Skip to content

খতিয়ান সংশোধন: ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা করার নিয়ম

খতিয়ানে নাম, অংশ, দাগ নম্বর বা জমির শ্রেণি ভুল থাকলে নামজারি, বিক্রি, এমনকি ব্যাংক ঋণও আটকে যায়। ভুলটি কী ধরনের এবং রেকর্ড কোন পর্যায়ে আছে, তার ওপর নির্ভর করে কোথায় সংশোধন চাইবেন। এই গাইডে আছে সংশোধনের পথ, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের সময়সীমা, প্রয়োজনীয় কাগজ ও আপিলের নিয়ম।

রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০, ধারা ১৪৪, ১৪৫ক, ১৪৫খপ্রজাস্বত্ব বিধিমালা ১৯৫৫, বিধি ৩০, ৩১
শেয়ার করুন
বাংলাদেশে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে খতিয়ান সংশোধন মামলা
এক নজরে
  • জরিপ চলাকালে খসড়া খতিয়ানে আপত্তি (বিধি ৩০) ও আপিল (বিধি ৩১) করুন, চূড়ান্ত হওয়ার আগেই
  • নামজারি খতিয়ানের করণিক ভুল সংশোধন করেন এসি ল্যান্ড, আদালত নয়
  • সর্বশেষ জরিপের চূড়ান্ত প্রকাশিত রেকর্ডের ভুলের জন্য ১৪৫ক ধারায় ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা
  • মূল সময়সীমা ১ বছর; দেরির যুক্তিসংগত কারণ দেখালে আরও ১ বছর

এই গাইডে: রেকর্ড সংশোধন মামলা কোথায় করতে হবে: কোন ভুল কোন অফিসে · ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল কি এবং এর কাজ কি · রেকর্ড সংশোধন মামলার সময়সীমা কত দিন · রেকর্ড সংশোধন মামলা করতে কি কি লাগে ও খরচ কত · সাক্ষ্য, শুনানি, কত দিন লাগে ও আপিলের মেয়াদ

সংক্ষেপে উত্তর

খতিয়ানের ভুল তিন জায়গায় সংশোধন হয়। জরিপ চলাকালে খসড়া রেকর্ডে প্রজাস্বত্ব বিধিমালা ১৯৫৫-এর ৩০ বিধিতে আপত্তি এবং ৩১ বিধিতে আপিল করা যায়। নামজারি খতিয়ানের করণিক ভুল আবেদন করলে এসি ল্যান্ড সংশোধন করেন। আর সর্বশেষ জরিপের রেকর্ড চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়ে গেলে প্রতিকার রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০-এর ১৪৫ক ধারায় ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা। চূড়ান্ত প্রকাশনা বা ট্রাইব্যুনাল গঠনের তারিখ, যেটি পরে, তা থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা করতে হয়। দেরির কারণ গ্রহণযোগ্য হলে পরের ১ বছরেও ট্রাইব্যুনাল মামলা নিতে পারেন।

রেকর্ড সংশোধন মামলা কোথায় করতে হবে: কোন ভুল কোন অফিসে

প্রথমে দুটি জিনিস ঠিক করুন: কী ভুল হয়েছে, আর ভুলটি কোন রেকর্ডে। এর ওপরই নির্ভর করে কোথায় যাবেন।

অবস্থাকোথায় যাবেন
জরিপ চলছে; খসড়া (ডিপি) খতিয়ানে ভুল৩০ বিধিতে জরিপ কর্মকর্তার কাছে আপত্তি, তারপর ৩১ বিধিতে আপিল
ভূমি অফিসের নামজারি খতিয়ানে বানান, অঙ্ক বা লেখার ভুলএসি ল্যান্ডের কাছে আবেদন (মিস কেস)
প্রকাশিত জরিপ খতিয়ানে এমন স্পষ্ট করণিক ভুল, যাতে মালিকানার প্রশ্ন নেইএসি ল্যান্ডের কাছে আবেদন; নোটিশ ও শুনানির পর সংশোধন হতে পারে
সর্বশেষ জরিপের চূড়ান্ত রেকর্ডে ভুল মালিক, ভুল অংশ, ভুল দাগ বা পরিমাণ, কিংবা জমি খাস হিসেবে লেখাল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা (ধারা ১৪৫ক)
পুরোনো রেকর্ডে ভুল (সিএস, এসএ, বা পরে নতুন জরিপে বদলে যাওয়া আরএস)ট্রাইব্যুনাল নয়। সাধারণত নতুন রেকর্ডই কার্যকর; মালিকানা নিয়েই বিরোধ থাকলে দেওয়ানি আদালতে স্বত্বের মামলা

জমির মালিক কে, তা এসি ল্যান্ড ঠিক করতে পারেন না। সংশোধন মানে যদি একজনের জমি বা অংশ কমিয়ে আরেকজনকে দেওয়া হয়, তবে বিষয়টি ট্রাইব্যুনাল বা দেওয়ানি আদালতের। নামজারির ধাপ জানতে দেখুন আমাদের নামজারি গাইড।

ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল কি এবং এর কাজ কি

২০০৪ সালে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০-এ নতুন সপ্তদশ-ক অধ্যায় যোগ করে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ১৪৪ ধারায় প্রস্তুত সর্বশেষ সংশোধিত রেকর্ড-অব-রাইটস চূড়ান্তভাবে প্রকাশের ফলে সৃষ্ট মামলা এখানে চলে। নিজ এলাকায় এ ধরনের মামলায় ট্রাইব্যুনালের একচ্ছত্র এখতিয়ার, তাই সাধারণ দেওয়ানি আদালত এই সংশোধনের দাবি শুনবেন না।

  • বিচারক: যুগ্ম জেলা জজ। ২০২৩ সালের সংশোধনীর পর মামলার চাপ কমাতে সিনিয়র সিভিল জজ ও সিভিল জজকেও (আগের নাম সিনিয়র সহকারী জজ ও সহকারী জজ) বদলি করা মামলা দেওয়া যায়।
  • ক্ষমতা: রেকর্ডকে ভুল ঘোষণা করে সংশ্লিষ্ট অফিসকে সংশোধনের নির্দেশ দিতে পারেন (ধারা ১৪৫ক(৮))।
  • পদ্ধতি: আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হলে দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ অনুসরণ করেন; সাক্ষী তলব, কাগজ ও সরকারি রেকর্ড তলব এবং কমিশন দিতে পারেন (ধারা ১৪৫ঘ)।
  • দ্রুততা: চূড়ান্ত শুনানির জন্য ধার্য তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ করার বিধান এখন আইনে আছে।

মনে রাখবেন, চূড়ান্ত প্রকাশিত রেকর্ড আইনত সঠিক বলে ধরে নেওয়া হয় (ধারা ১৪৪ক)। কাগজ ও সাক্ষী দিয়ে ভুল প্রমাণের দায় আপনার।

বাংলাদেশে খতিয়ান সংশোধনের সঠিক ফোরাম বেছে নেওয়া

রেকর্ড সংশোধন মামলার সময়সীমা কত দিন

১৪৫ক(৬) ধারায় সময় ১ বছর, গণনা হয় রেকর্ডের চূড়ান্ত প্রকাশনার তারিখ অথবা ট্রাইব্যুনাল গঠনের তারিখ থেকে, যেটি পরে। ১৪৫ক(৭) ধারায় দেরির কারণে সন্তুষ্ট হলে ট্রাইব্যুনাল পরের ১ বছরের মধ্যেও মামলা গ্রহণ করতে পারেন। এরপর ট্রাইব্যুনাল আর মামলা নিতে পারেন না।

বাস্তবে তারিখ জেলা থেকে জেলায়, এমনকি মৌজা থেকে মৌজায় আলাদা। কারণ চূড়ান্ত প্রকাশনা হয় মৌজাভিত্তিক, আর ট্রাইব্যুনাল বিভিন্ন সময়ে গঠিত ও নবায়ন হয়েছে। এসব প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সময়সীমা একাধিকবার বেড়েছে ও নতুন করে শুরু হয়েছে, আর আইনজীবী সমিতিগুলো প্রায়ই আরও সময় চায়। প্রতিবেশী কী শুনেছেন তার ওপর ভরসা করবেন না। সেটেলমেন্ট অফিস বা ডিসি অফিসের রেকর্ড রুম থেকে আপনার মৌজার চূড়ান্ত প্রকাশনার তারিখ জেনে দেরি না করে পরামর্শ নিন।

সময় পার হয়ে গেলে দেওয়ানি আদালতে স্বত্ব ঘোষণার মামলা করা যায় কি না, তা নিয়ে মতভেদ আছে। কিছু বিচারক ও আইনজীবী বলেন যায়; বিষয়টি এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। কোনো পথে টাকা খরচের আগে আইনজীবীকে দিয়ে আপনার কাগজ ও সর্বশেষ নজির যাচাই করান।

রেকর্ড সংশোধন মামলা করতে কি কি লাগে ও খরচ কত

ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের মামলা দেওয়ানি প্রকৃতির। আইনজীবীর মাধ্যমে আরজি দাখিল করে মামলা শুরু হয়। বিরোধীয় খতিয়ানে যাদের নাম আছে এবং যাদের স্বার্থ জড়িত, সবাইকে পক্ষ করতে হয়; প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সরকারকেও।

যে কাগজ জোগাড় করবেন:

  • বিরোধীয় চূড়ান্ত খতিয়ান ও মৌজা নকশার সার্টিফায়েড কপি
  • আগের খতিয়ান (সিএস, এসএ, আরএস), যাতে বোঝা যায় জমি কীভাবে এসেছে
  • রেজিস্টার্ড দলিল ও পূর্ণ মালিকানার ধারা (বায়া দলিল)
  • ওয়ারিশি জমিতে ওয়ারিশ সনদ ও মৃত্যু সনদ
  • নামজারি খতিয়ান, ডিসিআর ও ভূমি উন্নয়ন করের দাখিলা
  • থাকলে জরিপের কাগজ: মাঠ পর্চা, ডিপি খতিয়ান, আপত্তি বা আপিলের আদেশ
  • জমি নিয়ে কোনো আদালতের ডিক্রি বা আদেশ

খরচ: কোর্ট ফি আইন ১৮৭০ অনুযায়ী কোর্ট ফি, নোটিশ জারির তলবানা, সার্টিফায়েড কপির খরচ ও আইনজীবীর ফি। প্রার্থিত প্রতিকার কীভাবে লেখা হলো তার ওপর কোর্ট ফি নির্ভর করে, তাই দাখিলের আগে আইনজীবীর কাছ থেকে বর্তমান অঙ্ক নিশ্চিত হোন। জরিপ বা পরিমাপের কমিশন হলে তার খরচ আলাদা।

সাক্ষ্য, শুনানি, কত দিন লাগে ও আপিলের মেয়াদ

মামলা দাখিলের পর বিবাদীদের কাছে সমন যায়, তাঁরা লিখিত জবাব দেন। বিচার্য বিষয় গঠনের পর দুই পক্ষ সাক্ষ্য দেন: বাদী ও দখলের সাক্ষী, সার্টিফায়েড রেকর্ড, দলিল ও খাজনার রসিদ। জমি মেপে নকশার সঙ্গে মেলাতে ট্রাইব্যুনাল অ্যাডভোকেট কমিশনার বা সার্ভেয়ার পাঠাতে পারেন। মাঠে দখল, নিখুঁত দলিলের ধারা আর আপনার দাবির সঙ্গে মেলে এমন পুরোনো রেকর্ড সাধারণত এ মামলায় জয় এনে দেয়।

কত দিন লাগবে তা অনেকটাই জেলার ওপর নির্ভর করে। কিছু ট্রাইব্যুনালে বিপুল মামলা জমে আছে, শুনানির তারিখ কয়েক মাস পরপর পড়ে। ১৮০ দিনের সীমা গণনা হয় কেবল চূড়ান্ত শুনানির ধার্য তারিখ থেকে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মামলায় কয়েক বছর লাগতে পারে; বিরোধহীন সাধারণ সংশোধনে অনেক কম।

আপিল: রায়ে সংক্ষুব্ধ পক্ষ ১৪৫খ ধারায় ৩ মাসের মধ্যে ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করতে পারেন। দেরির কারণ ব্যাখ্যা করলে পরের ৩ মাসের মধ্যেও আপিল গ্রহণ হতে পারে। ২০২৩ সাল থেকে জেলা জজরা আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক, এবং আপিল ট্রাইব্যুনাল এখন গঠিত হয়েছে। আপিলের ফল সাপেক্ষে ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। হাইকোর্ট বিভাগে রিট কেবল আইন বা এখতিয়ারের সীমিত প্রশ্নে সম্ভব।

চূড়ান্ত ডিক্রি পেলে সার্টিফায়েড কপিসহ সেটেলমেন্ট অফিস বা এসি ল্যান্ডের কাছে রেকর্ড সংশোধনের আবেদন করুন, তারপর নামজারি হালনাগাদ করুন।

এটি সাধারণ তথ্য, আপনার মামলার পরামর্শ নয়। এখানে আইন ও প্রচলিত প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আপনার কাগজপত্র, ঘটনা ও সংশ্লিষ্ট জেলার চর্চাই ঠিক করবে আপনার ক্ষেত্রে কী প্রযোজ্য।
ভুল খতিয়ান সংশোধনের ধাপ
১

ভুলটি চিহ্নিত করুন

নাম, অংশ, দাগ, পরিমাণ বা শ্রেণি, এবং কোন রেকর্ডে।

২

সার্টিফায়েড কপি তুলুন

চূড়ান্ত খতিয়ান, পুরোনো রেকর্ড, দলিল, দাখিলা।

৩

ঠিক জায়গা বেছে নিন

জরিপ কর্মকর্তা, এসি ল্যান্ড বা ট্রাইব্যুনাল।

৪

সময়ের মধ্যে মামলা

১ বছর; যুক্তিসংগত কারণে আরও ১ বছর।

বেশিরভাগ রেকর্ড মামলা হারে সময় ও কাগজের ঘাটতিতে, আইনের কারণে নয়। দেরি করবেন না।পরামর্শের সময় নিন

সাধারণ জিজ্ঞাসা

রেকর্ড সংশোধন মামলা কোথায় করতে হবে?

পর্যায়ের ওপর নির্ভর করে। জরিপ চলাকালে খসড়া খতিয়ানে আপত্তি দিন। নামজারি খতিয়ানের করণিক ভুলে এসি ল্যান্ডের কাছে আবেদন করুন। সর্বশেষ জরিপের চূড়ান্ত প্রকাশিত রেকর্ডে ভুল হলে জেলার ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা করুন।

ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল কি?

রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০-এর ১৪৫ক ধারায় গঠিত বিশেষ আদালত, যেখানে সর্বশেষ জরিপের চূড়ান্ত রেকর্ডের ভুল নিয়ে মামলা চলে। যুগ্ম জেলা জজ বিচার করেন এবং রেকর্ড সংশোধনের নির্দেশ দিতে পারেন।

রেকর্ড সংশোধন মামলা কত ধারায় হয়?

সর্বশেষ জরিপের চূড়ান্ত প্রকাশিত রেকর্ড সংশোধনের মামলা হয় রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০-এর ১৪৫ক ধারায়। আপিল হয় ১৪৫খ ধারায় ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালে।

ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলার সময়সীমা কত?

রেকর্ডের চূড়ান্ত প্রকাশনা বা ট্রাইব্যুনাল গঠনের তারিখ, যেটি পরে, তা থেকে ১ বছর। দেরির কারণ গ্রহণযোগ্য হলে পরের ১ বছরেও মামলা নেওয়া যায়। জেলাভেদে তারিখ আলাদা, তাই দ্রুত নিজের মৌজার তারিখ জেনে নিন।

রেকর্ড সংশোধন মামলা কত দিন লাগে?

জেলা ও বিপক্ষের আপত্তির ওপর নির্ভর করে। কিছু ট্রাইব্যুনালে বিপুল মামলা জমে আছে। বিরোধহীন সংশোধন দ্রুত হতে পারে; প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মামলায় আপিলসহ কয়েক বছর লাগা স্বাভাবিক।

১৪৫খ ধারায় ল্যান্ড সার্ভে আপিলের মেয়াদ কত দিন?

ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশের তারিখ থেকে ৩ মাসের মধ্যে ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করতে হয়। দেরির কারণ ব্যাখ্যা করলে পরের ৩ মাসের মধ্যেও আপিল গ্রহণ হতে পারে।

রেকর্ড সংশোধন মামলা করতে কি কি লাগে?

বিরোধীয় খতিয়ান ও নকশার সার্টিফায়েড কপি, আগের সিএস, এসএ ও আরএস খতিয়ান, দলিল ও বায়া দলিল, ওয়ারিশি জমিতে ওয়ারিশ সনদ, নামজারির কাগজ, খাজনার দাখিলা এবং জরিপের কাগজ বা আদালতের আদেশ থাকলে সেগুলো।

এস এ খতিয়ান কি সংশোধন করা যায়?

আপনার মৌজায় পরে আরএস বা বিএসের মতো নতুন রেকর্ড চূড়ান্ত হয়ে থাকলে ট্রাইব্যুনাল কেবল সেই সর্বশেষ রেকর্ড নিয়েই কাজ করেন। পুরোনো এসএ রেকর্ডের ভুল সাধারণত মালিকানার ধারা প্রমাণে গুরুত্বপূর্ণ; বিরোধ থাকলে দেওয়ানি আদালত তা নিষ্পত্তি করেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম প্রশ্ন বা মতামত আপনিই লিখুন।

মন্তব্য লিখুন

সব মন্তব্য প্রকাশের আগে চেম্বার থেকে যাচাই করা হয়। মামলার গোপন তথ্য, ফোন নম্বর বা লিংক দেবেন না। এখানে দেওয়া উত্তর সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়; নির্দিষ্ট বিষয়ে পরামর্শের জন্য চেম্বারে যোগাযোগ করুন।

আপনার খতিয়ানে ভুল আছে?

আমরা আপনার রেকর্ড যাচাই করি, মৌজার সময়সীমা নিশ্চিত করি এবং সঠিক ফোরামে মামলা দাখিল করি। লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে।