ওয়ান পারসন কোম্পানি (ওপিসি): কে পারবেন, কীভাবে নিবন্ধন করবেন, কী দাখিল করতে হবে
কোম্পানি (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন ২০২০ প্রথমবার বাংলাদেশে একজন স্বাভাবিক ব্যক্তিকে একাই লিমিটেড কোম্পানির মালিক হতে দিয়েছে। পাঁচ বছর পরে এমন কোম্পানি কয়েকশও নেই, কারণ সংসদ যে সীমা জুড়ে দিয়েছে — নিচের দিকে ২৫ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন ও ১ কোটি টাকা টার্নওভার — তা যে একক ব্যবসায়ীদের জন্য ঘোষণা হয়েছিল তাঁদের নাগালের বাইরে। এই গাইডে ধারা ৩৯২ক থেকে ৩৯২ঠ-এ আইন আসলে কী বলে, নিবন্ধনের ধাপ, দাখিলের ক্যালেন্ডার, মনোনীত ব্যক্তি, ভেতরে-বাইরে রূপান্তর, আর ২০২৬-এর যে খসড়া সংশোধনী অঙ্কগুলো বদলাবে।
- ওপিসির একজন শেয়ারহোল্ডার, যিনি স্বাভাবিক ব্যক্তি হতে হবে (কোম্পানি নয়) ও যিনি এর পরিচালকও; নাম শেষ হবে "ওপিসি"-তে (ধারা ১১ক)। শেয়ারহোল্ডার সংঘ স্মারকে একজন মনোনীত ব্যক্তির নাম দেন, যিনি মৃত্যু বা অক্ষমতায় শেয়ার পান।
- সীমা: পরিশোধিত মূলধন অন্তত ২৫ লাখ ও সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা, আর আগের অর্থবছরের টার্নওভার অন্তত ১ কোটি ও সর্বোচ্চ ৫০ কোটি টাকা (ধারা ৩৯২গ)। ঊর্ধ্বসীমা পেরোলে ওপিসিকে প্রাইভেট বা পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তরিত হতে হয়।
- নিবন্ধন app.roc.gov.bd-তে প্রাইভেট কোম্পানির প্রক্রিয়ায়, তফসিল ৯ক/৯খ-এর সংঘ স্মারক ও সংঘবিধি, মনোনীত ব্যক্তির লিখিত সম্মতি, একই ফি ও স্ট্যাম্প শুল্কে; ২৫ লাখ টাকা পরিশোধ করে ব্যাংকে দেখাতে হয়।
- কমপ্লায়েন্স হালকা — এজিএম নেই, এক পরিচালক — তবে আর্থিক বিবরণী প্রতি বছর নিবন্ধকের কাছে যায় (ধারা ৩৯২ঝ), হিসাব নিরীক্ষিত হয় (ধারা ৩৯২ঞ), আর পরিচালক সিদ্ধান্ত কার্যবিবরণী বইয়ে লেখেন; এক-শেয়ারহোল্ডার নিয়ম ঋণ ও হস্তান্তরও সীমিত করে (ধারা ৩৯২জ, ৩৯২ট)।
এই গাইডে: আইন কী বলে: ধারা ৩৯২ক থেকে ৩৯২ঠ · নিবন্ধন, ধাপে ধাপে · মনোনীত ব্যক্তি · ওপিসি চালানো: দাখিল, সভা, ঋণ ও হস্তান্তর · রূপান্তর, অবসায়ন ও ২০২৬-এর খসড়া সংশোধনী
সংক্ষেপে উত্তর
আপনি পারবেন যদি আপনি ব্যক্তি হন (বাস্তবে এনআইডিধারী বাংলাদেশি — ফরমে এনআইডি লাগে, আর আইনে বিদেশি মালিকের বিধান নেই), নিবন্ধনে কোম্পানির ব্যাংক হিসাবে ২৫ লাখ টাকা দিতে পারেন, আর ব্যবসা এখনই বা প্রথম দিন থেকে বছরে অন্তত ১ কোটি টাকার টার্নওভার করে। তাহলে: “ওপিসি”-তে শেষ হওয়া নামের ক্লিয়ারেন্স নিন, তফসিল ৯ক ও ৯খ-এর আদর্শ সংঘ স্মারক ও সংঘবিধি গ্রহণ করুন, সম্মতিতে সই করা একজন মনোনীত ব্যক্তির নাম দিন, এনআইডি, ই-টিন, ছবি ও মূলধনের ব্যাংক প্রমাণসহ app.roc.gov.bd-তে দাখিল করুন, নিবন্ধন ফি ও স্ট্যাম্প শুল্ক দিন, আর সনদ নিন — প্রাইভেট কোম্পানির মতোই দুই থেকে চার সপ্তাহ। সীমা পূরণ না হলে সবাই যে বাস্তব পথ নেন তা এক শেয়ার ধরা দ্বিতীয় শেয়ারহোল্ডারসহ প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি (স্ত্রী/স্বামী, বাবা-মা বা ভাইবোন) — আমাদের নিবন্ধন গাইড — নয়তো অঙ্ক কোম্পানির পক্ষে না যাওয়া পর্যন্ত একমালিকানায় থাকুন। ২০২৬-এর খসড়া সংশোধনী নিম্নসীমা ৫ লাখে নামাবে ও টার্নওভার শর্ত বাদ দেবে; তা আইন না হওয়া পর্যন্ত নিবন্ধক ২০২০-এর অঙ্কই প্রয়োগ করেন।
আইন কী বলে: ধারা ৩৯২ক থেকে ৩৯২ঠ
| ধারা | নিয়ম |
|---|---|
| ২(১)(খখ), ১১ক | ওপিসি হলো একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি সদস্যের কোম্পানি; নাম শেষ হয় “ওয়ান পারসন কোম্পানি” বা “ওপিসি”-তে |
| ৩৯২ক | তফসিল ৯ক ও ৯খ-এর ছকে সংঘ স্মারক ও সংঘবিধি |
| ৩৯২খ | শুধু স্বাভাবিক ব্যক্তি গঠন করতে পারেন; এক ব্যক্তি একটিই ওপিসি গঠন করতে ও একটিরই মনোনীত হতে পারেন |
| ৩৯২গ | পরিশোধিত মূলধন ২৫ লাখ–৫ কোটি টাকা; আগের বছরের টার্নওভার ১ কোটি–৫০ কোটি; পেরোলে রূপান্তর |
| ৩৯২ঘ | প্রাইভেট কোম্পানির মতো নিবন্ধন; সংঘ স্মারকে লিখিত সম্মতিসহ মনোনীত ব্যক্তি, নিবন্ধককে নোটিশে বদলযোগ্য |
| ৩৯২ঙ | সদস্যই পরিচালক; ম্যানেজার বা সচিব নিয়োগ করতে পারেন |
| ৩৯২চ | পঞ্জিকাবর্ষের প্রতি অর্ধে অন্তত একটি বোর্ড সভা (কিছু সূত্রে বছরে একটি — আমরা বাংলা পাঠ অনুসরণ করি; আমাদের সঙ্গে নিশ্চিত করুন) |
| ৩৯২ছ | সদস্য, মনোনীত ব্যক্তি বা মূলধনের বদল নিবন্ধককে জানানো |
| ৩৯২জ | শেয়ার শুধু স্বাভাবিক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তরযোগ্য; হস্তান্তরকারী নিবন্ধকের সামনে হাজির হন (বা বিদেশে মিশনের সামনে সই) |
| ৩৯২ঝ | বছর শেষের ১৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধকের কাছে আর্থিক বিবরণী (কিছু সূত্রে ১৮০) |
| ৩৯২ঞ | বার্ষিক নিরীক্ষা |
| ৩৯২ট | ঋণ: সদস্যের লিখিত অনুমোদন লাগে ও রেকর্ড হয় |
| ৩৯২ঠ | সদস্যের স্বেচ্ছা অবসায়ন |
রূপান্তরের শর্তে — মূলধন ও টার্নওভার দুটি ঊর্ধ্বসীমাই পেরোতে হবে না যেকোনো একটি — আর সভা ও দাখিলের সময়ে আইনের দুটি পাঠ চালু আছে। বাংলা পাঠই প্রযোজ্য; কোনো ওয়েবসাইটের সঙ্গে আমাদের পাঠ আলাদা হলে ওপরে তা বলেছি আর নির্দেশনা পেলে গেজেটের সঙ্গে মিলিয়ে নিশ্চিত করব।
নিবন্ধন, ধাপে ধাপে
- “ওপিসি”-তে শেষ হওয়া নামে app.roc.gov.bd-তে নাম ক্লিয়ারেন্স (৫০০ টাকা + ভ্যাট; আমাদের নাম ক্লিয়ারেন্স গাইড দেখুন)।
- ব্যাংকে মূলধন: প্রস্তাবিত নামে অস্থায়ী হিসাব খুলে অন্তত ২৫ লাখ টাকা জমা দিন; ব্যাংকের চিঠি বা স্টেটমেন্ট প্রমাণ হিসেবে আপলোড হয়। বেশির ভাগ আবেদনকারী এই ধাপেই থামেন।
- দলিল: তফসিল ৯ক/৯খ অনুযায়ী সংঘ স্মারক ও সংঘবিধি (উদ্দেশ্য, মূলধন, সদস্য ও মনোনীত ব্যক্তির নাম), মনোনীত ব্যক্তির সই করা সম্মতি, পরিচালক হিসেবে কাজের সম্মতি ফরম ৯, সদস্য ও মনোনীত ব্যক্তির এনআইডি, ই-টিন ও ছবি, আর নিবন্ধিত কার্যালয়ের ঠিকানা।
- ফি: অনুমোদিত মূলধনে প্রাইভেট কোম্পানির নিবন্ধন ফি (১০ লাখ পর্যন্ত শূন্য, ৫০ লাখ পর্যন্ত লাখে ৮০, ওপরে লাখে ১৩০ টাকা), দলিলপ্রতি ২০০ টাকা ফাইলিং ফি, ১৫% ভ্যাট, আর সংঘবিধিতে স্ট্যাম্প শুল্ক (৪০ লাখ অনুমোদিত পর্যন্ত ১০,০০০; ১২ কোটি পর্যন্ত ৩০,০০০) ও সংঘ স্মারকে ২,০০০ টাকা। আমাদের নিবন্ধন গাইডের হিসাবযন্ত্র ব্যবহার করুন — অঙ্ক একই।
- নামে “ওপিসি”-সহ সনদ, ডিজিটাল সংঘ স্মারক ও সংঘবিধি, তারপর ই-টিন, ট্রেড লাইসেন্স, বিন ও স্থায়ী ব্যাংক হিসাব।
সময়: মূলধন তৈরি থাকলে নাম ক্লিয়ারেন্স থেকে দুই থেকে চার সপ্তাহ। আরজেএসসি ২০২১-এ প্রথম ওপিসি আবেদন নিয়েছে ও ডেস্ক এই রূপের সঙ্গে পরিচিত, তবে মনোনীত ব্যক্তির সম্মতি ও ব্যাংক প্রমাণে কোয়েরি আশা করুন।
মনোনীত ব্যক্তি
মনোনীত ব্যক্তি তিনি, যিনি মালিক মারা গেলে বা অক্ষম হলে সদস্য হন, যাতে প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে কোম্পানি মারা না যায় — সীমিত দায়ের বাইরে একমালিকানার চেয়ে ওপিসির একমাত্র প্রকৃত সুবিধা। মনোনীত ব্যক্তিকে স্বাভাবিক ব্যক্তি হতে হবে, লিখিত সম্মতি দিতে হবে, একজনেরই মনোনীত হতে পারবেন, আর নোটিশে সরে যেতে পারবেন; সদস্য ধারা ৩৯২ঘ-এ নিবন্ধককে নোটিশ দিয়ে মনোনীত ব্যক্তি বদলাতে পারেন। সদস্য জীবিত থাকতে মনোনীত ব্যক্তির কোনো অধিকার নেই। এমন কাউকে মনোনীত করুন যিনি সত্যিই ব্যবসা চালাতে বা বিক্রি করতে পারবেন, আর পরিবারকে বলুন কাগজ কোথায়; যে ওপিসির সদস্য মারা গেলেন আর মনোনীত ব্যক্তি বিদেশে চলে গেছেন, আদালত হস্তক্ষেপ না করা পর্যন্ত সেই কোম্পানির পক্ষে কেউ কাজ করতে পারে না।
ওপিসি চালানো: দাখিল, সভা, ঋণ ও হস্তান্তর
এজিএম লাগে না, একক পরিচালক কার্যবিবরণী বইয়ে লিখে রেজুলেশন পাস করেন, তবে আইন এখনো ধারা ৩৯২চ-এর হারে বোর্ড সভা, বার্ষিক নিরীক্ষা (ধারা ৩৯২ঞ) ও ধারা ৩৯২ঝ-এর সময়ে নিবন্ধকের কাছে আর্থিক বিবরণী দাখিল আশা করে, সঙ্গে সাধারণ বার্ষিক রিটার্ন ও বছর শেষের পরে সপ্তম মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে কোম্পানির আয়কর রিটার্ন। সদস্যের কাছ থেকে বা সদস্যকে ঋণে লিখিত অনুমোদন ও রেকর্ড লাগে (ধারা ৩৯২ট); ব্যাংক তা চাইবে। শেয়ার হস্তান্তর শুধু অন্য স্বাভাবিক ব্যক্তির কাছে, আর হস্তান্তরকারীকে সশরীরে নিবন্ধকের সামনে হাজির হতে বা বাংলাদেশ মিশনের সামনে সই করতে হয় (ধারা ৩৯২জ), যা ওপিসি বিক্রিকে প্রাইভেট কোম্পানি বিক্রির চেয়ে ধীর করে। সদস্য, মনোনীত ব্যক্তি বা মূলধনের বদল নিবন্ধকের ফরমে নির্ধারিত সময়ে ধারা ৩৯২ছ-এ জানাতে হয়। বাকি সব — ফরম ১২, নিবন্ধিত কার্যালয়, নাম বদল — আমাদের অন্য গাইডের প্রাইভেট কোম্পানির নিয়মে।
রূপান্তর, অবসায়ন ও ২০২৬-এর খসড়া সংশোধনী
বড় হয়ে বেরোনো: পরিশোধিত মূলধন ৫ কোটি বা টার্নওভার ৫০ কোটি টাকা ছাড়ালে ওপিসিকে সদস্য যোগ করে, সংঘ স্মারক ও সংঘবিধি বদলে ও নিবন্ধককে জানিয়ে প্রাইভেট কোম্পানিতে (৫০ সদস্যের ওপরে পাবলিক) রূপান্তরিত হতে হয়; যে বছর সীমা পেরোয় তার শেষের পরে আইন এর জন্য সময় দেয়। ভেতরে আসা: সদস্য বাদ দিয়ে প্রাইভেট কোম্পানির ওপিসি হওয়ার বিধান আইনে নেই; বাস্তবে নতুন ওপিসি গঠন করে ব্যবসা হস্তান্তরে তা হয়। অবসায়ন: সদস্য ধারা ৩৯২ঠ-এ স্বেচ্ছায় অবসায়ন করতে পারেন, বা কোম্পানি নিষ্ক্রিয় হলে ধারা ৩৪৬-এর স্ট্রাইক-অফ — আমাদের স্ট্রাইক-অফ গাইড দেখুন। আগস্ট ২০২৬ থেকে সরকারের বিবেচনায় থাকা খসড়া কোম্পানি (তৃতীয় সংশোধন) আইন ২০২৬-এ পরিশোধিত মূলধন ৫ লাখ থেকে ৫০ কোটি টাকা, টার্নওভার শর্ত বাদ, আর মূলধন ও টার্নওভার দুটিই ১০০ কোটি ছাড়ালে তবেই রূপান্তরের প্রস্তাব আছে। খসড়ামতো পাস হলে সাধারণ ছোট ব্যবসার জন্য ওপিসি ব্যবহারযোগ্য হবে; আইন গেজেট হওয়ার সপ্তাহেই আমরা এই গাইড ও ওপরের অঙ্ক হালনাগাদ করব।
যোগ্যতা যাচাই
মূলধন, টার্নওভার, মনোনীত ব্যক্তি, আর নামমাত্র দ্বিতীয় শেয়ারহোল্ডারসহ প্রাইভেট কোম্পানি আপনার জন্য ভালো কি না।
নিবন্ধন
নাম ক্লিয়ারেন্স, তফসিল ৯ক/৯খ গঠনতন্ত্র, মনোনীত ব্যক্তির সম্মতি, ব্যাংক প্রমাণ ও আরজেএসসিতে দাখিল।
বার্ষিক কমপ্লায়েন্স
নিরীক্ষা, নিবন্ধকের কাছে আর্থিক বিবরণী, কার্যবিবরণী বই, বার্ষিক রিটার্ন ও কর রিটার্ন ক্যালেন্ডারে।
রূপান্তর
সীমা পেরোলে বা সংশোধনী পাস হলে প্রাইভেট কোম্পানিতে বা থেকে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
বাংলাদেশে ওয়ান পারসন কোম্পানি কী?
একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি শেয়ারহোল্ডারের লিমিটেড কোম্পানি, যিনি এর পরিচালকও, কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ধারা ৩৯২ক–ঠ-এ (২০২০-এ সন্নিবেশিত) সৃষ্ট। নাম শেষ হয় "ওপিসি"-তে।
ওপিসির মূলধন ও টার্নওভারের সীমা কত?
পরিশোধিত মূলধন অন্তত ২৫ লাখ ও সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা, আর আগের বছরের টার্নওভার ১ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকা (ধারা ৩৯২গ)। ২০২৬-এর খসড়া সংশোধনীতে ৫ লাখ টাকা ও টার্নওভার শর্ত ছাড়ার প্রস্তাব; তা আইন নয়।
বিদেশি কি বাংলাদেশে ওপিসি গঠন করতে পারেন?
আইন বলে না, তবে আরজেএসসির ফরমে এনআইডি লাগে, তাই বাস্তবে শুধু বাংলাদেশি নাগরিক পারেন। বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি করেন।
ওপিসিতে কি এজিএম লাগে?
না। একক পরিচালক কার্যবিবরণী বইয়ে সিদ্ধান্ত লেখেন ও ধারা ৩৯২চ-এর হারে বোর্ড সভা করেন, তবে সাধারণ সভা নেই।
ওপিসিতে মনোনীত ব্যক্তি কে?
সংঘ স্মারকে লিখিত সম্মতিসহ নাম দেওয়া একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি, যিনি মালিক মারা গেলে বা অক্ষম হলে সদস্য হন। মালিক নিবন্ধককে নোটিশ দিয়ে মনোনীত ব্যক্তি বদলাতে পারেন।
ওপিসিকে প্রতি বছর কী দাখিল করতে হয়?
নিবন্ধকের কাছে নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী (ধারা ৩৯২ঝ), বার্ষিক রিটার্ন ও কোম্পানির আয়কর রিটার্ন; সদস্য, মনোনীত ব্যক্তি বা মূলধনের বদল ধারা ৩৯২ছ-এ জানাতে হয়।
ওপিসি কি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত হতে পারে?
হ্যাঁ, আর পরিশোধিত মূলধন ৫ কোটি বা টার্নওভার ৫০ কোটি টাকা ছাড়ালে হতেই হয়: সদস্য যোগ, গঠনতন্ত্র সংশোধন ও নিবন্ধককে অবহিতকরণ।
ওপিসি নিবন্ধনে খরচ কত?
প্রাইভেট কোম্পানির মতোই: অনুমোদিত মূলধনে নিবন্ধন ফি, দলিলপ্রতি ২০০ টাকা, ১৫% ভ্যাট, আর সংঘবিধিতে ১০,০০০–৩০,০০০ ও সংঘ স্মারকে ২,০০০ টাকা স্ট্যাম্প শুল্ক — তবে ২৫ লাখ টাকা মূলধন সত্যিই জমা দিতে হয়।
ব্যবসা ও কোম্পানি বিষয়ে আরও পড়ুন
আরজেএসসিতে কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন, অংশীদারি ব্যবসা, পরিচালক, শেয়ার ও মূলধন, বার্ষিক রিটার্ন ও ব্যবসা বন্ধ।
কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম
আরজেএসসি অনলাইন: সার্চ, স্ট্যাটাস, সনদ
আরজেএসসি নাম ক্লিয়ারেন্স
অংশীদারি চুক্তিপত্র ও রেজিস্ট্রেশন
একমালিকানা ব্যবসা
কোন কাঠামো: কোম্পানি, অংশীদারি, একমালিকানা না ওপিসি
নাম পরিবর্তন ও সংঘ স্মারক সংশোধন
শেয়ার হস্তান্তরের নিয়ম
মূলধন বৃদ্ধি
বার্ষিক রিটার্ন, এজিএম ও জরিমানা
কোম্পানির পরিচালক
বোর্ড সভা ও রেজুলেশন নমুনা
অংশীদারি ব্যবসা বিলুপ্তি
বায়িং হাউজ ও ইনডেন্টিং ব্যবসা
সোসাইটি, ট্রাস্ট ও ফাউন্ডেশন রেজিস্ট্রেশন
কোম্পানি আইন ১৯৯৪ ব্যাখ্যা
অবসায়ন ছাড়া কোম্পানি বন্ধ
কোম্পানি অবসায়ন
নতুন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স, টিন ও বিন
শেয়ারহোল্ডার বিরোধের প্রতিকার (ধারা ২৩৩)
ওপিসি নিয়ে ভাবছেন?
আপনার মূলধন ও টার্নওভার জানান; আপনি পারবেন কি না আর এটি সঠিক রূপ কি না নিশ্চিত করে দিই। লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে।

মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম প্রশ্ন বা মতামত আপনিই লিখুন।