত্যেক ওয়ারিশের অংশ হিসাব করে নামজারি ও দলিলে রূপ দেওয়া।
- উইল ও সম্পত্তি পরিকল্পনাআপনার ইচ্ছামতো সম্পত্তি যাতে যায় সেজন্য উইল ও হেবার খসড়া।
- সম্পত্তি ব্যবস্থাপনাওয়ারিশরা প্রবাসে থাকলে বা একমত না হলে সম্পত্তি পরিচালনা ও বণ্টন।
যে আইনের ভিত্তিতে কাজ করি
এই পাতার কাজের মূল আইনগুলো এখানে। প্রতিটি মামলার ফল তার নিজস্ব তথ্য ও কাগজের ওপর নির্ভর করে।
- মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন ১৯৩৭
- মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১, ধারা ৪ (এতিম নাতি-নাতনি)
- উত্তরাধিকার আইন ১৯২৫
- রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮
- সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২
- বাটোয়ারা আইন ১৮৯৩
কীভাবে কাজ করি
- পরিবারের কথা জানানফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ ০১৭৭২১৩৭৭৭৭। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই।
- ওয়ারিশ ও সম্পত্তির তালিকাবংশতালিকা তৈরি করি এবং জমি, হিসাব ও অন্যান্য সম্পদের তালিকা করি।
- লিখিত অংশ, পরিকল্পনা ও ফিপ্রত্যেকের অংশ, করণীয় ধাপ ও আমাদের ফি-র ভিত্তি লিখিতভাবে দিই।
- সনদ, দলিল ও মামলাসনদ বের করি, বণ্টননামা তৈরি বা মামলা দাখিল করি এবং নামজারি সম্পন্ন করি।
যা সাথে আনবেন
- মৃত্যু সনদ
- ওয়ারিশ সনদ (ইতিমধ্যে নেওয়া থাকলে)
- ওয়ারিশদের জাতীয় পরিচয়পত্র
- মৃত ব্যক্তির দলিল, খতিয়ান এবং ব্যাংক বা শেয়ারের স্টেটমেন্ট
এই বিষয়ে বিনামূল্যের গাইড
আমাদের আইনজীবীদের লেখা ও যাচাই করা সহজ ভাষার গাইড।

কে কত পাবেন: বাংলাদেশে স্ত্রী, মেয়ে, ছেলে ও বাবা-মায়ের ওয়ারিশি অংশ

ফারায়েজ ক্যালকুলেটর: মুসলিম উত্তরাধিকারের অংশ ও সম্পত্তি বন্টন হিসাব


মায়ের সম্পত্তি ভাগের নিয়ম: স্বামী, ছেলে ও মেয়ে কে কতটুকু পাবেন

ওয়ারিশ সনদ: কে দেয়, কি কি লাগে, অনলাইন আবেদন ও যাচাইয়ের নিয়ম

সাকসেশন সার্টিফিকেট: খরচ, প্রক্রিয়া ও কখন প্রোবেটের বদলে এটি লাগবে

হেবা দলিল: নিয়ম, খরচ, কাগজপত্র এবং বাতিল করা যায় কি না

বাংলাদেশে ওয়ারিশি জমি ভাগের নিয়ম: বণ্টননামা দলিল, বাটোয়ারা মামলা ও প্রি-এম্পশন
সাধারণ জিজ্ঞাসা
বাবা মারা গেলে কে কত পাবেন?
মুসলিম আইনে স্ত্রী ও সন্তান থাকলে স্ত্রী পান আট ভাগের এক ভাগ। বাবা-মা জীবিত থাকলে প্রত্যেকে ছয় ভাগের এক ভাগ, আর বাকিটা সন্তানরা ভাগ করেন, ছেলে মেয়ের দ্বিগুণ পায়। আমাদের ফারায়েজ ক্যালকুলেটরে আপনার পরিবারের সঠিক অংশ বের করতে পারবেন।
ওয়ারিশ সনদ না সাকসেশন সার্টিফিকেট?
ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের ওয়ারিশ সনদে উত্তরাধিকারীদের নাম থাকে; নামজারিসহ অনেক কাজে এটি লাগে। মৃত ব্যক্তির ব্যাংকের টাকা, শেয়ার ও অন্য পাওনা তুলতে দেওয়ানি আদালতের সাকসেশন সার্টিফিকেট লাগে।
হেবা দলিল কি বাতিল করা যায়?
রেজিস্টার্ড হেবা, যেখানে দখল দেওয়া হয়েছে, ইচ্ছামতো ফিরিয়ে নেওয়া যায় না। তবে প্রতারণা, অনুচিত প্রভাব বা জালিয়াতিতে হলে, বা দাতার প্রকৃত সম্মতি না থাকলে দেওয়ানি মামলায় বাতিল করা যায়।
মুসলিম কি উইলে এক-তৃতীয়াংশের বেশি দিতে পারেন?
না। মুসলিম ব্যক্তি নিট সম্পত্তির সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশ উইলে এমন কাউকে দিতে পারেন যিনি ওয়ারিশ নন। এর বেশি, বা কোনো ওয়ারিশকে উইল, মৃত্যুর পর অন্য ওয়ারিশরা সম্মতি দিলে তবেই কার্যকর হয়।
ভাই-বোনেরা উত্তরাধিকারের জমি কীভাবে ভাগ করবেন?
সব শরিকের সইয়ে রেজিস্টার্ড বণ্টননামা করে, তারপর নামজারি। কোনো ওয়ারিশ রাজি না হলে যেকোনো শরিক দেওয়ানি আদালতে বাটোয়ারা মামলা করতে পারেন।
এই গাইডের পেছনের আইন ও ফরম
বিডি অ্যাডভোকেসিতে সংরক্ষিত প্রামাণিক পাঠ। ধারা নম্বরগুলো এই গাইডে ব্যবহৃত।
উত্তরাধিকার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন
পরিবার ও সম্পত্তির কথা জানান। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই। লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে।
