দেওয়ানি ও ব্যবসায়িক মামলার আইনজীবী, ঢাকা
পাওনা টাকা ফেরত না দেওয়া, চেক বাউন্স, চুক্তি ভঙ্গ বা ব্যবসার অংশীদারের সাথে বিরোধ: বেশিরভাগই শুরু হয় ঠিক লিগ্যাল নোটিশ দিয়ে, আর প্রয়োজন হলেই আদালতে যায়। আমরা দাবি যাচাই করি, নোটিশ পাঠাই, এবং আলোচনা ব্যর্থ হলে মামলা করে চালাই।
আপনার সমস্যা কি এর মধ্যে আছে?
যেটি আপনার ঘটনার সবচেয়ে কাছাকাছি সেটি বেছে নিন। প্রতিটিতে প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজ ও আদালতের বিবরণ আছে।
কেউ টাকা নিয়ে ফেরত দিচ্ছে না
নোটিশ, আলোচনা ও টাকা আদায়ের মামলা, সময়সীমাসহ।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →চেক ডিজঅনার হয়েছে
১৩৮ ধারার সময়সীমা, নোটিশ ও মামলা।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →লিগ্যাল নোটিশ পেয়েছেন বা পাঠাতে চান
কী লিখবেন, কী স্বীকার করবেন না এবং কখন জবাব দেবেন।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →চুক্তি বা ব্যবসায়িক লেনদেন ভেঙে গেছে
ক্ষতিপূরণ, চুক্তি প্রবল ও ব্যবসায়িক দাবি।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →আদালত দিয়ে কিছু এখনই থামাতে চান
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও ঘোষণামূলক মামলা।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →মামলায় জিতেছেন কিন্তু টাকা পাচ্ছেন না
ডিক্রি জারি: ক্রোক, নিলাম ও গ্রেপ্তার।
কীভাবে সাহায্য করি দেখুন →আমরা যেসব কাজ করি
- মামলার নথি পর্যালোচনা ও দ্বিতীয় মতামতনির্দিষ্ট ফিতে লিখিত মতামত: মামলা কোথায় আছে এবং এখনও কী করা যায়।
- চেক মামলায় আত্মপক্ষ৩০ দিনের মধ্যে জবাব, জামিন এবং সাজা ছাড়াই আপস।
- চেক ডিজঅনার মামলা দায়ের৩০ দিনের মধ্যে ১৩৮ ধারার নোটিশ, সময়মতো মামলা ও টাকা আদায়।
- লিগ্যাল নোটিশ ও জবাবদাবি নোটিশ, জবাব এবং সরকারের বিরুদ্ধে মামলার আগে ৮০ ধারার নোটিশ।
- পাওনা টাকা আদায়ধার, বকেয়া বিল ও জামানতের টাকা নোটিশ, আপস বা মামলার মাধ্যমে আদায়।
- চেক ডিজঅনারনেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার মামলা, প্রাপক বা চেকদাতা যে পক্ষেই হোক।
- চুক্তি ও ব্যবসায়িক বিরোধচুক্তি ভঙ্গ, সরবরাহ ও সেবা বিরোধ এবং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাবি।
- ঘোষণা ও নিষেধাজ্ঞাদেওয়ানি কার্যবিধিতে ঘোষণামূলক মামলা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা।
- ক্ষতিপূরণ ও মানহানিক্ষতিপূরণের মামলা, মানহানির দেওয়ানি দাবিসহ।
- ডিক্রি জারিজারি মামলার মাধ্যমে ডিক্রিকে টাকা বা দখলে রূপ দেওয়া।
- কোম্পানি ও শেয়ারহোল্ডার বিরোধকোম্পানি আইন ১৯৯৪-এ নিপীড়ন, অব্যবস্থাপনা ও পরিচালকদের বিরোধ।
যে আইনের ভিত্তিতে কাজ করি
এই পাতার কাজের মূল আইনগুলো এখানে। প্রতিটি মামলার ফল তার নিজস্ব তথ্য ও কাগজের ওপর নির্ভর করে।
- দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮
- চুক্তি আইন ১৮৭২
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭
- নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট ১৮৮১
- তামাদি আইন ১৯০৮
- কোর্ট-ফি আইন ১৮৭০
- কোম্পানি আইন ১৯৯৪
- দণ্ডবিধি ১৮৬০, ৫০০ ধারা (মানহানি)
কীভাবে কাজ করি
- ঘটনা জানানকল বা হোয়াটসঅ্যাপ ০১৭৭২১৩৭৭৭৭, সঙ্গে চুক্তি, চেক বা নোটিশ পাঠান। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই।
- দাবি ও সময়সীমা যাচাইকে কত পাবে, কাগজে কী প্রমাণ হয়, আর তামাদির সময় এখনো আছে কি না।
- পথ ও ফি লিখিতভাবেনোটিশ, আপস না মামলা, কত কোর্ট ফি লাগবে এবং আমাদের ফি, লিখিতভাবে।
- আমরা কাজ করিনোটিশ পাঠাই, আলোচনা করি, মামলা দাখিল করে ডিক্রি ও জারি পর্যন্ত চালাই।
যা সাথে আনবেন
- চুক্তি, বিল, রসিদ বা ধারের কাগজ
- চেক ও ব্যাংকের ডিজঅনার স্লিপ, যদি থাকে
- পাঠানো বা পাওয়া লিগ্যাল নোটিশ ও ডাকের রসিদ
- পাওনা বা বিরোধ নিয়ে মেসেজ বা ইমেইল
এই বিষয়ে বিনামূল্যের গাইড
আমাদের আইনজীবীদের লেখা ও যাচাই করা সহজ ভাষার গাইড।

উকিল নোটিশ (লিগ্যাল নোটিশ): লেখার নিয়ম, খরচ ও জবাব দেওয়ার উপায়

পাওনা টাকা আদায়ের উপায়: সব আইনি পথ এক জায়গায়

চেক ডিজঅনার মামলা (ধারা ১৩৮): নোটিশ, সময়সীমা, শাস্তি ও মামলা করার নিয়ম

দেওয়ানি মামলা করার নিয়ম: প্রক্রিয়া, কোর্ট ফি ও কত দিন চলে

মানহানি মামলা করার নিয়ম: ফৌজদারি নালিশ, দেওয়ানি মামলা ও ফেসবুক পোস্ট

অনলাইনে মামলার অবস্থা, পরবর্তী তারিখ ও কজলিস্ট দেখার নিয়ম
সাধারণ জিজ্ঞাসা
কেউ টাকা না দিলে কীভাবে আদায় করব?
প্রথমে টাকার পরিমাণ ও সময়সীমা উল্লেখ করে লিখিত লিগ্যাল নোটিশ দিন। তাতে কাজ না হলে দেওয়ানি আদালতে টাকা আদায়ের মামলা, অথবা চেক দিয়ে থাকলে ও তা ডিজঅনার হলে ১৩৮ ধারায় মামলা করা যায়। কোন পথ ঠিক তা আপনার কাগজের ওপর নির্ভর করে।
চেক ডিজঅনার মামলার সময়সীমা কী?
চেকের তারিখ থেকে ছয় মাসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দিন। ডিজঅনার জানার ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতাকে লিখিত নোটিশ দিন। তিনি ৩০ দিন সময় পাবেন। না দিলে সেই ৩০ দিন শেষ হওয়ার পর এক মাসের মধ্যে মামলা করুন। একটি ধাপ বাদ পড়লে মামলা টেকে না।
টাকা আদায়ের মামলা কত দিনের মধ্যে করতে হয়?
তামাদি আইন ১৯০৮ অনুযায়ী বেশিরভাগ টাকার দাবিতে টাকা পাওনা হওয়ার দিন থেকে তিন বছরের মধ্যে মামলা করতে হয়। কিছু দাবিতে সময় কম বা বেশি, তাই আগেভাগে তারিখ যাচাই করুন।
সরকারের বিরুদ্ধে মামলার আগে কি নোটিশ লাগে?
হ্যাঁ। দেওয়ানি কার্যবিধির ৮০ ধারায় সরকার বা সরকারি কর্মকর্তার দাপ্তরিক কাজের বিরুদ্ধে মামলার আগে দুই মাসের লিখিত নোটিশ দিতে হয়, জরুরি প্রতিকারে সীমিত ব্যতিক্রম আছে।
দেওয়ানি মামলায় খরচ কত?
কোর্ট-ফি আইন অনুযায়ী দাবির মূল্যের ওপর কোর্ট ফি নির্ভর করে, সঙ্গে আইনজীবীর ফি ও আনুষঙ্গিক খরচ। মামলা দাখিলের আগে আমরা কোর্ট ফির হিসাব ও আমাদের ফি লিখিতভাবে জানাই।
এই গাইডের পেছনের আইন ও ফরম
বিডি অ্যাডভোকেসিতে সংরক্ষিত প্রামাণিক পাঠ। ধারা নম্বরগুলো এই গাইডে ব্যবহৃত।
দেওয়ানি মামলার আইনজীবীর সাথে কথা বলুন
লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে, কোনো বাধ্যবাধকতাও নেই। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই।
