Skip to content
হোম/আইনি গাইড/তালাক দেওয়ার নিয়ম
পারিবারিক

তালাক দেওয়ার নিয়ম: নোটিশ, ৯০ দিন, খুলা ও খরচ

বাংলাদেশে বেশিরভাগ তালাক আটকে যায় নীতিতে নয়, নিয়ম মানতে গিয়ে। মুখে তালাক বলা হয়েছে কিন্তু নোটিশ পাঠানো হয়নি, স্ত্রী জানেনই না যে তার হাতে ইতিমধ্যে তালাকের অধিকার আছে, কিংবা খোলায় দেনমোহরের হিসাব বাদ পড়ে গেছে — এসব ভুলই বছরের পর বছর ঝামেলা তৈরি করে। এই গাইডে ধাপে ধাপে আইনি প্রক্রিয়াটি বোঝানো হলো।

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (ধারা ৭-৮)মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
শেয়ার করুন
বাংলাদেশের পারিবারিক আইনে তালাকের নোটিশ ও তালাক নিবন্ধনের কাগজপত্র
এক নজরে
  • চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত নোটিশ পৌঁছানোর ৯০ দিন পর তালাক কার্যকর হয়
  • স্ত্রীও তালাক দিতে পারেন অর্পিত অধিকার (তাফবিজ), খোলা বা পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে
  • তালাক নিবন্ধন ফি: বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী ১,০০০ টাকা
  • তালাকের সাথে সাথেই বকেয়া দেনমোহর পরিশোধযোগ্য হয়ে যায়

এই গাইডে যা আছে: ধাপ ১: লিখিত নোটিশ · ধাপ ২: সালিশি পরিষদ ও ৯০ দিনের সময়কাল · স্ত্রী নিজে তালাক চাইলে · ধাপ ৩: তালাক নিবন্ধন করা · টাকাপয়সা: দেনমোহর, ইদ্দত ও সন্তান · বিদেশ থেকে তালাক · হিন্দু ও খ্রিস্টান বিয়ে · মামলার আগে বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা

সংক্ষিপ্ত উত্তর

একজন মুসলিম স্বামী তালাক দিতে পারেন, তবে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৭ অনুযায়ী সেই তালাক আইনিভাবে কার্যকর হয় না যতক্ষণ না চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত নোটিশ পৌঁছানোর ৯০ দিন পার হয়। স্ত্রীও তালাক দিতে পারেন — কাবিননামায় লেখা অর্পিত অধিকার (তালাক-ই-তাফবিজ) দিয়ে, পারস্পরিক সমঝোতায় (খোলা), অথবা পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে। যে পথেই যাওয়া হোক না কেন, একই নোটিশ প্রক্রিয়া মানতে হবে, আর তারপর কাজীর (নিকাহ রেজিস্ট্রার) কাছে তালাক নিবন্ধন করাতে হবে।

ধাপ ১: লিখিত নোটিশ

তালাক উচ্চারণের পর স্বামীকে অবশ্যই লিখিত নোটিশ পাঠাতে হবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, অথবা সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার মেয়র বা প্রশাসকের কাছে, যেই এলাকায় স্ত্রী বসবাস করেন সেখানকার, এবং এর একটি কপি স্ত্রীকেও পাঠাতে হবে। প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্ট্রি ডাকে পাঠানোই সবচেয়ে নিরাপদ, কারণ নোটিশ পৌঁছানোর তারিখ থেকেই ৯০ দিনের হিসাব শুরু হয়। ডাকের রশিদ ও প্রাপ্তি স্বীকার কার্ড অবশ্যই সংরক্ষণ করুন।

নোটিশ না পাঠানো একটি অপরাধ — সর্বোচ্চ এক বছরের সাধারণ কারাদণ্ড, ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডই হতে পারে। আর নোটিশ না দেওয়া হলে সেই তালাক আইনের চোখে কার্যকরও হয় না, ফলে কাগজে-কলমে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই বিবাহিত থেকে যান।

ধাপ ২: সালিশি পরিষদ ও ৯০ দিনের সময়কাল

নোটিশ পাওয়ার পর চেয়ারম্যান সাধারণত দুই পক্ষের একজন করে প্রতিনিধি নিয়ে একটি সালিশি পরিষদ গঠন করেন, যাদের কাজ মিটমাট করানোর চেষ্টা করা। এই সালিশে হাজির হওয়া বাধ্যতামূলক নয়, আর পরিষদ চাইলেও তালাক আটকাতে পারে না। কিছু পরিবর্তন না হলে, চেয়ারম্যানের কাছে নোটিশ পৌঁছানোর ৯০ দিন পার হলেই তালাক কার্যকর হয়ে যায়। স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে তালাক কার্যকর হবে ৯০ দিন শেষ হওয়া বা গর্ভাবস্থা শেষ হওয়া, এই দুইয়ের মধ্যে যেটি পরে ঘটে, তখন। ৯০ দিনের মধ্যে চাইলে নোটিশ প্রত্যাহারও করা যায়, সেক্ষেত্রে বিয়ে আগের মতোই বহাল থাকে।

বাংলাদেশে নোটিশ থেকে নিবন্ধন পর্যন্ত ৯০ দিনের তালাক প্রক্রিয়ার সময়রেখা

স্ত্রী নিজে তালাক চাইলে

তালাক-ই-তাফবিজ (অর্পিত অধিকার)

কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামটি দেখুন। স্বামী যদি তালাকের ক্ষমতা স্ত্রীকে অর্পণ করে থাকেন, তাহলে স্ত্রী নিজেই তালাক দিতে পারবেন, একই নোটিশ প্রক্রিয়া মেনে। অনেক নারীই জানেন না যে তাদের হাতে ইতিমধ্যেই এই অধিকার আছে। এক্ষেত্রে স্ত্রীর পুরো দেনমোহর পাওয়ার অধিকার বহাল থাকে।

খোলা (সমঝোতায় তালাক)

খোলায় স্ত্রীই তালাক চান এবং দুই পক্ষ শর্তে সম্মত হন, প্রায়ই এই শর্তে যে স্ত্রী তার বকেয়া দেনমোহরের কিছু অংশ বা পুরোটাই ছেড়ে দেবেন। শর্তগুলো লিখিতভাবে রেখে দুই পক্ষকেই স্বাক্ষর করতে হবে। এরপর ওপরে বলা নিয়মেই নোটিশ পাঠাতে হবে। খোলা করলেই যে ইদ্দতকালীন ভরণপোষণ বাদ যাবে, এমন নয় — স্পষ্টভাবে সেটি ছেড়ে দেওয়ার কথা না থাকলে।

পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে তালাক

অর্পিত অধিকার বা সমঝোতা কোনোটিই না থাকলে স্ত্রী মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারেন। স্বীকৃত কারণগুলোর মধ্যে আছে: স্বামীর চার বছর ধরে হদিস না পাওয়া; দুই বছর ভরণপোষণ না দেওয়া; সালিশি পরিষদের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করা; সাত বছর বা তার বেশি মেয়াদে কারাদণ্ড; তিন বছর ধরে দাম্পত্য দায়িত্ব পালন না করা; পুরুষত্বহীনতা; দুই বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতা বা গুরুতর অসুস্থতা; ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে হওয়া এবং ১৯ বছর হওয়ার আগে তা প্রত্যাখ্যান করা (যদি বিয়ে সম্পন্ন না হয়ে থাকে); এবং নিষ্ঠুরতা, যাকে আদালত বিস্তৃতভাবে দেখে — নিয়মিত দুর্ব্যবহার ও মানসিক নিপীড়নও এর মধ্যে পড়ে।

ধাপ ৩: তালাক নিবন্ধন করা

তালাক কার্যকর হয়ে গেলে মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী নিকাহ রেজিস্ট্রারের (কাজী) কাছে তা নিবন্ধন করাতে হবে। বর্তমানে নিবন্ধন ফি ১,০০০ টাকা, যা সময় সময় সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী ঠিক করা হয়। প্রত্যয়িত তালাক নিবন্ধনটিই দূতাবাস, পাসপোর্ট অফিস এবং পরবর্তী বিয়ের নিবন্ধকরা চাইবেন।

টাকাপয়সা: দেনমোহর, ইদ্দত ও সন্তান

  • দেনমোহর: তাৎক্ষণিক হোক বা বিলম্বিত, বকেয়া থাকা যেকোনো দেনমোহর তালাকের সঙ্গে সঙ্গেই পরিশোধযোগ্য হয়ে যায়। বিস্তারিত দেখুন আমাদের দেনমোহর ও ভরণপোষণ গাইডে.
  • ইদ্দতকালীন ভরণপোষণ: ইদ্দতকালে স্ত্রী ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী।
  • সন্তান: তালাক হলেই সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব থেকে বাবা মুক্তি পান না, আর হেফাজত ঠিক হয় সন্তানের কল্যাণ বিবেচনা করে। বিস্তারিত দেখুন আমাদের সন্তানের হেফাজত সংক্রান্ত গাইডে.

বিদেশ থেকে তালাক

বিদেশে থাকা স্বামী বা স্ত্রী বিদেশেই তালাকনামা ও নোটিশে স্বাক্ষর করে তালাক দিতে পারেন (বা তাফবিজের অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন), সম্ভব হলে বাংলাদেশ মিশনে সত্যায়িত করিয়ে, এবং কুরিয়ার বা রেজিস্ট্রি ডাকে চেয়ারম্যান ও স্ত্রী/স্বামীর কাছে নোটিশ পাঠিয়ে। বাংলাদেশে একজন আইনজীবী ইউনিয়ন পরিষদ বা সিটি কর্পোরেশন অফিসে দাখিল ও যোগাযোগ চালিয়ে নিবন্ধনের ব্যবস্থা করতে পারেন। ডেলিভারির প্রমাণ অবশ্যই রেখে দিন — বিদেশ থেকে দেওয়া তালাক সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে নোটিশ পৌঁছানো নিয়েই।

হিন্দু ও খ্রিস্টান বিয়ে

বাংলাদেশে হিন্দু বিয়ের জন্য কোনো আইনি তালাকের বিধান নেই। একজন হিন্দু স্ত্রী চাইলে হিন্দু বিবাহিত নারীর পৃথক বাসস্থান ও ভরণপোষণের অধিকার আইন, ১৯৪৬ অনুযায়ী পৃথক বাসস্থান ও ভরণপোষণ চাইতে পারেন। খ্রিস্টান বিয়ে বিচ্ছেদ হয় কেবল আদালতের মাধ্যমে, ডিভোর্স আইন, ১৮৬৯ অনুযায়ী, এবং হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদনসাপেক্ষে।

মামলার আগে বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা

বিবাহবিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ বা হেফাজতের মতো পারিবারিক বিরোধে এখন মামলার আগে সংশোধিত লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস আইন অনুযায়ী জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা করাতে হয়, যেসব জেলায় এই ব্যবস্থা চালু হয়েছে সেখানে (২০২৬ সালের জুলাই নাগাদ ৩০টি জেলায়, বাকিগুলোতে পর্যায়ক্রমে চালু হবে)। এসব জেলায় পারিবারিক আদালতে মামলা করার আগে মধ্যস্থতা ব্যর্থ হওয়ার সনদ লাগবে।

এটি সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। এখানে আইন ও প্রচলিত প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আপনার প্রকৃত পরিস্থিতি, আপনার কাবিননামা এবং আপনার জেলার প্রচলিত রীতিই ঠিক করবে আপনার জন্য কোনটি সঠিক পথ।
তালাক, ধাপে ধাপে
1

কাবিননামা যাচাই করুন

দেনমোহরের পরিমাণ, কতটা পরিশোধ হয়েছে এবং স্ত্রীর হাতে তালাকের অর্পিত অধিকার আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।

2

লিখিত নোটিশ পাঠান

চেয়ারম্যান বা মেয়র এবং স্বামী/স্ত্রীর কাছে রেজিস্ট্রি ডাকে নোটিশ পাঠান, আর প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।

3

৯০ দিনের অপেক্ষা

ডাকা হলে সালিশি পরিষদে উপস্থিত থাকুন। নোটিশ পৌঁছানোর ৯০ দিন পর তালাক কার্যকর হয়ে যায়।

4

নিবন্ধন ও মীমাংসা

কাজীর কাছে নিবন্ধন করুন, এরপর দেনমোহর, ইদ্দতকালীন ভরণপোষণ ও সন্তানের বিষয়গুলো মীমাংসা করুন।

তালাক মুখে বলার দিন থেকে নয়, বরং চেয়ারম্যানের কাছে নোটিশ পৌঁছানোর দিন থেকেই ৯০ দিনের হিসাব শুরু হয়।পরামর্শের সময় নিন

সাধারণ জিজ্ঞাসা

বাংলাদেশে মুখে বলা তালাক কি বৈধ?

তালাক উচ্চারণ করলে প্রক্রিয়া শুরু হয় ঠিকই, কিন্তু চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত নোটিশ না দেওয়া এবং পৌঁছানোর ৯০ দিন পার না হওয়া পর্যন্ত তা আইনিভাবে কার্যকর হয় না। নোটিশ ছাড়া স্বামী-স্ত্রী আইনের চোখে বিবাহিতই থেকে যান, আর স্বামীর বিরুদ্ধে মামলাও হতে পারে।

বাংলাদেশে স্ত্রী কি স্বামীকে তালাক দিতে পারেন?

হ্যাঁ। কাবিননামায় লেখা থাকলে তিনি অর্পিত অধিকারে (তালাক-ই-তাফবিজ) তালাক দিতে পারেন, স্বামীর সাথে সমঝোতায় খোলা করতে পারেন, অথবা নিষ্ঠুরতা বা ভরণপোষণ না দেওয়ার মতো কারণ দেখিয়ে পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করতে পারেন।

বাংলাদেশে তালাকের খরচ কেমন?

সরকারি তালাক নিবন্ধন ফি বর্তমানে ১,০০০ টাকা। নোটিশ ও ডাক খরচ সামান্যই। আইনজীবীর ফি নির্ভর করে এটি নোটিশভিত্তিক সাধারণ তালাক নাকি পারিবারিক আদালতের বিতর্কিত মামলা, তার ওপর।

তালাকের নোটিশ কার কাছে পাঠাতে হবে?

স্ত্রী যেখানে থাকেন সেই এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, অথবা সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার মেয়র বা প্রশাসকের কাছে, এবং এর একটি কপি স্ত্রীকে।

তালাক কখন কার্যকর হয়?

চেয়ারম্যানের কাছে নোটিশ পৌঁছানোর ৯০ দিন পর। স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে, ৯০ দিন শেষ হওয়া বা গর্ভাবস্থা শেষ হওয়া, এই দুইয়ের মধ্যে যেটি পরে ঘটে তখন।

খোলা তালাকে কি স্ত্রী তার দেনমোহর হারান?

এমনিতেই নয়। খোলায় স্ত্রী প্রায়ই দেনমোহরের কিছু অংশ বা পুরোটা ছেড়ে দিতে সম্মত হন, তবে সেটি অবশ্যই সম্মতিসাপেক্ষ। যে অংশ ছাড়া হয়নি, তা পরিশোধযোগ্যই থাকে।

আমি কি বিদেশ থেকে তালাক দিতে পারি?

হ্যাঁ। তালাকনামা ও নোটিশে স্বাক্ষর করুন, সম্ভব হলে বাংলাদেশ মিশনে সত্যায়িত করিয়ে নিন, এরপর তা চেয়ারম্যান ও আপনার স্বামী/স্ত্রীর কাছে পাঠান। বাংলাদেশে একজন আইনজীবী পরবর্তী প্রক্রিয়া ও নিবন্ধনের ব্যবস্থা করে দিতে পারেন।

তালাক কি প্রত্যাহার করা যায়?

৯০ দিন শেষ হওয়ার আগে তালাক প্রত্যাহার করা যায়। কার্যকর হয়ে যাওয়ার পর একই দম্পতি নতুন নিকাহ করে আবার বিয়ে করতে পারেন, আর আইন এভাবে মাঝে অন্য কোনো বিয়ে ছাড়াই সর্বোচ্চ তিনবার পর্যন্ত অনুমতি দেয়।

পারিবারিক আদালতে যাওয়ার আগে কি মধ্যস্থতা করাতে হবে?

যেসব জেলায় লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস আইনের অধীনে বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা চালু হয়েছে, সেখানে হ্যাঁ — পারিবারিক বিরোধ প্রথমে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে যেতে হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম প্রশ্ন বা মতামত আপনিই লিখুন।

মন্তব্য লিখুন

সব মন্তব্য প্রকাশের আগে চেম্বার থেকে যাচাই করা হয়। মামলার গোপন তথ্য, ফোন নম্বর বা লিংক দেবেন না। এখানে দেওয়া উত্তর সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়; নির্দিষ্ট বিষয়ে পরামর্শের জন্য চেম্বারে যোগাযোগ করুন।

সঠিকভাবে বিয়ে বিচ্ছেদ করুন

একটি ছোট পরামর্শ পরবর্তীতে তালাক নিয়ে চ্যালেঞ্জ এড়াতে সাহায্য করতে পারে। আমরা নোটিশ, নিবন্ধন, খোলার শর্ত এবং পারিবারিক আদালতের মামলা — সবকিছুই দেখভাল করি।