Skip to content

বিদেশ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি: দূতাবাসে সত্যায়ন, ডিসি অফিসে স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম

দেশে না এসে জমি বিক্রি বা দেখাশোনা, মামলা পরিচালনা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা বা সরকারি দপ্তরে আবেদন, প্রবাসী বাংলাদেশি, বিদেশি বিনিয়োগকারী ও বিদেশি কোম্পানি এসব কাজ করেন পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে। আবার সবচেয়ে বেশি অপব্যবহারও হয় এই দলিলেরই। এই লেখায় আছে বিদেশে কীভাবে সম্পাদন করলে দেশে তা গ্রহণযোগ্য হবে, আর ঝুঁকি কীভাবে সীমিত রাখবেন।

পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন ২০১২পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালা ২০১৫ (ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সংশোধিত)স্ট্যাম্প আইন ১৮৯৯, ধারা ১৮রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮
শেয়ার করুন
গ্লোব, এয়ারমেইল খাম ও সিলমোহরযুক্ত দলিল: বিদেশ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি
এক নজরে
  • বাংলাদেশ মিশনে, অথবা গ্রহণযোগ্য হলে নোটারি ও অ্যাপোস্টিলের মাধ্যমে সম্পাদন
  • ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে এনআইডি, জন্মসনদ বা এনভিআর সিলযুক্ত বিদেশি পাসপোর্ট দিয়েও করা যায়
  • সত্যায়নের ছয় মাসের মধ্যে মূল দলিল দেশে পাঠাতে হবে
  • দেশে পৌঁছানোর তিন মাসের মধ্যে স্ট্যাম্প; জমি ও অপ্রত্যাহারযোগ্য হলে রেজিস্ট্রি

এই গাইডে: সঠিক ধরন বেছে নেওয়া · বিদেশে সম্পাদন · দেশে যে ধাপগুলো · বিদেশি কোম্পানি ও বিদেশি নাগরিক · অ্যাটর্নি কী পারেন, কী পারেন না · অপব্যবহার ঠেকানোর উপায় · বাতিল ও সমাপ্তি · দাতা দেশে আসতে পারলে

সংক্ষেপে

বিদেশে সম্পাদিত যে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাংলাদেশে ব্যবহার হবে, তা বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটে সই বা সত্যায়ন করাতে হয়। অথবা যে দেশে সই করছেন সেটি অ্যাপোস্টিল কনভেনশনের সদস্য হলে এবং সংশ্লিষ্ট অফিস গ্রহণ করলে, নোটারি করে অ্যাপোস্টিল করানো যায়। দেশে পৌঁছানোর তিন মাসের মধ্যে কালেক্টর বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্ট্যাম্প করাতে হয়, আর দলিলটি অপ্রত্যাহারযোগ্য হলে বা জমি বিক্রি ও হস্তান্তরের ক্ষমতা দিলে রেজিস্ট্রিও করাতে হয়। কোনো ধাপ বাদ পড়লে ঠিক যখন দরকার, তখন সাব-রেজিস্ট্রার, ব্যাংক বা আদালত দলিলটি ফিরিয়ে দিতে পারে।

সঠিক ধরন বেছে নেওয়া

  • বিশেষ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি। নির্দিষ্ট কাজের জন্য: তফসিলভুক্ত একটি জমি বিক্রি, একটি নির্দিষ্ট মামলা পরিচালনা, একটি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট চালানো। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটিই উপযুক্ত।
  • সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি। সম্পত্তি বা কাজকর্মের ওপর বিস্তৃত ক্ষমতা। সুবিধাজনক, আর ভুল মানুষের হাতে গেলে সমান বিপজ্জনক।
  • অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি। বিনিময়মূল্যের বিপরীতে দেওয়া, সাধারণত জমি বিক্রি বা ডেভেলপার চুক্তিতে। এটি রেজিস্ট্রি করতে হয়, মেয়াদের মধ্যে ইচ্ছামতো বাতিল করা যায় না, আর আইন অনুযায়ী দাতার মৃত্যুর পরও বহাল থাকে।

উদ্দেশ্য পূরণে যতটুকু ক্ষমতা দরকার, ততটুকুই দিন। জমির ক্ষেত্রে জেলা, উপজেলা, মৌজা, জেএল নম্বর, খতিয়ান ও দাগ নম্বর এবং পরিমাণসহ সম্পত্তির পূর্ণ তফসিল লিখুন।

বিদেশে সম্পাদন

প্রথম পথ: বাংলাদেশ মিশন

দাতা বাংলাদেশ দূতাবাস, হাইকমিশন বা কনস্যুলেটে কনস্যুলার কর্মকর্তার সামনে দাতা ও গ্রহীতা দুজনের ছবি ও পরিচয়পত্রসহ সই করেন এবং কনস্যুলার ফি দেন। বেশিরভাগ মিশন চায় দলিলটি বাংলাদেশের ফরম্যাটে খসড়া করা ও সই না করা অবস্থায় আনা হোক। জমির লেনদেনের জন্য এটিই এখনো সবচেয়ে নিরাপদ পথ, কারণ সাব-রেজিস্ট্রি ও কালেক্টরেট অফিস মিশনে সত্যায়িত দলিলের সঙ্গেই বেশি পরিচিত।

দ্বিতীয় পথ: নোটারি ও অ্যাপোস্টিল

বাংলাদেশ ২৯ জুলাই ২০২৪ হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশনে যোগ দেয়, এবং ৩০ মার্চ ২০২৫ থেকে তা বাংলাদেশের জন্য কার্যকর। কনভেনশনের অন্য সদস্য দেশে নোটারি করা এবং সেই দেশের কর্তৃপক্ষের অ্যাপোস্টিল করা পাওয়ার অব অ্যাটর্নির জন্য আর দূতাবাসের বৈধকরণ লাগে না। দুটি সতর্কতা আছে। প্রথমত, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র ও ফিনল্যান্ড বাংলাদেশের যোগদানে আপত্তি জানিয়েছে, তাই এসব দেশের সঙ্গে কনভেনশন কার্যকর নয়, সেখানকার দলিলে এখনো বৈধকরণ লাগে। দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন ভূমি অফিসের চর্চা এখনো স্থির হয়নি। জমির লেনদেনে অ্যাপোস্টিলের ওপর ভরসা করার আগে গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করুন।

ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর সংশোধনী

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ গেজেটে প্রকাশিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালা ২০১৫-এর সংশোধনী অনুযায়ী বিদেশে থাকা দাতা শুধু বাংলাদেশি পাসপোর্ট নয়, বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মসনদ, অথবা “নো ভিসা রিকোয়ার্ড” সিলযুক্ত বিদেশি পাসপোর্ট দিয়েও পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সম্পাদন করতে পারেন। প্রবাসীদের দ্বিতীয় প্রজন্মের জন্য এটি সবচেয়ে বড় বাধা দূর করেছে। সংশোধনীতে আরও বলা হয়েছে, সত্যায়িত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সত্যায়নের ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশে পাঠাতে হবে।

বিদেশে করা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাংলাদেশে বৈধ করার ধাপ

দেশে যে ধাপগুলো

  • স্ট্যাম্প। স্ট্যাম্প আইন ১৮৯৯-এর ১৮ ধারা অনুযায়ী বিদেশে সম্পাদিত দলিল বাংলাদেশে প্রথম পৌঁছানোর তিন মাসের মধ্যে স্ট্যাম্প করাতে হয়। কালেক্টরের কার্যালয় স্ট্যাম্প ও পৃষ্ঠাঙ্কন করে।
  • রেজিস্ট্রি। অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, এবং জমি বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষমতা দেওয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, রেজিস্ট্রি করতে হয়। বিদেশে সম্পাদিত দলিল দেশে পৌঁছানোর চার মাসের মধ্যে রেজিস্ট্রির জন্য দাখিল করা উচিত।
  • ব্যবহার। রেজিস্ট্রি বা স্ট্যাম্প করা মূল দলিল ও সত্যায়িত কপি নিয়ে সাব-রেজিস্ট্রার, ভূমি অফিস, ব্যাংক বা আদালতে কাজ করা হয়।

দাতা সই করার আগেই কুরিয়ার ও প্রথম অ্যাপয়েন্টমেন্টগুলো ঠিক করে রাখুন। দেশে পৌঁছানোর দিন থেকে গোনা সময়সীমা সহজেই পার হয়ে যায়, যখন দলিলটি কোনো আত্মীয়ের কাছে পড়ে থাকে।

বিদেশি কোম্পানি ও বিদেশি নাগরিক

মামলায়, আরজেএসসি বা ইনভেস্ট বাংলাদেশে (সাবেক বিডা), কিংবা ব্যাংকে কাজ করতে বিদেশি কোম্পানি সাধারণত বোর্ড রেজোলিউশনের ভিত্তিতে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দেয়। রেজোলিউশন ও পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিজ দেশে নোটারি করে অ্যাপোস্টিল বা বৈধকরণ করা হয়, তারপর বাংলাদেশে স্ট্যাম্প করা হয়। মামলায় যথাযথ ক্ষমতাপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩ অনুযায়ী পক্ষের স্বীকৃত প্রতিনিধি হিসেবে আইনজীবী নিয়োগ করতে পারেন। উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পত্তির অধিকারী বিদেশি নাগরিকরাও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মতো একই পথ ব্যবহার করেন।

অ্যাটর্নি কী পারেন, কী পারেন না

অ্যাটর্নি কেবল লিখিত ক্ষমতার মধ্যে কাজ করতে পারেন, আর আদালত ও সাব-রেজিস্ট্রার ক্ষমতাকে কঠোরভাবে পড়েন। জমি “দেখাশোনা” করার ক্ষমতা মানে বিক্রির ক্ষমতা নয়। অ্যাটর্নিকে দিয়ে বিক্রয় দলিলে সই, দাম গ্রহণ, নামজারির আবেদন, কিংবা মামলা দায়ের ও পরিচালনা করাতে চাইলে দলিলে তা স্পষ্টভাবে লিখতে হবে।

অপব্যবহার ঠেকানোর উপায়

  • একটি লেনদেনের জন্য মেয়াদসহ বিশেষ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিন।
  • বিক্রির টাকা অ্যাটর্নির নয়, দাতার নিজের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়ার শর্ত দিন।
  • প্রতিটি দলিল ও রসিদের কপি চেয়ে নিন।
  • অনুমতি ছাড়া কোনো হস্তান্তর হলো কি না, মাঝে মাঝে ভূমি রেকর্ড যাচাই করুন।

বাতিল ও সমাপ্তি

প্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি লিখিতভাবে বাতিল করা যায়। অ্যাটর্নিকে এবং যেসব অফিসে এটি ব্যবহার হয়েছে বা হতে পারে, যেমন সাব-রেজিস্ট্রার, ভূমি অফিস ও ব্যাংক, সবাইকে নোটিশ দিন। রেজিস্ট্রি করা থাকলে বাতিলও রেজিস্ট্রি করুন। কাজ শেষ হলে, মেয়াদ ফুরালে, আর অপ্রত্যাহারযোগ্য না হলে দাতার মৃত্যু বা অক্ষমতায়ও এটি শেষ হয়। অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি মেয়াদের মধ্যে কেবল আইনে বলা কারণ ও পদ্ধতিতেই শেষ করা যায়। অপব্যবহার হয়ে গিয়ে থাকলে দেরি না করে ব্যবস্থা নিন: সৃষ্ট দলিল বাতিলের মামলা এবং প্রতারণার ফৌজদারি মামলা, দুটোই করা যায়।

দাতা দেশে আসতে পারলে

দাতা বাংলাদেশে থাকলে সাধারণত এখানেই সাব-রেজিস্ট্রারের সামনে নিজে উপস্থিত হয়ে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করতে পারেন। এতে দূতাবাস, কুরিয়ার আর দেশে পৌঁছানোর সময়সীমার ঝামেলা থাকে না।

এটি সাধারণ তথ্য, আপনার মামলার পরামর্শ নয়। এখানে আইন ও প্রচলিত প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আপনার কাগজপত্র, ঘটনা ও সংশ্লিষ্ট জেলার চর্চাই ঠিক করবে আপনার ক্ষেত্রে কী প্রযোজ্য।
বিদেশ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি
১

ক্ষমতা ঠিক করে খসড়া

অ্যাটর্নির ক্ষমতা নির্দিষ্ট করুন, জমি হলে পূর্ণ তফসিলসহ বাংলাদেশের ফরম্যাটে খসড়া।

২

বিদেশে সম্পাদন

বাংলাদেশ মিশনে সই, অথবা গ্রহণযোগ্য হলে নোটারির সামনে সই করে অ্যাপোস্টিল।

৩

পাঠানো, স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রি

ছয় মাসের মধ্যে মূল দলিল পাঠান; পৌঁছানোর তিন মাসের মধ্যে স্ট্যাম্প; প্রয়োজনে রেজিস্ট্রি।

৪

ব্যবহার ও নজরদারি

শর্ত মেনে ব্যবহার, লেনদেনে নজর রাখা, প্রয়োজন ফুরালে আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল।

বেশিরভাগ দলিল ফেরত আসে অস্পষ্ট খসড়া বা সময়সীমা পার হওয়ার কারণে, আইনের কারণে নয়।পরামর্শের সময় নিন

সাধারণ জিজ্ঞাসা

বিদেশ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি করার নিয়ম কী?

বাংলাদেশের ফরম্যাটে খসড়া করান, বাংলাদেশ মিশনে অথবা গ্রহণযোগ্য হলে নোটারি ও অ্যাপোস্টিলের মাধ্যমে সম্পাদন করুন, ছয় মাসের মধ্যে মূল দলিল দেশে পাঠান, পৌঁছানোর তিন মাসের মধ্যে স্ট্যাম্প করান, আর প্রয়োজন হলে রেজিস্ট্রি করুন।

দূতাবাসে না গিয়ে কি অ্যাপোস্টিল দিয়ে করা যায়?

সাধারণত যায়, যদি আপনার দেশ অ্যাপোস্টিল কনভেনশনের সদস্য হয় এবং বাংলাদেশের যোগদানে আপত্তি না জানিয়ে থাকে। জার্মানি, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র ও ফিনল্যান্ড আপত্তি জানিয়েছে, সেখানকার দলিলে এখনো বৈধকরণ লাগে। জমির লেনদেনে আগে গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করুন।

পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে কি বাংলাদেশি পাসপোর্ট লাগবে?

না। ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর সংশোধনীর পর বাংলাদেশের এনআইডি, জন্মসনদ, অথবা “নো ভিসা রিকোয়ার্ড” সিলযুক্ত বিদেশি পাসপোর্ট দিয়েও করা যায়।

জমি বিক্রির পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কি রেজিস্ট্রি করতে হয়?

হ্যাঁ। অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি এবং জমি বিক্রি বা হস্তান্তরের যেকোনো পাওয়ার অব অ্যাটর্নি রেজিস্ট্রি করতে হয়।

বিদেশে করা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি স্ট্যাম্প করার সময়সীমা কত?

স্ট্যাম্প আইন ১৮৯৯-এর ১৮ ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রথম পৌঁছানোর তিন মাসের মধ্যে।

বিদেশি কোম্পানি কি মামলা বা আবেদনের জন্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে পারে?

হ্যাঁ। বোর্ড রেজোলিউশনের ভিত্তিতে দেওয়া হয়, নিজ দেশে নোটারি করে অ্যাপোস্টিল বা বৈধকরণ করা হয়, তারপর বাংলাদেশে স্ট্যাম্প করা হয়। এরপর অ্যাটর্নি আইনজীবী নিয়োগ করতে এবং কোম্পানির স্বীকৃত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে পারেন।

আত্মীয়কে দেওয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কি বাতিল করা যায়?

প্রত্যাহারযোগ্য হলে অ্যাটর্নি ও সংশ্লিষ্ট সব অফিসকে লিখিত নোটিশ দিয়ে বাতিল করা যায়, রেজিস্ট্রি করা থাকলে বাতিলও রেজিস্ট্রি করতে হয়। অপ্রত্যাহারযোগ্য হলে কেবল আইনে বলা কারণেই শেষ করা যায়।

অ্যাটর্নি কি আমাকে না জানিয়ে জমি বিক্রি করতে পারেন?

কেবল দলিলে বিক্রির ক্ষমতা দেওয়া থাকলে। ক্ষমতা সীমিত রাখুন, বিক্রির টাকা নিজের অ্যাকাউন্টে নেওয়ার শর্ত দিন, আর ভূমি রেকর্ডে নজর রাখুন। অনুমতিহীন বিক্রি প্রতারণা হিসেবে চ্যালেঞ্জ করা যায়।

আমমোক্তারনামা কি?

আমমোক্তারনামা হলো পাওয়ার অফ অ্যাটর্নির বাংলা নাম। সাধারণ আমমোক্তারনামায় প্রতিনিধি অনেক কাজ করতে পারেন; বিশেষ আমমোক্তারনামা একটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য, যেমন নির্দিষ্ট দাগের জমি বিক্রি। জমির ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব বিশেষ আমমোক্তারনামা ব্যবহার করুন।

আইন লাইব্রেরি

এই গাইডের পেছনের আইন ও ফরম

বিডি অ্যাডভোকেসিতে সংরক্ষিত প্রামাণিক পাঠ। ধারা নম্বরগুলো এই গাইডে ব্যবহৃত।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম প্রশ্ন বা মতামত আপনিই লিখুন।

মন্তব্য লিখুন

সব মন্তব্য প্রকাশের আগে চেম্বার থেকে যাচাই করা হয়। মামলার গোপন তথ্য, ফোন নম্বর বা লিংক দেবেন না। এখানে দেওয়া উত্তর সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়; নির্দিষ্ট বিষয়ে পরামর্শের জন্য চেম্বারে যোগাযোগ করুন।

বিদেশ থেকে সম্পত্তি দেখাশোনা করছেন?

আমরা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি খসড়া করি, ঢাকায় স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশনের সমন্বয় করি, এবং পাওয়ার অব অ্যাটর্নির অপব্যবহার হলে প্রবাসীদের পক্ষে ব্যবস্থা নিই। লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে।