অবসায়ন ছাড়া নিষ্ক্রিয় কোম্পানি বন্ধ: ধারা ৩৪৬-এ স্ট্রাইক-অফ, প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ও ঝুঁকি
বাংলাদেশে ব্যবসা থামানো বেশির ভাগ কোম্পানি কখনো বন্ধ হয় না। দাখিল থেমে যায়, বিলম্ব ফি জমে, পরিচালকেরা অন্যদিকে চলে যান, আর বছর পরে কেউ ভিসা, ব্যাংক ঋণ বা নতুন কোম্পানিতে প্রত্যাখ্যাত হন কারণ আরজেএসসি এখনো তাঁকে খেলাপি কোম্পানির পরিচালক দেখায়। সম্পদ ও পাওনাদারহীন কোম্পানির জন্য পূর্ণ অবসায়ন ব্যয়বহুল ও ধীর। সস্তা পথ হলো কোম্পানি আইনের ধারা ৩৪৬-এ স্ট্রাইক-অফ: নিবন্ধক অকার্যকর কোম্পানিকে রেজিস্টার থেকে বাদ দেন আর তা বিলুপ্ত হয়। এই গাইডে কখন স্ট্রাইক-অফ সঠিক প্রস্থান, কীভাবে সেখানে পৌঁছাবেন, আগে কী মেটাতে হয়, আর বিলুপ্তির পরেও কী থেকে যায়।
- স্ট্রাইক-অফ মানায় সেই কোম্পানিকে যা ব্যবসা থামিয়েছে, বণ্টনযোগ্য সম্পদ ও দায় নেই, আর সদস্যরা একমত। এটি নিবন্ধকের প্রশাসনিক কাজ, আদালতের প্রক্রিয়া নয়, আর অবসায়নের খরচের ভগ্নাংশ।
- ধারা ৩৪৬-এ নিবন্ধক কোম্পানি ব্যবসা করছে না মনে করলে চিঠি দেন; এক মাসে জবাব না এলে আবার লেখেন; তবুও না এলে গেজেটে নোটিশ দেন; নোটিশের তিন মাস পরে কোম্পানি বাদ ও আরেক গেজেট নোটিশে বিলুপ্ত। বন্ধ করতে চাওয়া কোম্পানি ধারা ৩৪৬-এ ব্যবস্থা নিতে নিবন্ধককে লিখিতভাবে অনুরোধ করে।
- নিবন্ধককে লেখার আগে: আরজেএসসির দাখিল হালনাগাদ (বা নিবন্ধকের সঙ্গে বকেয়া নিষ্পত্তি), ব্যাংক হিসাব বন্ধ, প্রতিটি পাওনাদার পরিশোধ বা নিষ্পত্তি, শেষ আয়কর ও ভ্যাট রিটার্ন দিয়ে টিন ও বিন বাতিল, ট্রেড লাইসেন্স বাতিল, আর সদস্যদের রেজুলেশন।
- বিলুপ্তি পরিচালক ও সদস্যদের নিজের দেনার দায় শেষ করে না (ধারা ৩৪৬(৫)); কোম্পানির নামে থাকা সম্পত্তি সদস্যদের হাতছাড়া হয়; আর আইনের অনুমোদিত সময়ে সদস্য বা পাওনাদারের আবেদনে আদালত বাদ পড়া কোম্পানি পুনঃস্থাপন করতে পারে।
এই গাইডে: স্ট্রাইক-অফ না অবসায়ন? · ধারা ৩৪৬ কীভাবে কাজ করে · অনুরোধের আগে ছাড়পত্র · বিলুপ্তির পরে: দায়, সম্পত্তি ও পরিচালক · পুনঃস্থাপন, আর আপনার অজান্তে বাদ পড়া কোম্পানি
সংক্ষেপে উত্তর
আগে ঠিক করুন স্ট্রাইক-অফই সঠিক প্রস্থান কি না। কোম্পানির সম্পদ, পাওনাদার ও বিরোধ না থাকলে সদস্যদের স্বেচ্ছা অবসায়নের চেয়ে স্ট্রাইক-অফ দ্রুত ও সস্তা। বণ্টনের সম্পদ, অবসায়কের মাধ্যমে শোধের পাওনাদার, দাবিদার কর্মী বা দ্বিমত শেয়ারহোল্ডার থাকলে বদলে অবসায়ন করুন — আমাদের অবসায়ন গাইড দেখুন। স্ট্রাইক-অফে, ক্রমে: (১) ব্যবসা বন্ধ ও কোম্পানি বাদ দিতে নিবন্ধককে অনুরোধের সিদ্ধান্তে বোর্ড সভা ও ইজিএম; (২) বন্ধের তারিখ পর্যন্ত সমাপনী হিসাব তৈরি ও নিরীক্ষা; (৩) আরজেএসসির রেকর্ড হালনাগাদ — বকেয়া বার্ষিক রিটার্ন ও হিসাব বিলম্ব ফিসহ, আর হালনাগাদ ফরম ১২ — কারণ বকেয়া কোম্পানির অনুরোধে নিবন্ধক ব্যবস্থা নেন না; (৪) প্রতিটি পাওনাদার পরিশোধ বা নিষ্পত্তি, ব্যাংক হিসাব বন্ধ, ট্রেড লাইসেন্স সমর্পণ; (৫) কোম্পানির শেষ আয়কর রিটার্ন দিয়ে টিন বাতিল, শেষ ভ্যাট রিটার্ন দিয়ে বিন বাতিলের আবেদন, আর সার্কেল যে ছাড়পত্র দেয় তা নেওয়া; (৬) রেজুলেশন, সমাপনী হিসাব, কোম্পানির সম্পদ বা দায় নেই মর্মে পরিচালকদের ঘোষণা ও ছাড়পত্রসহ নিবন্ধককে লিখিত অনুরোধ — ফিভিত্তিক অনলাইন স্ট্রাইক-অফ সেবা নেই — যে কোম্পানি ব্যবসা বন্ধ করেছে ও ধারা ৩৪৬-এ ব্যবস্থা নেওয়া হোক; (৭) নিবন্ধক ধারা ৩৪৬-এর নোটিশ দেন ও আইনের সময় পেরোলে গেজেটে স্ট্রাইক-অফ প্রকাশ করেন। চার থেকে আট মাস ধরুন।
স্ট্রাইক-অফ না অবসায়ন?
| স্ট্রাইক-অফ (ধারা ৩৪৬) | সদস্যদের স্বেচ্ছা অবসায়ন | আদালতের অবসায়ন | |
|---|---|---|---|
| কে কাজ করেন | নিবন্ধক, নিজে বা কোম্পানির অনুরোধে | সদস্যরা অবসায়ক নিয়োগ করেন | আবেদনে হাইকোর্ট বিভাগ |
| সচ্ছলতা | বাস্তবে সম্পদ নেই, দায় নেই | সচ্ছল; পরিচালকেরা সচ্ছলতা ঘোষণা করেন | সাধারণত অসচ্ছল; বা ন্যায্য ও ন্যায়সংগত |
| প্রক্রিয়া | চিঠি, গেজেট নোটিশ, আইনের সময় পেরোলে বিলুপ্তি | বিশেষ রেজুলেশন, অবসায়ক, সম্পদ আদায় ও বণ্টন, শেষ সভা, নিবন্ধককে রিটার্ন, বিলুপ্তি | আবেদন, অবসায়ন আদেশ, অফিশিয়াল অবসায়ক, আদালতের তত্ত্বাবধান, বিলুপ্তির আদেশ |
| সাধারণ সময় | ৪–৮ মাস | ৬–১২ মাস | বছর |
| খরচ | কম | মাঝারি (অবসায়ক, নিরীক্ষা, নোটিশ) | বেশি |
| পরের ঝুঁকি | সদস্য বা পাওনাদারের আবেদনে পুনঃস্থাপন; দায় থেকে যায় | বিলুপ্তির পরে কম | বিলুপ্তির পরে কম |
স্ট্রাইক-অফ পাওনাদার ঠকানোর উপায় নয়: দেনা রেখে বাদ পড়া কোম্পানি পাওনাদার পুনঃস্থাপন করাতে পারেন, আর পরিচালক ও সদস্যদের নিজের দায় থেকে যায়। দেনা নিয়ে কোনো সন্দেহ থাকলে — বিচারাধীন কর নিরূপণ, বাড়িওয়ালার দাবি, ফেরত না পাওয়া জামানত — বদলে অবসায়ন করুন।
ধারা ৩৪৬ কীভাবে কাজ করে
ধারা ৩৪৬ নিবন্ধককে সেই কোম্পানি বাদ দেওয়ার ক্ষমতা দেয় যেটি ব্যবসা করছে না বা চালু নেই বলে তাঁর যুক্তিসংগত কারণ আছে। আইনের ধাপ: নিবন্ধক কোম্পানিকে ব্যবসা করছে কি না জানতে চিঠি দেন; এক মাসে জবাব না এলে চৌদ্দ দিনের মধ্যে প্রথমটির উল্লেখসহ দ্বিতীয় নিবন্ধিত চিঠি দেন যে এক মাসে জবাব না এলে কোম্পানি বাদের লক্ষ্যে নোটিশ প্রকাশ হবে; সেই মাসে জবাব না এলে, বা কোম্পানি ব্যবসা করছে না এমন জবাব এলে, তিনি গেজেটে প্রকাশ ও কোম্পানিকে নোটিশ দিতে পারেন যে কারণ দেখানো না হলে তিন মাস শেষে কোম্পানি বাদ পড়বে; সেই সময় শেষে তিনি বাদ দিয়ে গেজেটে নোটিশ প্রকাশ করতে পারেন, যাতে কোম্পানি বিলুপ্ত। একই ধারা বিষয়াদি পুরো গোটানো হয়েছে এমন অবসায়কের প্রতিবেদনেও নিবন্ধককে কাজ করতে দেয়। বন্ধ করতে চাওয়া কোম্পানি সেবা হিসেবে স্ট্রাইক-অফের “আবেদন” করতে পারে না — এর কোনো ফরম বা ফি নেই — তবে ব্যবসা বন্ধ করেছে জানিয়ে নিবন্ধককে লিখতে পারে, যা ধারা ৩৪৬-এর যুক্তিসংগত কারণ দেয় ও আগাম প্রথম চিঠির জবাব হয়; স্ট্রাইক-অফে নিজে কোনো ফি নেই। ২০২৬-এর খসড়া সংশোধনী দুই বছর নিষ্ক্রিয় কোম্পানি নিবন্ধককে বাদ দিতে দেবে; তা আইন নয়।
অনুরোধের আগে ছাড়পত্র
যে কোম্পানির নিজের রেকর্ড খেলাপি তার স্ট্রাইক-অফ অনুরোধে নিবন্ধক ব্যবস্থা নেন না, আর ব্যাংক ও কর সার্কেল তাদের সঙ্গে বিষয়াদি বন্ধ না করা কোম্পানির সঙ্গে সহযোগিতা করে না। তালিকা: আরজেএসসি — বন্ধ পর্যন্ত প্রতি বছরের বার্ষিক রিটার্ন (শিডিউল এক্স) ও হিসাব, বিলম্ব ফিসহ দাখিল, আর হালনাগাদ ফরম ১২; হিসাব — শূন্য সম্পদ ও শূন্য দায় দেখানো নিরীক্ষিত সমাপনী হিসাব, বা প্রতিটি কীভাবে নিষ্পত্তি হলো তার বিবরণ; ব্যাংক — সমাপনী স্টেটমেন্টসহ প্রতিটি হিসাব বন্ধ, কোনো ঋণ শোধ ও ব্যাংকের দায়মুক্তি পত্র; পাওনাদার ও কর্মী — পরিশোধিত, কর্মীদের জন্য শ্রম আইন ২০০৬-এ নিষ্পত্তি, সম্ভব হলে লিখিত অব্যাহতি; কর — শেষ সময়ের শেষ আয়কর রিটার্ন, কোনো দাবি পরিশোধ ও টিন বাতিলের আবেদন; ভ্যাট — শেষ রিটার্ন (মূসক ৯.১), পরিশোধ ও বিন বাতিলের আবেদন (মূসক ২.৪, শেষ রিটার্ন মূসক ২.৫-এ); লাইসেন্স — ট্রেড লাইসেন্স সমর্পণ, আইআরসি/ইআরসি, ইনভেস্ট বাংলাদেশ (সাবেক বিডা) নিবন্ধন ও কোনো খাতের লাইসেন্স বাতিল। তারপর সদস্যরা রেজুলেশন পাস করেন, পরিচালকেরা ঘোষণায় সই করেন, আর চিঠি নিবন্ধকের কাছে যায়। যে কোম্পানির রেকর্ড পুনর্গঠন করা যায় না, বা রেজুলেশন পাসে শেয়ারহোল্ডার পাওয়া যায় না, তা অকার্যকর বলে জানানোর পরে নিবন্ধকের নিজস্ব ধারা ৩৪৬-এর কাজে ছেড়ে দেওয়া, বা অবসায়ন করা ভালো।
বিলুপ্তির পরে: দায়, সম্পত্তি ও পরিচালক
বিলুপ্তি কোম্পানি শেষ করে, সবার দায় নয়। ধারা ৩৪৬(৫) কোম্পানি বিলুপ্ত হয়নি এমনভাবে প্রতিটি পরিচালক, কর্মকর্তা ও সদস্যের দায় সংরক্ষণ করে, আর বাদ পড়া কোম্পানি অবসায়নে আদালতের ক্ষমতাও। কোম্পানির দেনায় দেওয়া ব্যক্তিগত গ্যারান্টি চলতে থাকে। বিলুপ্তিতে কোম্পানির নামে থাকা যেকোনো সম্পত্তি — কখনো হস্তান্তর না হওয়া জমি, যানবাহন, ভুলে যাওয়া হিসাবের টাকা — আর সদস্যদের নয়; মালিকহীন গণ্য হয় ও শুধু কোম্পানি পুনঃস্থাপনে উদ্ধারযোগ্য। বিলুপ্তির আগের বছরের কর দায় কর আইনে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এখনো নিরূপিত হতে পারে। বাস্তবে পরিচালকদের ভাবনা উল্টো: গেজেট নোটিশ প্রকাশ হয়ে আরজেএসসি রেকর্ডে কোম্পানি “স্ট্রাক অফ” দেখালে তার নথির খেলাপ থেকে তাঁদের নাম মুক্ত হয়, যা নতুন কোম্পানি বা ব্যাংক ঋণের পথ খোলে। অন্তত পুনঃস্থাপনের মেয়াদ পর্যন্ত গেজেট নোটিশ ও আরজেএসসির রেকর্ড রাখুন।
পুনঃস্থাপন, আর আপনার অজান্তে বাদ পড়া কোম্পানি
ধারা ৩৪৬-এ বাদ পড়া কোম্পানি ধারা ৩৪৬-এর অনুমোদিত সময়ে কোম্পানি, সদস্য বা ক্ষুব্ধ পাওনাদারের আবেদনে কোম্পানি আদালত পুনঃস্থাপন করতে পারে, যদি আদালত সন্তুষ্ট হয় যে কোম্পানি ব্যবসা করছিল বা অন্যথা ন্যায্য; আদেশ নিবন্ধকের কাছে দাখিল হয় আর কোম্পানি কখনো বাদ পড়েনি এমনভাবে অস্তিত্বে ছিল বলে গণ্য হয়, কোম্পানি ও অন্যদের একই অবস্থানে আনতে আদালত নির্দেশ দিতে পারে। সাধারণ আবেদনকারী: যে শেয়ারহোল্ডার আবিষ্কার করেন জমির মালিক কোম্পানি দাখিল না করায় বাদ পড়েছে, মামলা করতে চাওয়া পাওনাদার, বা বিক্রি সম্পন্নে নিবন্ধন ফেরত চাওয়া কোম্পানি। পুনঃস্থাপনে বকেয়া দাখিল ও ফি হালনাগাদ আর প্রায়ই খেলাপের ব্যাখ্যার হলফনামা লাগে। আপনার কোনো কোম্পানি বাদ পড়েছে বা নিবন্ধকের ধারা ৩৪৬-এর নোটিশ তালিকায় আছে জানলে, পারলে বিলুপ্তির গেজেট নোটিশের আগে ব্যবস্থা নিন: বকেয়া দাখিলসহ নিবন্ধকের চিঠির জবাব প্রক্রিয়া থামায়; বিলুপ্তির পরে শুধু আদালত উল্টাতে পারে। দাখিল হালনাগাদ আমাদের বার্ষিক রিটার্ন গাইডে, আর পুনঃস্থাপনের আবেদন আমাদের কোম্পানি বিরোধ ডেস্ক নেয়।
প্রস্থান বাছাই
কোম্পানির প্রকৃত অবস্থা দেখে স্ট্রাইক-অফ, স্বেচ্ছা অবসায়ন বা আদালতের অবসায়ন।
হালনাগাদ ও ছাড়পত্র
বকেয়া দাখিল, সমাপনী হিসাব, ব্যাংক, কর, ভ্যাট ও লাইসেন্স বাতিল।
স্ট্রাইক-অফ অনুরোধ
রেজুলেশন, ঘোষণা ও নিবন্ধককে চিঠি, গেজেট পর্যন্ত অনুসরণ।
পুনঃস্থাপন
দাখিল হালনাগাদসহ বাদ পড়া কোম্পানি পুনঃস্থাপনের আবেদন।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
অবসায়ন ছাড়া বাংলাদেশে কোম্পানি কীভাবে বন্ধ করব?
কোম্পানি আইনের ধারা ৩৪৬-এ স্ট্রাইক-অফে: আরজেএসসির দাখিল হালনাগাদ, সব দেনা নিষ্পত্তি, ব্যাংক হিসাব ও লাইসেন্স বন্ধ, টিন ও বিন বাতিল, সদস্যদের রেজুলেশন ও নিবন্ধককে লিখিত অনুরোধ; নিবন্ধক আইনের নোটিশ দিয়ে গেজেটে বিলুপ্তি প্রকাশ করেন।
ধারা ৩৪৬-এর স্ট্রাইক-অফ কী?
চিঠি ও গেজেট নোটিশের পরে ব্যবসা না করা কোম্পানিকে রেজিস্টার থেকে বাদ দেওয়ার নিবন্ধকের ক্ষমতা; নোটিশের মেয়াদ শেষে কোম্পানি বাদ ও বিলুপ্ত।
স্ট্রাইক-অফে কতদিন লাগে?
কোম্পানির দাখিল হালনাগাদ হলে, এক মাসের চিঠি ও তিন মাসের গেজেট নোটিশসহ সাধারণত চার থেকে আট মাস।
আরজেএসসিতে খেলাপি কোম্পানি কি স্ট্রাইক-অফ চাইতে পারে?
বাস্তবে না। নিবন্ধক অনুরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে বকেয়া বার্ষিক রিটার্ন ও হিসাব বিলম্ব ফিসহ দাখিল করতে হয়।
কোম্পানি বাদ পড়ার পরে কি পরিচালকেরা দায়ী?
হ্যাঁ। ধারা ৩৪৬(৫) কোম্পানি বিলুপ্ত হয়নি এমনভাবে প্রতিটি পরিচালক, কর্মকর্তা ও সদস্যের দায় সংরক্ষণ করে, আর ব্যক্তিগত গ্যারান্টি চলতে থাকে।
বাদ পড়া কোম্পানির সম্পত্তির কী হয়?
তা আর সদস্যদের নয়, শুধু কোম্পানি পুনঃস্থাপনে উদ্ধারযোগ্য। স্ট্রাইক-অফ চাওয়ার আগে প্রতিটি সম্পদ হস্তান্তর করে নিন।
বাদ পড়া কোম্পানি কি পুনঃস্থাপন করা যায়?
হ্যাঁ, আইনের অনুমোদিত সময়ে কোম্পানি, সদস্য বা পাওনাদারের আবেদনে কোম্পানি আদালত, যদি ব্যবসা চলছিল বা পুনঃস্থাপন ন্যায্য হয়।
কখন স্ট্রাইক-অফের বদলে অবসায়ন করা উচিত?
বণ্টনের সম্পদ, শোধের পাওনাদার, দাবিদার কর্মী, বিচারাধীন কর নিরূপণ বা দ্বিমত শেয়ারহোল্ডার থাকলে। স্ট্রাইক-অফ শুধু কিছু না থাকা কোম্পানির জন্য।
ব্যবসা ও কোম্পানি বিষয়ে আরও পড়ুন
আরজেএসসিতে কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন, অংশীদারি ব্যবসা, পরিচালক, শেয়ার ও মূলধন, বার্ষিক রিটার্ন ও ব্যবসা বন্ধ।
কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম
আরজেএসসি অনলাইন: সার্চ, স্ট্যাটাস, সনদ
আরজেএসসি নাম ক্লিয়ারেন্স
অংশীদারি চুক্তিপত্র ও রেজিস্ট্রেশন
একমালিকানা ব্যবসা
কোন কাঠামো: কোম্পানি, অংশীদারি, একমালিকানা না ওপিসি
ওয়ান পারসন কোম্পানি (ওপিসি)
নাম পরিবর্তন ও সংঘ স্মারক সংশোধন
শেয়ার হস্তান্তরের নিয়ম
মূলধন বৃদ্ধি
বার্ষিক রিটার্ন, এজিএম ও জরিমানা
কোম্পানির পরিচালক
বোর্ড সভা ও রেজুলেশন নমুনা
অংশীদারি ব্যবসা বিলুপ্তি
বায়িং হাউজ ও ইনডেন্টিং ব্যবসা
সোসাইটি, ট্রাস্ট ও ফাউন্ডেশন রেজিস্ট্রেশন
কোম্পানি আইন ১৯৯৪ ব্যাখ্যা
কোম্পানি অবসায়ন
নতুন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স, টিন ও বিন
শেয়ারহোল্ডার বিরোধের প্রতিকার (ধারা ২৩৩)
ব্যবসা থামানো কোম্পানি?
নাম পাঠান; আরজেএসসির নথি দেখে বলি স্ট্রাইক-অফ না অবসায়ন সঠিক প্রস্থান, আর খরচ কত। লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে।

মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম প্রশ্ন বা মতামত আপনিই লিখুন।