Skip to content
হোম/আইনি গাইড/বিদেশ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি
প্রবাসী

বিদেশ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি: দূতাবাসে সত্যায়ন, ডিসি অফিসে স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম

দেশের বাইরে থাকা লাখো বাংলাদেশির জন্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নিই দেশে জমি বিক্রি, ভাড়া আদায় বা মামলা চালানোর একমাত্র উপায়। আবার এই একই কাগজের মাধ্যমেই সম্পত্তি হাতিয়েও নেওয়া হয়। সঠিকভাবে তৈরি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আপনাকে সুরক্ষা দেয়; আর অসতর্কভাবে তৈরি করলে সেটি আপনার সবকিছুর চাবি এক আত্মীয়ের হাতে তুলে দেওয়ার মতো।

পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালা, ২০১৫স্ট্যাম্প আইন, ১৮৯৯ (ধারা ১৮)
শেয়ার করুন
প্রবাসী বাংলাদেশির বাংলাদেশে ব্যবহারের জন্য বিদেশে সম্পাদিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি
এক নজরে
  • বাংলাদেশ মিশনে স্বাক্ষর করুন, বা সেখান থেকে সত্যায়ন করিয়ে নিন
  • দেশে পৌঁছানোর ৩ মাসের মধ্যে ডিসি অফিসে স্ট্যাম্প করান
  • অপ্রত্যাহারযোগ্য ও জমি বিক্রির পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অবশ্যই রেজিস্ট্রি করাতে হবে
  • যতটুকু ক্ষমতায় কাজ চলে, ততটুকুই দিন

এই গাইডে যা আছে: জেনারেল না স্পেশাল? প্রত্যাহারযোগ্য না অপ্রত্যাহারযোগ্য? · ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া · মোক্তার (অ্যাটর্নি) কী করতে পারবেন, কী পারবেন না · নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন · পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল করা · অ্যাপোস্টিল: নতুন একটি বিকল্প · বাংলাদেশে বেড়াতে এলে

সংক্ষেপে উত্তর

বাংলাদেশে ব্যবহারের জন্য বিদেশে স্বাক্ষরিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি হতে হবে বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সামনে সম্পাদিত, বা সেখান থেকে সত্যায়িত, এরপর দেশে পাঠাতে হবে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সত্যায়ন করাতে হবে, এবং তিন মাসের মধ্যে ডেপুটি কমিশনারের (কালেক্টর) কার্যালয়ে স্ট্যাম্প করাতে হবে , বাংলাদেশে প্রথম পৌঁছানোর তারিখ থেকে গুনে। এটি যদি অপ্রত্যাহারযোগ্য হয় বা জমি বিক্রি বা হস্তান্তর সংক্রান্ত হয়, তাহলে এটি অবশ্যই রেজিস্ট্রি করাতে হবে। কোনো ধাপ বাদ দিলে সাব-রেজিস্ট্রার, ব্যাংক বা আদালত তা গ্রহণ নাও করতে পারে।

জেনারেল না স্পেশাল? প্রত্যাহারযোগ্য না অপ্রত্যাহারযোগ্য?

  • জেনারেল পাওয়ার অব অ্যাটর্নি: ব্যাপক ক্ষমতা দেয়, যেমন সম্পত্তি দেখাশোনা, ভাড়া আদায় ও বিভিন্ন অফিসের কাজ করা। সুবিধাজনক, কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ।
  • স্পেশাল পাওয়ার অব অ্যাটর্নি: নির্দিষ্ট একটি কাজে সীমাবদ্ধ, যেমন নির্দিষ্ট একটি প্লট বিক্রি করা, বা একটি মামলা চালানো। এটি বেশি নিরাপদ।
  • অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি: বিনিময় মূল্যের বিপরীতে দেওয়া হয়, প্রায়ই জমি বিক্রি বা ডেভেলপার চুক্তিতে। এটি রেজিস্ট্রি করাতেই হবে, এবং মেয়াদ চলাকালে সহজে বাতিল করা যায় না।

যতটুকু ক্ষমতায় কাজ চলে, ঠিক ততটুকুই দিন। জমির ক্ষেত্রে সম্পত্তির বিবরণ সুনির্দিষ্টভাবে লিখুন: জেলা, উপজেলা, মৌজা, খতিয়ান ও দাগ নম্বর এবং জমির পরিমাণ।

ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া

  1. বাংলাদেশি ফরম্যাটে খসড়া তৈরি করুন। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালার নির্ধারিত ফরম ব্যবহার করুন (নিবন্ধন অধিদপ্তর একটি নমুনা প্রকাশ করে)। দেশের একজন আইনজীবীকে দিয়ে এটি খসড়া করানো ভালো, কারণ অস্পষ্ট ভাষাই প্রত্যাখ্যানের সবচেয়ে বড় কারণ।
  2. ছবি ও পরিচয়পত্র যুক্ত করুন। মালিক (প্রিন্সিপাল) ও মোক্তার (অ্যাটর্নি) উভয়ের পাসপোর্ট আকারের ছবি, এবং উভয়ের পাসপোর্ট ও/অথবা এনআইডির কপি।
  3. বাংলাদেশ মিশনে স্বাক্ষর করুন। অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন, কনস্যুলার কর্মকর্তার সামনে স্বাক্ষর করুন (অথবা স্থানীয়ভাবে নোটারি করা কাগজের জন্য মিশনের নিয়ম অনুসরণ করুন), এবং কনস্যুলার ফি জমা দিন।
  4. মূল কপি দেশে পাঠান কুরিয়ারে। স্ক্যান করা কপি ও ট্র্যাকিং নম্বর সংরক্ষণ করুন।
  5. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সত্যায়ন করান ঢাকায়, প্রয়োজনে, যা কনস্যুলার কর্মকর্তার সত্যায়ন নিশ্চিত করে।
  6. ডিসি অফিসে তিন মাসের মধ্যে স্ট্যাম্প করান নথিটি বাংলাদেশে প্রথম পৌঁছানোর পর থেকে। স্ট্যাম্প আইনের ধারা ১৮ অনুযায়ী বিদেশে সম্পাদিত দলিল এই সময়ের মধ্যে স্ট্যাম্প করা যায়; দেরিতে স্ট্যাম্প করলে সমস্যা হতে পারে।
  7. প্রয়োজনে রেজিস্ট্রি করান। অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, বা স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তরের পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অবশ্যই রেজিস্ট্রি করাতে হবে। কালেক্টরের কার্যালয় সাব-রেজিস্ট্রিতে রেকর্ডের জন্য একটি কপিও পাঠিয়ে দেয়।
বিদেশে করা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাংলাদেশে বৈধ করার ধাপ

মোক্তার কী করতে পারবেন, কী পারবেন না

মোক্তার শুধু লিখিত ক্ষমতার মধ্যেই কাজ করতে পারবেন। জমি ‘দেখাশোনা’ করার ক্ষমতা দিলে তার মানে বিক্রি করার অনুমতিও নেই। আদালত ও সাব-রেজিস্ট্রার ক্ষমতাগুলো কঠোরভাবে পড়েন, তাই মোক্তারকে দিয়ে বিক্রয় দলিলে স্বাক্ষর করাতে চাইলে, দাম গ্রহণ করাতে চাইলে, নামজারির আবেদন করাতে চাইলে বা মামলা করা ও লড়ার ক্ষমতা দিতে চাইলে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করুন।

নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন

  • মোক্তার বেছে নিন সতর্কভাবে, এবং একটি নির্দিষ্ট লেনদেনের জন্য স্পেশাল পাওয়ার অব অ্যাটর্নিকেই প্রাধান্য দিন।
  • বিক্রয়মূল্য জমা করাতে বলুন আপনার নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে, মোক্তারের অ্যাকাউন্টে নয়।
  • মেয়াদ উল্লেখ করে দিন।
  • স্বাক্ষরিত প্রতিটি দলিল ও প্রতিটি রশিদের কপি চেয়ে নিন।
  • অপ্রত্যাশিত হস্তান্তর হচ্ছে কি না দেখতে মাঝেমধ্যে অনলাইনে জমির রেকর্ড যাচাই করুন।

পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল করা

প্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি লিখিত বাতিলপত্রের মাধ্যমে শেষ হয়। মোক্তার এবং যেসব অফিসে এটি ব্যবহার হয়েছে বা হতে পারে (সাব-রেজিস্ট্রি, ব্যাংক, ভূমি অফিস), সেখানে নোটিশ পাঠান, আর রেজিস্ট্রি করা পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ক্ষেত্রে বাতিলপত্রও রেজিস্ট্রি করান। কাজ শেষ হলে, মেয়াদ ফুরালে, বা মালিকের মৃত্যু বা দেউলিয়া হলেও পাওয়ার অব অ্যাটর্নি শেষ হয়ে যায়। একটি অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি মেয়াদের মধ্যে বাতিল করা যায় না, শুধু চুক্তি ভঙ্গ হলে এবং আইনে নির্ধারিত নোটিশ ও বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া মেনে করা যায়। কোনো আত্মীয় ইতিমধ্যে পাওয়ার অব অ্যাটর্নির অপব্যবহার করে থাকলে, দলিল বাতিল ও জালিয়াতির মামলা নিয়ে অবিলম্বে পরামর্শ নিন।

অ্যাপোস্টিল: নতুন একটি বিকল্প

বাংলাদেশ হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশনে যুক্ত হয়েছে, যা ২০২৫ সালের মার্চ থেকে বাংলাদেশের জন্য কার্যকর। বিদেশে ইস্যু করা কিছু নথি এখন দূতাবাসের মাধ্যমে সত্যায়নের বদলে অ্যাপোস্টিল করা যায়। তবে সাব-রেজিস্ট্রার বা ডিসি অফিসে ব্যবহারের জন্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের আগেই প্রচলিত নিয়ম যাচাই করে নিন, কারণ অফিসগুলো এখনো বাংলাদেশ মিশনের সত্যায়ন চাইতে পারে।

বাংলাদেশে বেড়াতে এলে

বাংলাদেশে থাকাকালীন সময়েই পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সম্পাদন করে সরাসরি সাব-রেজিস্ট্রারের সামনে রেজিস্ট্রি করিয়ে নেওয়াই প্রায়ই সহজ, এতে দূতাবাস ও স্ট্যাম্পের ধাপগুলো এড়ানো যায়।

এই গাইড শুধু সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। মিশনের নিয়ম দেশভেদে ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তন হয়। স্বাক্ষরের আগে আপনার দূতাবাস ও একজন আইনজীবীর কাছ থেকে বর্তমান নিয়ম যাচাই করে নিন।
বিদেশ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি
1

নির্ভুলভাবে খসড়া করুন

বাংলাদেশি ফরম্যাট, সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা, সম্পত্তির পূর্ণ বিবরণ, ছবি ও পরিচয়পত্র।

2

মিশনে স্বাক্ষর করুন

বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সামনে সম্পাদন করুন, বা সেখান থেকে সত্যায়ন করান।

3

সত্যায়ন ও স্ট্যাম্প করান

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন এবং দেশে পৌঁছানোর তিন মাসের মধ্যে ডিসি অফিসের স্ট্যাম্প।

4

রেজিস্ট্রি ও ব্যবহার

অপ্রত্যাহারযোগ্য বা জমি হস্তান্তরের পাওয়ার অব অ্যাটর্নি রেজিস্ট্রি করান, এরপর সাব-রেজিস্ট্রি, ব্যাংক বা আদালতে ব্যবহার করুন।

নথিটি বাংলাদেশে প্রথম পৌঁছানোর দিন থেকেই তিন মাসের স্ট্যাম্প করার সময়সীমা শুরু হয়।পরামর্শের সময় নিন

সাধারণ জিজ্ঞাসা

বাংলাদেশের জন্য বিদেশ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কীভাবে করব?

বাংলাদেশি ফরম্যাটে খসড়া করান, বাংলাদেশ মিশনে স্বাক্ষর করুন বা সেখান থেকে সত্যায়ন করান, মূল কপি দেশে পাঠান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সত্যায়ন করান, তিন মাসের মধ্যে ডিসি অফিসে স্ট্যাম্প করান, এবং প্রয়োজনে রেজিস্ট্রি করান।

জমি বিক্রির পাওয়ার অব অ্যাটর্নির জন্য কি রেজিস্ট্রেশন প্রয়োজন?

হ্যাঁ। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২ অনুযায়ী অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি এবং স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তরের পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অবশ্যই রেজিস্ট্রি করাতে হবে।

বিদেশে সম্পাদিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি স্ট্যাম্প করার সময়সীমা কত?

স্ট্যাম্প আইনের ধারা ১৮ অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রথম পৌঁছানোর তিন মাসের মধ্যে।

আত্মীয়কে দেওয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কি বাতিল করতে পারি?

প্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি লিখিত বাতিলপত্রের মাধ্যমে বাতিল করা যায়, যা মোক্তার ও সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোকে জানাতে হবে, এবং পাওয়ার অব অ্যাটর্নি রেজিস্ট্রি করা থাকলে বাতিলপত্রও রেজিস্ট্রি করাতে হবে। অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি শুধু আইনে নির্ধারিত কারণ ও প্রক্রিয়াতেই শেষ করা যায়।

পাওয়ার অব অ্যাটর্নিধারী কি আমাকে না জানিয়ে আমার জমি বিক্রি করে দিতে পারেন?

শুধু তখনই, যদি পাওয়ার অব অ্যাটর্নিতে বিক্রির ক্ষমতা দেওয়া থাকে। ক্ষমতা সীমিত রাখুন, নিজের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা নেওয়ার শর্ত দিন, এবং জমির রেকর্ড নজরে রাখুন। অপব্যবহার হলে তা জালিয়াতি হিসেবে চ্যালেঞ্জ করা যায়।

পাওয়ার অব অ্যাটর্নির জন্য কী কী কাগজপত্র লাগে?

নির্ধারিত ফরমে খসড়া করা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, মালিক ও মোক্তার উভয়ের পাসপোর্ট আকারের ছবি এবং পাসপোর্ট বা এনআইডির কপি, আর জমি জড়িত থাকলে সম্পত্তির বিবরণ।

একজন প্রবাসী কি পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে আদালতে মামলা করতে পারেন?

হ্যাঁ। পাওয়ার অব অ্যাটর্নিতে মামলা পরিচালনার ক্ষমতা স্পষ্টভাবে দেওয়া থাকলে, মোক্তার আইনজীবীকে নির্দেশনা দিতে এবং নিজের জানা বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারেন।

বিদেশি নোটারির সামনে স্বাক্ষরিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কি বাংলাদেশে বৈধ?

সাধারণত এর জন্য বাংলাদেশ মিশনের সত্যায়ন ও পরবর্তী ধাপগুলো প্রয়োজন হয়। আপনার মিশনের বর্তমান নিয়ম যাচাই করে নিন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম প্রশ্ন বা মতামত আপনিই লিখুন।

মন্তব্য লিখুন

সব মন্তব্য প্রকাশের আগে চেম্বার থেকে যাচাই করা হয়। মামলার গোপন তথ্য, ফোন নম্বর বা লিংক দেবেন না। এখানে দেওয়া উত্তর সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়; নির্দিষ্ট বিষয়ে পরামর্শের জন্য চেম্বারে যোগাযোগ করুন।

বিদেশ থেকে সম্পত্তি দেখাশোনা করছেন?

আমরা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি খসড়া করি, ঢাকায় স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশনের সমন্বয় করি, এবং পাওয়ার অব অ্যাটর্নির অপব্যবহার হলে প্রবাসীদের পক্ষে ব্যবস্থা নিই।