Skip to content
পারিবারিক ও ব্যক্তিগত

শ্রম আইন ও ভোক্তা অধিকার মামলার আইনজীবী

মালিক পাওনা দিচ্ছে না, কারণ ছাড়াই চাকরি গেছে, বিক্রেতা ত্রুটিপূর্ণ পণ্য দিয়েছে, ব্যাংক ভুল ঠিক করছে না। আইনে প্রতিকার আছে, কিন্তু সময়সীমা খুব কম। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিই এবং দাবি আদায় করি।

ব্যারিস্টারের নেতৃত্বে২০০৯ থেকে অ্যাডভোকেট২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তরকাকরাইল, ঢাকা
আইডি কার্ড, বেতনের খাম ও শপিং ব্যাগ: শ্রম ও ভোক্তা অধিকার

আপনার সমস্যা কি এর মধ্যে আছে?

যেটি আপনার ঘটনার সবচেয়ে কাছাকাছি সেটি বেছে নিন। প্রতিটিতে প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজ ও আদালতের বিবরণ আছে।

আমরা যা যা নিয়ে কাজ করি

যে আইনের ভিত্তিতে কাজ করি

এই পাতার কাজের মূল আইনগুলো এখানে। প্রতিটি মামলার ফল তার নিজস্ব তথ্য ও কাগজের ওপর নির্ভর করে।

কীভাবে কাজ করি

  1. ঘটনাটি জানানফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ ০১৭৭২১৩৭৭৭৭। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই।
  2. আগে সময়সীমা দেখিশ্রম ও ভোক্তা দাবির সময়সীমা কম, তাই সবার আগে তারিখগুলো ঠিক করি।
  3. লিখিত দাবি ও ফিকী দাবি করা যায়, কোন পথে এবং আমাদের ফি-র ভিত্তি লিখিতভাবে দিই।
  4. আমরা দাবি আদায় করিনোটিশ, অভিযোগ বা আবেদন, তারপর শ্রম আদালত বা সঠিক ফোরাম।

যা সাথে আনবেন

  • নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র ও বেতনের স্লিপ
  • চাকরিচ্যুতি বা অবসানের চিঠি (থাকলে)
  • বেতন জমার ব্যাংক স্টেটমেন্ট
  • ভোক্তা মামলায়: রসিদ, ওয়ারেন্টি ও বিক্রেতার সাথে মেসেজ

এই বিষয়ে বিনামূল্যের গাইড

আমাদের আইনজীবীদের লেখা ও যাচাই করা সহজ ভাষার গাইড।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

চাকরি শেষ হলে আমার পাওনা কী?

চাকরি কীভাবে শেষ হলো এবং কতদিন কাজ করেছেন তার ওপর নির্ভর করে। বকেয়া মজুরি ও অর্জিত ছুটির টাকা সবসময় পাওনা, আর অবসান বা অবসরে শ্রম আইন ও চুক্তি অনুযায়ী নোটিশের বেতন, ক্ষতিপূরণ বা গ্র্যাচুইটি যোগ হতে পারে। আমাদের গাইডে প্রতিটি ক্ষেত্র ব্যাখ্যা করা আছে।

শ্রম আইনে দাবি করার সময়সীমা কত?

সময়সীমা খুব কম। শ্রম আইনের অভিযোগ প্রক্রিয়ায় লিখিত অভিযোগ ৩০ দিনের মধ্যে মালিকের কাছে পৌঁছাতে হয়, আর শ্রম আদালতের ধাপেরও আলাদা স্বল্প সময়সীমা আছে। চাকরি শেষ হলেই আইনজীবীর সাথে কথা বলুন।

ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরে কীভাবে অভিযোগ করব?

সমস্যা হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে রসিদ ও প্রমাণসহ জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে লিখিত বা অনলাইনে অভিযোগ করুন। জরিমানা হলে অভিযোগকারী তার ২৫ শতাংশ পেতে পারেন।

ভোক্তা কি ক্ষতিপূরণ পান?

অধিদপ্তর বিক্রেতাকে জরিমানা করতে পারে, তবে পুরো ক্ষতির টাকা পেতে সাধারণত দেওয়ানি দাবি লাগে। টাকার পরিমাণ ও প্রমাণ দেখে কোন পথ ভালো তা জানাই।

ব্যাংক ভুল চার্জ ফেরত দিচ্ছে না, এখন কী করব?

প্রথমে ব্যাংকে লিখিত অভিযোগ দিয়ে রেফারেন্স নম্বর রাখুন। সমাধান না হলে বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগ করুন; ব্যাংকের বিরুদ্ধে গ্রাহক অভিযোগ বাংলাদেশ ব্যাংক নিষ্পত্তি করে।

আইন লাইব্রেরি

এই গাইডের পেছনের আইন ও ফরম

বিডি অ্যাডভোকেসিতে সংরক্ষিত প্রামাণিক পাঠ। ধারা নম্বরগুলো এই গাইডে ব্যবহৃত।

মালিক বা বিক্রেতার কাছে টাকা পাওনা?

সময়সীমা কম। ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন ০১৭৭২১৩৭৭৭৭; ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই। লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে।

শেয়ার করুন