Skip to content

ফ্ল্যাট কেনার আগে ক্রেতার করণীয় ও ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন খরচ

একটি পরিবারের সবচেয়ে বড় কেনাকাটা সাধারণত ফ্ল্যাট, আর বেশিরভাগ ফ্ল্যাট বিরোধের শুরু না দেখা কাগজ থেকে। বুকিং মানি দেওয়ার আগে জমি, ডেভেলপার, অনুমোদন ও চুক্তি যাচাই করুন। এখানে আছে যাচাইয়ের তালিকা, রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ আপনাকে কী অধিকার দেয়, আর ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন ও তার খরচ কীভাবে হয়।

রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮আয়কর আইন ২০২৩, ধারা ১২৫, ১২৬
শেয়ার করুন
বাংলাদেশে ঢাকায় ফ্ল্যাট কেনা: কাগজপত্র ও রেজিস্ট্রেশন
এক নজরে
  • জমির মালিকের স্বত্ব, জমি ভাগাভাগির চুক্তি ও ডেভেলপারকে দেওয়া রেজিস্টার্ড আমমোক্তারনামা দেখুন
  • অনুমোদিত নকশা ও তলার সংখ্যা মিলিয়ে দেখুন বাস্তবে কত তলা হচ্ছে
  • পুরো টাকা পরিশোধের ৩ মাসের মধ্যে ডেভেলপারকে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দিয়ে রেজিস্ট্রি করে দিতে হয়
  • ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি হয় ফ্ল্যাট ও তার অবিভক্ত জমির অংশের সাফ কবলা দলিলে

এই গাইডে: ফ্ল্যাট কেনার আগে ক্রেতার করণীয়: যেসব কাগজ দেখবেন · রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০-এ ক্রেতার অধিকার · ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম · ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন খরচ কত · পুরোনো (রিসেল) ফ্ল্যাট কেনার নিয়ম · বিদেশ থেকে ফ্ল্যাট কেনা

সংক্ষেপে উত্তর

ফ্ল্যাট কেনার আগে দেখুন জমিতে জমির মালিকের স্বত্ব, জমির মালিক ও ডেভেলপারের চুক্তি এবং ডেভেলপারকে দেওয়া রেজিস্টার্ড আমমোক্তারনামা, অনুমোদিত নকশা ও অনুমোদিত তলার সংখ্যা, প্রকল্পে ব্যাংকের বন্ধক আছে কি না, আর বরাদ্দ চুক্তির শর্ত। রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুযায়ী পুরো মূল্য পরিশোধের তিন মাসের মধ্যে ডেভেলপারকে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দিয়ে রেজিস্ট্রি করে দিতে হয়। রেজিস্ট্রি হয় ফ্ল্যাট ও অবিভক্ত জমির অংশের সাফ কবলা দলিলে, যাতে স্ট্যাম্প শুল্ক, রেজিস্ট্রেশন ফি, স্থানীয় সরকার কর ও উৎসে কর লাগে, আর ডেভেলপারের নতুন ফ্ল্যাটে ভ্যাট।

ফ্ল্যাট কেনার আগে ক্রেতার করণীয়: যেসব কাগজ দেখবেন

  1. জমির স্বত্ব: জমির মালিকের দলিল, খতিয়ান (সিএস, এসএ, আরএস, সিটি জরিপ), নামজারি ও চলতি খাজনার রসিদ। দেখুন জমি কেনার আগে করণীয়।
  2. জমির মালিক ও ডেভেলপারের চুক্তি: লিখিত জয়েন্ট ভেঞ্চার বা জমি ভাগাভাগির চুক্তি, যাতে লেখা থাকে কোন ফ্ল্যাট জমির মালিকের আর কোনগুলো ডেভেলপার বিক্রি করতে পারবে।
  3. রেজিস্টার্ড আমমোক্তারনামা জমির মালিকের পক্ষ থেকে ডেভেলপারকে। এটি ছাড়া ডেভেলপার জমির অংশের বৈধ বিক্রয় দলিল করতে পারে না।
  4. অনুমোদিত নকশা: রাজউক (বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ) অনুমোদিত ভবনের নকশা, তলার সংখ্যাসহ। সাইটে গিয়ে তলা গুনে দেখুন।
  5. ডেভেলপারের নিবন্ধন ২০১০ সালের আইনে, এবং রিহ্যাব সদস্যপদ। সদস্যপদ সহায়ক, তবে নিশ্চয়তা নয়।
  6. বন্ধক: জমি বা প্রকল্প কোনো ব্যাংকে বন্ধক আছে কি না, আর আপনার দলিলের আগে ব্যাংকের অবমুক্তি।
  7. বরাদ্দ চুক্তি: মূল্য, কিস্তির সূচি, স্পেসিফিকেশন, পার্কিং, হস্তান্তরের তারিখ, দেরির ক্ষতিপূরণ ও টাকা ফেরতের শর্ত।
  8. অকুপেন্সি সার্টিফিকেট বা ব্যবহার সনদ ওঠার আগে, আর ইউটিলিটি সংযোগ।

রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০-এ ক্রেতার অধিকার

বিধানধারা
ডেভেলপারকে কর্তৃপক্ষের কাছে নিবন্ধিত হতে হবেধারা ৫
প্রকল্প অনুমোদনের আগে বিক্রি বা বিজ্ঞাপন নয়ধারা ৬
পুরো মূল্য পরিশোধের ৩ মাসের মধ্যে দখল হস্তান্তর, দলিল ও রেজিস্ট্রি; আয়তন কমবেশি হলে মূল্য সমন্বয়ধারা ৯
জমির মালিক ও ডেভেলপারের চুক্তি লিখিত হতে হবেধারা ১০
মূল্য পরিশোধ ব্যাংকের মাধ্যমেধারা ১২
অন্তত ৬০ দিনের নোটিশ ছাড়া বরাদ্দ বাতিল নয়; ৩ মাসের মধ্যে টাকা ফেরতধারা ১৪
বন্ধকি ফ্ল্যাট দলিলের আগে অবমুক্ত না করে ক্রেতার কাছে বিক্রি নয়ধারা ১৬
ডেভেলপার অনুমোদিত নকশা ও ডিজাইনের কাগজ দেবেধারা ১৮

এসব লঙ্ঘন অপরাধ। প্রতিশ্রুতির চেয়ে ভিন্ন কিছু হস্তান্তর, নিম্নমানের উপকরণ বা অনুমোদিত নকশার বাইরে নির্মাণে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা বিশ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড হতে পারে। ৩৬ ধারায় বিরোধ সালিশেও নেওয়া যায়। প্রতিটি রসিদ, চিঠি ও ব্রোশিওর সংরক্ষণ করুন।

ঢাকায় ফ্ল্যাট কেনার আগে কাগজপত্র যাচাই, বাংলাদেশ

ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম

জমি যে এলাকায়, সেখানকার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সাফ কবলা দলিলে ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি হয়। দলিলে দুটি জিনিস হস্তান্তর হয়: তলা, নম্বর ও আয়তন দিয়ে বর্ণিত ফ্ল্যাট, আর ভবনের নিচের জমির অবিভক্ত আনুপাতিক অংশ। তফসিলে দুটোই থাকতে হবে।

নতুন ফ্ল্যাটে সাধারণত ডেভেলপার নিজে এবং রেজিস্টার্ড আমমোক্তারনামার জোরে জমির মালিকের পক্ষে দলিলে সই করে। দেখে নিন আমমোক্তারনামায় আপনার ফ্ল্যাট ও জমির অংশ আছে কি না।

সাধারণত যে কাগজ লাগে: জমির স্বত্বের কাগজ ও খতিয়ান, জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তি ও আমমোক্তারনামা, অনুমোদিত নকশা, বরাদ্দপত্র ও টাকা পরিশোধের রসিদ, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি, আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণ (পিএসআর), এবং চার্জের পে-অর্ডার।

রেজিস্ট্রির পর: আপনার জমির অংশের নামজারি করুন, আর হোল্ডিং ট্যাক্সের জন্য সিটি কর্পোরেশনে হোল্ডিং হালনাগাদ করুন। দেখুন নামজারি কীভাবে করবেন।

ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন খরচ কত

খাতহার
স্ট্যাম্প শুল্কদলিল মূল্যের ১.৫%
রেজিস্ট্রেশন ফিদলিল মূল্যের ১%
স্থানীয় সরকার করসিটি কর্পোরেশন ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ২%
উৎসে কর (আয়কর আইন ২০২৩)এলাকা ও আয়তনভেদে; হস্তান্তরে ধারা ১২৫, ডেভেলপারের বিক্রিতে ধারা ১২৬
ভ্যাটডেভেলপারের নতুন ফ্ল্যাটে, আয়তনভেদে হার
নির্ধারিত ফিই-ফি, হলফনামা, এন ও এনএন ফি

অর্থাৎ ঢাকা শহরে স্ট্যাম্প শুল্ক, ফি ও স্থানীয় কর মিলে দলিল মূল্যের প্রায় ৪.৫%। এর ওপর উৎসে কর ও ভ্যাট যোগ হয়, আর অভিজাত এলাকায় এগুলো উল্লেখযোগ্য অঙ্ক। এলাকার সরকারি সর্বনিম্ন মূল্যের কম দেখিয়ে দলিল করা যায় না।

আইনে উৎসে কর বিক্রেতা বা ডেভেলপারের ওপর, কিন্তু বরাদ্দ চুক্তিতে প্রায়ই রেজিস্ট্রি খরচ ক্রেতার ঘাড়ে দেওয়া থাকে। সইয়ের আগে সেই শর্ত পড়ুন, আর ডেভেলপারের কাছে dolil.gov.bd-তে মিলিয়ে দেখা লিখিত খরচের হিসাব চান।

২০২৬ সালের দুটি বিষয় ফ্ল্যাট ক্রেতা ও জমির মালিকদের জানা দরকার। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে অর্থ আইন ২০২৬ অনুযায়ী সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় শুধু রেজিস্ট্রেশনে নয়, নামজারি ও ফ্ল্যাট-জমি বণ্টনেও রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ লাগবে। একই আইনে ডেভেলপার এবং যৌথ উন্নয়ন চুক্তিতে ফ্ল্যাট পাওয়া জমির মালিকের আয় হিসাবের নতুন পদ্ধতি এসেছে; ডেভেলপারের বানানো ফ্ল্যাট নেওয়ার আগে জমির মালিকের কর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

পুরোনো (রিসেল) ফ্ল্যাট কেনার নিয়ম

  • বিক্রেতার রেজিস্টার্ড দলিল এবং ডেভেলপার ও জমির মালিক পর্যন্ত আগের দলিলগুলো দেখুন।
  • জমির অংশে বিক্রেতার নামজারি, আর খাজনা ও হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ হয়েছে কি না দেখুন।
  • সার্ভিস চার্জের জন্য ফ্ল্যাট মালিক সমিতির ছাড়পত্র নিন।
  • বিক্রেতা গৃহঋণ নিয়ে থাকলে রেজিস্ট্রির আগে বা সময়ে ব্যাংকের অবমুক্তিপত্র ও মূল স্বত্বের কাগজ নিন।
  • মূল অনুমোদিত নকশা দেখুন। অননুমোদিত বাড়তি তলার ফ্ল্যাট বড় ঝুঁকি।
  • রাজউক বা অন্য সরকারি সংস্থার লিজের প্লটে হলে বর্তমান হস্তান্তর নিয়ম দেখুন। ২০২৫ সালের নভেম্বরের এক সরকারি প্রজ্ঞাপনে অনেক আবাসিক প্লট ও ফ্ল্যাট হস্তান্তরে আগাম অনুমতির প্রয়োজন তুলে দেওয়া হয়েছে, তবে হস্তান্তর ফি এবং পরে কর্তৃপক্ষের কাছে কাগজ জমা দেওয়ার শর্ত আছে।

অগ্রিম দিলে বায়নানামা ৬০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রি করুন। দেখুন চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম।

বিদেশ থেকে ফ্ল্যাট কেনা

ঢাকার অনেক ফ্ল্যাট কেনেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বিদেশ থেকে বরাদ্দ চুক্তিতে সই ও ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠানো যায়, তবে রেজিস্ট্রির সময় ক্রেতা বা তাঁর আমমোক্তারকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে থাকতে হয়।

  • বিশ্বস্ত কাউকে আমমোক্তারনামা দিন, যা বাংলাদেশ মিশনে সম্পাদিত হয়ে পরে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন ২০১২ অনুযায়ী দেশে কার্যকর করতে হবে। দেখুন বিদেশ থেকে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি।
  • সব টাকা নিজের নামে ব্যাংকিং চ্যানেলে দিন, রসিদ রাখুন।
  • আমমোক্তার যেন নিজের নামে ফ্ল্যাট না নেন।
  • টাকা পাঠানোর আগে আইনজীবী দিয়ে জমি ও ডেভেলপার যাচাই করান।
এটি সাধারণ তথ্য, আপনার মামলার পরামর্শ নয়। এখানে আইন ও প্রচলিত প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আপনার কাগজপত্র, ঘটনা ও সংশ্লিষ্ট জেলার চর্চাই ঠিক করবে আপনার ক্ষেত্রে কী প্রযোজ্য।
নিরাপদে ফ্ল্যাট কেনার ধাপ
১

জমি ও ডেভেলপার যাচাই

স্বত্ব, চুক্তি, আমমোক্তারনামা, নকশা।

২

স্পষ্ট চুক্তি করুন

মূল্য, কিস্তি, হস্তান্তরের তারিখ, টাকা ফেরতের শর্ত।

৩

ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি

ফ্ল্যাট ও জমির অংশের সাফ কবলা দলিল।

৪

নামজারি ও হোল্ডিং

জমির অংশের নামজারি ও হোল্ডিং ট্যাক্স।

বেশিরভাগ ফ্ল্যাট বিরোধের শুরু বুকিং মানি দেওয়ার আগে না দেখা কাগজ থেকে।পরামর্শের সময় নিন

সাধারণ জিজ্ঞাসা

ফ্ল্যাট কেনার আগে ক্রেতার করণীয় কী?

জমির মালিকের স্বত্ব, জমির মালিক ও ডেভেলপারের চুক্তি ও রেজিস্টার্ড আমমোক্তারনামা, অনুমোদিত নকশা ও তলার সংখ্যা, ব্যাংকের বন্ধক, ডেভেলপারের নিবন্ধন, আর মূল্য, হস্তান্তর ও টাকা ফেরতের শর্তসহ বরাদ্দ চুক্তি দেখুন।

ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন করতে কি কি লাগে?

জমির স্বত্বের কাগজ ও খতিয়ান, জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তি ও আমমোক্তারনামা, অনুমোদিত নকশা, বরাদ্দপত্র ও পরিশোধের রসিদ, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি, রিটার্ন জমার প্রমাণ, এবং চার্জের পে-অর্ডার।

ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি খরচ কত ২০২৬?

ঢাকা শহরে স্ট্যাম্প শুল্ক ১.৫%, রেজিস্ট্রেশন ফি ১% ও স্থানীয় সরকার কর ২%, সঙ্গে এলাকাভিত্তিক উৎসে কর এবং ডেভেলপারের নতুন ফ্ল্যাটে ভ্যাট। পুরো অঙ্ক dolil.gov.bd-তে মিলিয়ে নিন।

ব্যাংকে বন্ধক থাকা ফ্ল্যাট কেনা কি নিরাপদ?

কেবল রেজিস্ট্রির আগে বা সময়ে ব্যাংক বন্ধক অবমুক্ত করলে। ২০১০ সালের আইন অবমুক্তি ছাড়া ডেভেলপারকে বন্ধকি ফ্ল্যাট ক্রেতার কাছে বিক্রি করতে নিষেধ করে। রিসেলে ব্যাংকের অবমুক্তিপত্র ও মূল কাগজ নিন।

ডেভেলপার সময়মতো ফ্ল্যাট না দিলে কী করব?

চুক্তির দেরির শর্ত দেখুন। ২০১০ সালের আইনে পুরো মূল্য পরিশোধের তিন মাসের মধ্যে হস্তান্তর ও রেজিস্ট্রি বাধ্যতামূলক। আইনি নোটিশ, সালিশ বা আইনের অপরাধের জন্য অভিযোগ করা যায়।

ডেভেলপারের সাথে চুক্তি বা জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তি কী?

এটি জমির মালিক ও ডেভেলপারের লিখিত চুক্তি, যাতে কে কোন ফ্ল্যাট পাবেন তা থাকে। আইনে এটি লিখিত হতে হয়, আর বিক্রির জন্য ডেভেলপারের রেজিস্টার্ড আমমোক্তারনামা লাগে।

ফ্ল্যাটের কি নামজারি করতে হয়?

হ্যাঁ। রেজিস্ট্রির পর জমির অবিভক্ত অংশের নামজারি আপনার নামে করুন, আর সিটি কর্পোরেশনে হোল্ডিং ট্যাক্সের রেকর্ড হালনাগাদ করুন।

বিদেশ থেকে কি ঢাকায় ফ্ল্যাট কেনা যায়?

হ্যাঁ। নিজের নামে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা দিন, আর বাংলাদেশ মিশনে সম্পাদিত ও আইন অনুযায়ী দেশে কার্যকর করা আমমোক্তারনামা দিয়ে কাউকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সইয়ের দায়িত্ব দিন।

জমি ও সম্পত্তি বিষয়ে আরও পড়ুন

নিরাপদে জমি কেনা, নামজারি ও বেদখল জমি উদ্ধার।

এই বিষয়ের সব লেখা →
শেয়ার করুন

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম প্রশ্ন বা মতামত আপনিই লিখুন।

মন্তব্য লিখুন

সব মন্তব্য প্রকাশের আগে চেম্বার থেকে যাচাই করা হয়। মামলার গোপন তথ্য, ফোন নম্বর বা লিংক দেবেন না। এখানে দেওয়া উত্তর সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়; নির্দিষ্ট বিষয়ে পরামর্শের জন্য চেম্বারে যোগাযোগ করুন।

শিগগির ফ্ল্যাট বুকিং দিচ্ছেন?

টাকা দেওয়ার আগে আমরা জমি, ডেভেলপার ও চুক্তি যাচাই করি এবং ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশনের কাজ সম্পন্ন করি। লিখিত প্রাথমিক মূল্যায়ন বিনামূল্যে।