জমির খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) অনলাইনে দেওয়ার নিয়ম, হার ও বকেয়া
জমির মালিককে প্রতি বছর সরকারকে যে কর দিতে হয়, সেটিই ভূমি উন্নয়ন কর, লোকমুখে খাজনা। ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী এখন খাজনা দিতে হয় অনলাইনে, অর্থবছর ধরে, আর বকেয়া খাজনা কখনো তামাদি হয় না। এই গাইডে হার, অনলাইনে দেওয়ার ধাপ এবং ভুল বকেয়া ঠিক করার উপায় বলা হলো।
- কর বছর ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন। জরিমানা এড়াতে ৩০ জুনের মধ্যে খাজনা দিন।
- কৃষির ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি বা পরিবারের ২৫ বিঘা (৮.২৫ একর) পর্যন্ত কৃষি জমির খাজনা মওকুফ।
- বকেয়ায় বছরে ৬.২৫% জরিমানা, তিন বছর পর সার্টিফিকেট মামলা। খাজনার দাবি কখনো তামাদি হয় না।
- দাখিলা খাজনা পরিশোধের প্রমাণ, জমির মালিকানার প্রমাণ নয়।
এই গাইডে: জমির খাজনা কত টাকা শতক? · অনলাইনে খাজনা দেওয়ার নিয়ম: ধাপে ধাপে · বকেয়া খাজনা: কত বছরের দিতে হবে, জরিমানা কত? · নামজারির পর হোল্ডিং পাওয়া যাচ্ছে না বা ভুল বকেয়া দেখাচ্ছে: করণীয় · খাজনা দিলে কি জমির মালিকানা প্রমাণ হয়?
সংক্ষেপে উত্তর
খাজনা দিতে হয় ldtax.gov.bd ওয়েবসাইটে। মোবাইল নম্বর, এনআইডি ও জন্মতারিখ দিয়ে নিবন্ধন করুন, তারপর খতিয়ান দিয়ে আপনার হোল্ডিং যুক্ত করুন। ভূমি অফিস রেকর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে অনুমোদন দিলে বিকাশ, নগদ, রকেট বা কার্ডে টাকা দিয়ে দাখিলা ডাউনলোড করুন। কর বছর জুলাই থেকে জুন, চলতি বছরের খাজনা ৩০ জুনের মধ্যে দিতে হয়। কৃষির ওপর নির্ভরশীল পরিবারের ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমির খাজনা লাগে না। অন্য জমির হার নির্ভর করে এলাকা ও জমির ব্যবহারের ওপর। টানা তিন বছর খাজনা না দিলে বছরে ৬.২৫% জরিমানাসহ সার্টিফিকেট মামলায় আদায় করা যায়।
জমির খাজনা কত টাকা শতক?
খাজনার হার নির্ভর করে দুটি বিষয়ের ওপর: জমিটি কৃষি না অকৃষি, এবং জমিটি কোন এলাকায়।
- কৃষি জমি। ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২৩-এর ৩ ধারা অনুযায়ী কৃষির ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি বা পরিবারের মোট ৮.২৫ একর (২৫ বিঘা) পর্যন্ত কৃষি জমির খাজনা মওকুফ। আখ চাষের জমি, লবণ চাষের জমি ও কৃষকের নিজের পুকুরও কৃষি জমি ধরা হয়, তবে বাণিজ্যিক মৎস্য খামার নয়। পরিবারের জমি ২৫ বিঘার বেশি হলে শুধু বাড়তি অংশ নয়, পুরো জমির ওপরই খাজনা দিতে হবে।
- অকৃষি জমি। ৪ ধারা অনুযায়ী সরকার প্রজ্ঞাপন দিয়ে শতাংশ প্রতি হার ঠিক করে: এলাকার শ্রেণি এবং ব্যবহার (বাণিজ্যিক, শিল্প, আবাসিক ও অন্যান্য) অনুযায়ী। বর্তমানে চালু তফসিলে দেশকে ছয়টি এলাকা-শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে, বড় সিটি করপোরেশন থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত। সবচেয়ে বেশি হার শীর্ষ শ্রেণির বাণিজ্যিক জমিতে, সবচেয়ে কম ইউনিয়নের আবাসিক জমিতে।
আরও কয়েকটি নিয়ম মোট অঙ্কে প্রভাব ফেলে। শতাংশের ভগ্নাংশ থাকলে পুরো এক শতাংশ ধরা হয় (১১ ধারা)। এক খতিয়ানে একাধিক মালিক থাকলে প্রত্যেকে নিজের রেকর্ডীয় অংশ অনুযায়ী খাজনা দেন (৬ ধারা)। একই মৌজায় একজনের একাধিক খতিয়ান থাকলে সব মিলিয়ে একটি জমাবন্দি হয় (১০ ধারা)।
হার প্রজ্ঞাপন দিয়ে বদলায়, তাই ভিডিও বা পুরোনো পোস্টের অঙ্কে ভরসা করবেন না। ldtax.gov.bd-তে হোল্ডিং যুক্ত হলে পোর্টাল নিজেই আপনার খাজনা হিসাব করে দেখায়। প্রতি বছর জুলাইয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিস খাজনার তালিকা করে এবং মালিককে এসএমএস পাঠানো হয়।
অনলাইনে খাজনা দেওয়ার নিয়ম: ধাপে ধাপে
- নিবন্ধন। ldtax.gov.bd-তে নাগরিক নিবন্ধনে গিয়ে মোবাইল নম্বর, এনআইডি নম্বর ও জন্মতারিখ দিন। ওটিপি দিয়ে নিশ্চিত করে পাসওয়ার্ড ঠিক করুন।
- হোল্ডিং যুক্ত করা। বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজা ও খতিয়ান নম্বর দিন। খতিয়ান বা নামজারি খতিয়ান এবং শেষ দাখিলা থাকলে তার ছবি আপলোড করুন। ইউনিয়ন ভূমি অফিস রেজিস্টারের সঙ্গে মিলিয়ে হোল্ডিংটি আপনার অ্যাকাউন্টে যুক্ত করবে।
- দাবি যাচাই। হোল্ডিং খুলে জমির পরিমাণ, জমির শ্রেণি ও বকেয়া দেখুন। কিছু ভুল থাকলে টাকা দেওয়ার আগে আপত্তি অপশন ব্যবহার করুন।
- পরিশোধ। বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়, কার্ড বা সোনালী ব্যাংকে টাকা দিন।
- দাখিলা ডাউনলোড। অনলাইন দাখিলায় কিউআর কোড থাকে, যা স্ক্যান করে যে কেউ যাচাই করতে পারে দাখিলাটি আসল কি না। পিডিএফ সংরক্ষণ করুন, একটি প্রিন্টও রাখুন।
ভূমি অফিস এখন খাজনার টাকা নগদে নেয় না। পেমেন্ট অপশন না এলে সাধারণত বুঝতে হবে হোল্ডিং এখনো অনুমোদিত হয়নি বা তাতে ভুল আছে। ভূমিসেবা হেল্পলাইন ১৬১২২-এ ফোন করুন অথবা কাগজ নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান। পোর্টাল “ঠিক করে দেওয়ার” নামে দালালকে টাকা দেবেন না। সরকারি খাজনার বাইরে আপনার কোনো দেনা নেই।
বকেয়া খাজনা: কত বছরের দিতে হবে, জরিমানা কত?
৭ ধারা অনুযায়ী প্রতি বছরের খাজনা সেই বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত জরিমানা ছাড়া দেওয়া যায়। এরপর তা বকেয়া হয়ে যায় (৯ ধারা)। চাইলে সর্বোচ্চ তিন বছরের খাজনা অগ্রিমও দেওয়া যায়।
টানা তিন বছর খাজনা না দিলে ৯(২) ধারা প্রযোজ্য হয়। তখন বকেয়া খাজনা বছরে ৬.২৫% হারে জরিমানাসহ আদায় করা হয়, আইন প্রথম থেকে তৃতীয় বছর পর্যন্ত এই জরিমানা ধরে। তৃতীয় বছর শেষে পাবলিক ডিমান্ডস রিকভারি অ্যাক্ট, ১৯১৩ অনুযায়ী সার্টিফিকেট মামলা করে টাকা আদায় করা যায়। এই আইনে মালিকের সম্পত্তি ক্রোক এবং শেষ পর্যন্ত নিলামও হতে পারে।
দুটি বিষয়ে অনেকে ভুল ধারণা রাখেন:
- বকেয়া তামাদি হয় না। ৯(৫) ধারায় বলা আছে, ভূমি উন্নয়ন করের দাবি কখনো তামাদি হবে না। যত বছরের খাজনা সত্যিই বাকি, অফিস ততদিনেরটাই দাবি করতে পারে। আসল প্রশ্ন হলো রেকর্ডের হিসাবটি ঠিক কি না।
- টাকা দিলে মামলা শেষ। সার্টিফিকেট মামলা চলার সময় জরিমানাসহ বকেয়া দিয়ে দিলে মামলা প্রত্যাহার করতে হয়। দাবিটিই ভুল মনে করলে নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে দায় অস্বীকার করে আপত্তি দেওয়া যায়।
বকেয়া থাকলে নামজারি, জমি বিক্রির রেজিস্ট্রি আর ব্যাংক ঋণেও আটকে যেতে হয়। তাই আগেভাগে মিটিয়ে ফেলুন।
নামজারির পর হোল্ডিং পাওয়া যাচ্ছে না বা ভুল বকেয়া দেখাচ্ছে: করণীয়
সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এটাই। ক্রেতা নামজারি করলেন, তাঁর নামে নতুন হোল্ডিং খুলল, আর পোর্টালে দেখাচ্ছে পাঁচ বছরের বকেয়া। অথচ বিক্রেতা প্রতি বছর খাজনা দিয়েছেন।
সাধারণত যা ঘটে: বিক্রেতার পরিশোধ পুরোনো হোল্ডিংয়ে রয়ে গেছে, নতুন হোল্ডিংয়ে সমন্বয় হয়নি। অথবা নতুন হোল্ডিং ভুল পরিমাণ বা ভুল জমির শ্রেণি দিয়ে খোলা হয়েছে।
- বিক্রেতার দাখিলা, আপনার দলিল, নামজারির আদেশ ও নতুন খতিয়ান (ডিসিআর) একসঙ্গে রাখুন।
- আগের দাখিলার সঙ্গে বকেয়া সমন্বয়ের জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে লিখিত আবেদন দিন। রেকর্ড রাখতে পোর্টালের আপত্তি অপশনও ব্যবহার করুন।
- নামজারির পর জমির শ্রেণি বদলে গেলে (যেমন কৃষি থেকে আবাসিক), সংশোধনের আবেদন করুন। খাজনা ঠিক হয় জমির প্রকৃত ব্যবহার অনুযায়ী (৪ ধারা)। জমিতে এখনো চাষ হলে ছবি ও স্থানীয় প্রত্যয়নপত্র দিন।
- অফিস ঠিক না করলে খাজনার তালিকা প্রকাশ বা এসএমএস পাওয়ার ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর কাছে পুনরীক্ষণের আবেদন করুন (১৬ ধারা)। তাঁর আদেশের বিরুদ্ধে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে আপিল করা যায় (১৭ ধারা)। সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
হোল্ডিং একেবারেই খুঁজে না পেলে সম্ভবত খতিয়ানটি এখনো ডিজিটাল রেজিস্টারে ওঠেনি। আগে ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে সেটি যুক্ত করতে হবে। আবেদনের প্রাপ্তিস্বীকারপত্র নিয়ে রাখুন।
খাজনা দিলে কি জমির মালিকানা প্রমাণ হয়?
না। দাখিলা প্রমাণ করে যে একটি হোল্ডিংয়ের খাজনা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের টানা দাখিলাকে আদালত দখলের ও দাবির ভালো প্রমাণ হিসেবে দেখে, কিন্তু মালিকানার প্রমাণ হিসেবে নয়।
মালিকানা আসে বৈধ দলিল বা উত্তরাধিকার থেকে, সঙ্গে থাকে খতিয়ান ও নামজারি। অন্যের জমির খাজনা দিলে সেই জমিতে কোনো অধিকার জন্মায় না। আবার অন্য কেউ খাজনা দিচ্ছে বলে প্রকৃত মালিক জমি হারান না।
তবু দাখিলা যত্ন করে রাখুন। জমি বিক্রির সময় ক্রেতা ও সাব-রেজিস্ট্রার হালনাগাদ খাজনা দেখতে চাইবেন, আর পরে কোনো বিরোধ হলে পরিশোধের পরিষ্কার ইতিহাস কাজে লাগে। ওয়ারিশদের মনে রাখা দরকার, মৃত বাবা বা মায়ের নামে খাজনা দিলে জমি ভাগ হয় না, ওয়ারিশদের নামেও ওঠে না। তার জন্য ওয়ারিশ সনদ ও নামজারি লাগবে। দেখুন আমাদের নামজারি গাইড।
নিবন্ধন
মোবাইল নম্বর, এনআইডি ও জন্মতারিখ দিয়ে ldtax.gov.bd-তে নিবন্ধন করুন।
হোল্ডিং যুক্ত করুন
খতিয়ান ও শেষ দাখিলা আপলোড করুন, ভূমি অফিস যাচাই করবে।
যাচাই করে পরিশোধ
পরিমাণ, শ্রেণি ও বকেয়া মিলিয়ে মোবাইল ব্যাংকিং বা কার্ডে টাকা দিন।
দাখিলা রাখুন
কিউআর কোডসহ দাখিলা ডাউনলোড করে দলিলের সঙ্গে রাখুন।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
অনলাইনে খাজনা দেওয়ার নিয়ম কী?
মোবাইল নম্বর, এনআইডি ও জন্মতারিখ দিয়ে ldtax.gov.bd-তে নিবন্ধন করুন, তারপর খতিয়ান দিয়ে হোল্ডিং যুক্ত করুন। ইউনিয়ন ভূমি অফিস অনুমোদন দিলে বিকাশ, নগদ, রকেট, কার্ড বা সোনালী ব্যাংকে টাকা দিয়ে কিউআর কোডসহ দাখিলা নামিয়ে নিন। ভূমি অফিস এখন নগদ টাকা নেয় না।
জমির খাজনা কত টাকা শতক ২০২৬?
হার নির্ভর করে জমির ব্যবহার ও এলাকার শ্রেণির ওপর। কৃষির ওপর নির্ভরশীল পরিবারের ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমির খাজনা মওকুফ। অকৃষি জমির হার সরকার প্রজ্ঞাপন দিয়ে শতাংশ প্রতি ঠিক করে, সবচেয়ে বেশি বড় সিটি করপোরেশনের বাণিজ্যিক জমিতে। আপনার হোল্ডিংয়ের সঠিক অঙ্ক পোর্টালেই দেখা যায়।
২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমির খাজনা কি মওকুফ?
হ্যাঁ, যদি মালিক কৃষির ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি বা পরিবার হন এবং মোট কৃষি জমি ৮.২৫ একর বা ২৫ বিঘার বেশি না হয়। এর বেশি হলে পুরো জমির ওপরই খাজনা দিতে হয়। বাণিজ্যিক মৎস্য খামার মওকুফের আওতায় পড়ে না।
বকেয়া খাজনা কত বছরের দিতে হয়?
কোনো সময়সীমা নেই। ২০২৩ সালের আইন বলছে, ভূমি উন্নয়ন করের দাবি কখনো তামাদি হয় না। টানা তিন বছর না দিলে বছরে ৬.২৫% জরিমানা যোগ হয় এবং অফিস সার্টিফিকেট মামলা করতে পারে। টাকা দেওয়ার আগে দেখে নিন দেখানো বকেয়া সত্যিই বাকি কি না।
নামজারির পর নতুন হোল্ডিংয়ে বকেয়া দেখাচ্ছে কেন?
সাধারণত বিক্রেতার পরিশোধ পুরোনো হোল্ডিংয়ে রয়ে গেছে, আপনার হোল্ডিংয়ে সমন্বয় হয়নি, অথবা জমির শ্রেণি ভুল বসানো হয়েছে। বিক্রেতার দাখিলা ও নামজারির কাগজ নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আবেদন করুন। সমাধান না হলে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর কাছে পুনরীক্ষণ চান।
দাখিলা কী?
দাখিলা হলো ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের সরকারি রসিদ। ldtax.gov.bd থেকে পাওয়া দাখিলায় কিউআর কোড থাকে, যা দিয়ে আসল কি না যাচাই করা যায়। নামজারি, জমি বিক্রি ও বেশিরভাগ ব্যাংক ঋণে হালনাগাদ দাখিলা লাগে।
খাজনা দিলে কি জমির মালিক হওয়া যায়?
না। দাখিলা দেখায় খাজনা দেওয়া হয়েছে এবং দখলের প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগতে পারে, কিন্তু মালিকানা নির্ভর করে বৈধ দলিল বা উত্তরাধিকার, খতিয়ান ও নামজারির ওপর। অন্যের জমির খাজনা দিলে সেই জমির মালিক হওয়া যায় না।
ওয়ারিশ হয়ে কি মৃত বাবার জমির খাজনা অনলাইনে দেওয়া যায়?
সাধারণত মৃত বাবা বা মায়ের নামের হোল্ডিংয়ের খাজনা ওয়ারিশরা অনলাইনে বা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দিতে পারেন। কিন্তু এতে জমি ওয়ারিশদের নামে যায় না। নিজেদের নামে রেকর্ড করাতে ওয়ারিশ সনদ ও নামজারি লাগবে।
জমি ও সম্পত্তি বিষয়ে আরও পড়ুন
নিরাপদে জমি কেনা, নামজারি ও বেদখল জমি উদ্ধার।
বকেয়া, ভুল জমির শ্রেণি বা হোল্ডিং খুঁজে পাচ্ছেন না?
খতিয়ান ও দাখিলা পাঠান, আইনসম্মতভাবে দ্রুত সমাধানের পথ আমরা জানিয়ে দেব। লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে।

মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম প্রশ্ন বা মতামত আপনিই লিখুন।